Latest News

Browsing Category

কবিতা

শ্রুতকীর্তির কবিতা

আকাশকুসুম আজ খুব ভোরবেলা সাইকেলের ঘন্টা শুনেছিলাম। জানি, এই দশতলায় আইসক্রিমগাড়ি, বেলুনওয়ালা, ফিঙেপাখি কিছুই আসেনা । তাও কেন কাঁচের দেওয়াল ভরে গেল, এত হইচই ? করিডরে যে ছেলেটা ঠোঁট এগিয়ে এনেছিল, কেয়ারটেকার উঁকি দিতে অস্ফুটে বলেছিল 'হারামি'…

প্রসূন মজুমদারের কবিতা 

নির্জ্ঞান সমস্ত যাত্রাই দীর্ঘ, দৈবপথ হতে পারে আর সব দৈবপথ হয়ে যেতে পারে যাত্রা।জ্যোৎস্নার মতো মিথ্যাগুলো আমাদের হতস্পৃহ জরার বোতামে দোলে, রাতে যাতে সাজানো সহজ সব জোকারের জারজ সন্তান খরগোশ - কুয়াশা চিরে ছুটে যায়, অপ্রয়োজনের দেশে, হেসে।…

বোকাদের পৃথিবী

পৃথ্বী বসু ১. গাছের একটা পাতা ঝরে গিয়ে শুধুই হাওয়ায় ভাসছে... আর এই দৃশ্যের নির্মমতা টের পাচ্ছে একটা বোকা লোক-- শ্রাদ্ধের কার্ডে ছাপা ওই ছবিটাই যখন চোখের সামনে বারবার ভেসে উঠছে তার ২. মাকড়সার মতো লালা হোক-- আমরাও তো চেয়েছিলাম একদিন…

নতুন কবিতাগুচ্ছ

বেবী সাউ শিকার পোড়া হৃদয়ের ঘ্রাণ নিতে নিতে ছুরি উঁচিয়ে ধরেছি... তোমাকে ততটা আর প্রয়োজন নেই মৃত কফিনের দিকে চোখ রেখে, ধূসর পৃথিবী জেগে ওঠে তার কথা,  ফ্যাসফ্যাসে স্বর কাচঢাকা গাড়িতে চন্দন টিপ খসে যেতে দেখি ফোঁটাফোঁটা গলে পড়ে শব...…

পুনর্নির্মাণ

অঞ্জলি দাশ দূরত্ব সরিয়ে এনেছি কিনা হাত, অন্যজন জানে। আমি শুধু নিজেকে দেখছি শূন্য হাতে, চারপাশ ঘিরে আছে ছাইরঙা মেঘ। এই মেঘ ছায়াতরু, কল্পনাবিলাস... একরোখা কলমের খোলা মুখে তুলে দেয় বৃষ্টিকণা। যে কলম জলের ভাষাকে চেনে, সে যদি বা নদী বয়ে…

যেসব লেখার কোনও শিরোনাম নেই

শাশ্বতী সান্যাল ১. অসহ্য গুমোট হয়ে আছে হাত। আঙুলে শব্দ নেই। সুবাতাস নেই। অথচ জষ্টির শেষ। মাঠে মাঠে কৃষকেরা জল মাপছে। ছেঁচে নিচ্ছে পৃথিবীর বুক। ঘোলাটে সবুজ এক অদ্ভুত তরল এসে ধানের জমির মধ্যে শুয়ে আছে। অপাপবিদ্ধ তার মুখ। শরীরের জন্মরসে টলমল…

হিমঅশ্রু

দীপান্বিতা সরকার ১ ঘুমে একটা বেদী জ্বলে ওঠে চাঁদ এসে কুলুঙ্গিতে নামে ধরো তার মুখটি অধোনত জিভ থেকে বিষাদ না কামে ফুটে উঠছে সোনাঝরা ক্ষত ! ক্রমে ক্রমে পুষ্পচাপা ডানা... চুপিসাড়ে মৃত্যু নেমে এলে মিথ্যে করো শরীর, আনত ২ হাতের…

পঁচিশের চিঠি

অভীক রায় চোখের বালিতে খেলা করে হরিণীরা, নৌকাডুবির ঢেউ এসে লাগে ক্ষুরে। রতনের সাথে যোগাযোগ মুছে দিয়ে, পোস্টমাস্টার সরে যায় বহু দূরে। হঠাৎ বিপদে একা হয়ে যাওয়া ঠোঁটে, অমলের নাম ভেসে ওঠে ধুম জ্বরে। আগুনে পোড়ানো চিঠির…

আলোর  নভেল

সঙ্ঘমিত্রা হালদার বধির আকাশ ফাটানো এক চিৎকার আমাকে পাচ্ছে, তুমি দেখালে তখন ছিপি আঁটা দমবন্ধ এক ঘর পায়ের কাছে ঝিমিয়ে থাকা একটা পাপোশ দেখালে তুমি যখন ঝাঁঝরা হয়ে যাচ্ছি রাগে, তুমি রাতের ভেতরে নেশাগ্রস্ত নক্ষত্র দেখালে ভিখিরির…

গার্হস্থ্য

তানিয়া চক্রবর্তী জিভ ধরাধরি খেলতে খেলতে অধরা হয়ে গেলাম ধরন বুঝতে না পেরে ধারণ করলে জিভ –এর ক্ষমতা বাড়ে, ক্ষমতাই যেহেতু অক্ষমতা তাই জিভ অক্ষম! তাই শব্দের বদলে  চুষছি শুধু জিহ্বাজনিত উচ্চারণ ক্ষুব্ধ হচ্ছে না পর্বমাফিক জীবনের মিথ্যে…

কাগজের রক্তমাংস

নীলাব্জ চক্রবর্তী     কাগজের রক্তমাংস সাঁতারু পল্লী থেকে অন ইয়োর মার্ক লিখতেই নুনের সমস্ত কথা কীভাবে আবার জলের কাছে জল বাংলা কবিতার কাছে মুড়ে রাখা গিফটপ্যাক কাগজের রক্তমাংস, আঙুল, জিভ যারা ফেলে এলো ছুটিফেরত ভাষাদের সেইসব ঘামবিন্দু…

আমিও তোমার নামে

অমিতাভ নাগ আমিও তোমার নামে তোমার ভিতরের আলগা ভালোবাসা অচঞ্চল ঔদাসীন্যে একটুখানি ক্ষয় লুকিয়ে রেখেছে, আমি ও উপেক্ষা ভোর-না-হওয়া আলোয় একুয়ারিয়ামের মাছের মতো রঙিন কলকাতায় আজ ঝিরঝিরে বৃষ্টি, আমি চেষ্টা করছি অকস্মাৎ রক্তক্ষরণ দেওয়ালের স্লোগানে …

“ঈশ্বরের জুতো ও রোমিং বারান্দা” সিরিজ

মৃন্ময়ী ঘোষ “ঈশ্বরের জুতো ও রোমিং বারান্দা” সিরিজ ১ কালো অক্ষরের মধ্যে তুমি ম্যাগনেটিক ট্যাচ সাপের খোলস মোচন-উত্তরের বাঁক ছুরির ফলায় জিহ্বাগ্র বিস্ময়কর অ্যাট্র্যাকটিভ বিস্ফোরণ। তুমি পরীক্ষাগারে লাল নীল লিটমাস বিকার ক্ষার বেলজার গ্যাস…

মন, মথুরাও চলে যেতে পারে

চৈতালী চট্টোপাধ্যায় মন, মথুরাও চলে যেতে পারে ১ কী প্রেম! কী প্রেম! প্রতি আদরের কাছে কুকুরের মতো আমি বশ্য হয়েছি। মার-খাওয়া রাত্রির কাছেও! গলিতে গলিতে তোমার নামের আলপনা এঁকে, ভোরবেলা, বিশেষ করেছি। কতদিন পর আজ,সরু বোতলের গলা যেন, মনোপথে,…

আদিম

শ্রীজাত অথচ কী শান্ত লাগে তোমার ওই সহ্য-করা-মুখ যখন দূরের সূর্য নিভে যাচ্ছে মিনারে মিনারে বারান্দায় একা বসে তুমি বলছ: ‘সে ভোলে ভুলুক...’ এমনই বিশ্বাস যেন, আজও দিন ফিরে আসতে পারে। আমাদের ফেরা হয় বন্দর শহরে, জল থেকে আনিনি খবর কোনও এ বছরও।…

গুচ্ছ কবিতা

সোহম কর বিষণ্ণ চোখ বেঁচে থাকার জন্য আমি কিছুই করলাম না সেভাবে। শুধু পায়ের উপর পা তুলে, টাকার হিসেব— বেঁচে থাকার জন্য কি টাকার হিসেব খুব প্রয়োজন? একটা অনন্ত রাত কেটে যাওয়ার পরেও আমি উত্তর পাইনি। প্রতিদিন সকালে উঠে আমার মনে হয়েছে, বেঁচে…

আলো দেখার নেশা

অনিমিখ পাত্র ১. চেষ্টা করেছি, তবু একটি ফুলের মতো ফুটে উঠতে পারিনি কখনো আহত জিপের মতো অনেক খাদের নীচে আমার সে চেষ্টা পড়ে থাকে আমি ছেড়ে গেছি। তবু, একটা দুটো বনফুল সঙ্গ দেয় তাকে ২. আমিও বলিনি আর তুমিও শোনোনি, এই হল প্রকৃত শূন্যতা জেন গল্পে…

জোকার

শুভ আঢ্য ১ হতে পারে রাশিয়ান মেয়েটি কখনও বেঁচে উঠবে, জোকারের জোড়া ঠোঁটে রেখে উঠবে ত্রিভুজ তার ... আবার এ’ও খুব স্বাভাবিক যেখানে তাদের দেখা হবে না, পলাশের বনে হিমেল হাওয়ায় বেঁচে ওঠা প্রেত হয়তো বা বলে থাকবে, তাদের যৌনকর্ম আসলে প্রলাপ আর তারা…

গুচ্ছ কবিতা

তৈমুর খান নিজেকে লুকিয়ে রাখি কোথাও পাওয়া যাচ্ছে না ভালোবাসা হারিয়ে গেল   । একটি হলুদ রঙের পোশাক ফেলে চলে গেল   । স্মৃতির উঠোন খাঁখাঁ করে পারস্পরিক শূন্যতায় কিছু জ্বরের উষ্ণতা ঘুরেফিরে খেলাধূলা করে   । দিনশেষের ক্লান্তি উড়ে আসে সেও…

ছ’টা কবিতা: শৌভিক দে সরকারের

শৌভিক দে সরকার বিজন বাড়ি সামান্য রক্তমাংস হোক সামান্য শোকানল সামান্য অন্ধত্ব খসে পড়ুক মেঘবর্ণ পাথর থেকে নীচু হয়ে থাকা অক্ষর, প্রলাপ ও স্বেদ নিষ্ক্রিয় পথনির্দেশকগুলির ওপর থেকে উঠে যাক বর্ষাপ্রকল্পের শ্যাওলা যৌথ দাগের ওপর বসে থাকুক অতর্কিত…

পাঁচটি কবিতা: ঝিলম ত্রিবেদী

ঝিলম ত্রিবেদী দুপুর দুপুরগুলো মাদুর পাতে ঘরে পুরোনো রোদ চু-কিতকিত পায়ে বাচ্চাদুটো আদুলপানা হাসি মনআঁচলে চোরকাঁটা আটকায় পাঁজরে আজ অতীত ভেসে ওঠে উঠোন জুড়ে লাউগাছের প্রাণ কাঁকন পরা দু’হাত ভরা ভাত ভাতের ঘ্রাণে বাজে ঘরের টান সম্পর্ক তারার মত…

ছ’টা কবিতা :কাজী জহিরুল ইসলাম

কাজী জহিরুল ইসলাম বাঁশি তুমি কী সেই দূরের বাঁশি পাথর-গৃহে আজও নীল কষ্টে বাজো? আমিও তো মধ্যরাতে হঠাৎ বলি, আসি। চিকন বাঁকা বাঁশের বাঁশি ছিদ্র গোটা সাত ছয়টি ঢাকা ছয় আঙ্গুলে একটি রেখেছিলাম খুলে এক ফুটোতে আওয়াজ তুলে করতো বাজিমাৎ।…

পাঁচটি কবিতা : হিয়া মুখোপাধ্যায়

সাইমন! সাইমন! যে ছেলেটি আংশিক ভাবে সাইমন অথচ পুরোপুরি সাইমন নয় সে হঠাৎ আজ ঘুম ভেঙে উঠে বসে প্রবল বিষ্ময়ে লক্ষ্য করলো তার চাবি হারিয়ে গ্যাছে সে অস্ফুটে বলতে চাইলো ভালোবাসার কথা সে অস্ফুটে বলতে চাইলো মিছিল আর রোদের উপসর্গের কথা…

গুচ্ছ কবিতা: মুজিব ইরম

বন্দনা প্রথমে বন্দনা করি গ্রাম নালিহুরী। ছাড়িয়াছি তার মায়া যেন কাটাঘুড়।। পরেতে বন্দনা করি আকাশ পাতাল। পিতামাতা দেশ ছাড়া হয়েছি মাতাল।। পুবেতে বন্দনা করি নাম তার মনু। এমনি নদীর রূপ উছলে ওঠা তনু।। উত্তরে বন্দনা করি শ্রীহট্ট নগর। সে তো থাকে মন…

সুবোধ সরকার: কবি ও অধ্যাপক ভারাভারা রাওকে কেন অ্যারেস্ট করা হল?

গভীর রাতে ঘুমিয়ে ছিল কবি চাদর মুড়ি দিয়ে তাঁর ভেতরে এক ভারত রাগ। কবিকে জেলখানায় এনে যেই সরালে চাদর দেখলে তুমি কবি তো নয়, বাঘ। আবহমান হাজার কবি মা- ভারতের কাছে সব কবিকে রাখার মতো তোমার জেল আছে? অঙ্কন : দেবাশীষ সাহা সুবোধ…

গুচ্ছ কবিতা : পেয়ালা – প্রশান্ত গুহমজুমদার

৩৪। নুনের সাদাগুলি জানি। নুনের সহজ। সবটুকু তুমিও জেনেছ। অলিন্দের পাঠ-ও কিছু। তবু লুকোচুরি! চাদর। বিমর্ষ চিহ্ন। তুমি সবটুকু। নিয়মের অতিরিক্ত। এমন খেলায় কি শুরু থাকে! অবসান থাকে। পায়ে পায়ে। বিষন্ন, আলোছায়া, প্রহরী। তুমি জানো। ঝিনুকের…

গুচ্ছ কবিতা: সুবীর সরকার

সুবীর সরকার ম্যাজিক এমনই বাড়ি। বাবুইয়ের বাসার মতো নড়বড়ে কুঁজো হয়ে ঢুকতে হয় গর্তে ভরা রাস্তায় ম্যাজিক ভ্যান মরা মাছের চোখ। গুছিয়ে ভাত খেতে ইচ্ছে হয় কোলাহলমুখর পৃথিবী ডানার কাঁপন রক্তে শর্করা রক্তে হিমোগ্লবিন কম নিছকই গল্পগাছা…

লেখা লিখতে না পারার লেখা অথবা প্রেরিত কবিতা

১ লেখার কাছে ফিরে আসা ছাড়া আমার কোন ফিরে আসা নেই। ফিরে আসার পথটুকু শুধু কাদা আর জল আর কান্না , নর্দমা খোঁচানোর কাঁটা, এমনকি কোন কোদালের আয়োজনও নেই মাটি কোপানোও নেই মাটি কুপিয়ে বীজবপনের পর অপেক্ষা করারও আমার হিম্মত নেই। হিম্মত নেই ফুল…

সৌমনা দাশগুপ্তর কবিতা

উপসংহার ধুয়ে দাও করাতকলের এই শব্দ তোমাকে আর ঘুমোতে দেবে না। আর ভারী একটা পাথরের মতো জল তোমার নাক অব্দি উঠে আসবে। গল্পের মধ্যে মাঝে মাঝে হাওয়া খেলতে দিতে হয়। নিভে যাওয়া কিছু অক্ষর নিয়ে হাঁটতে হাঁটতে দু এক মিনিট জিরেন নিতে হয়। শব্দের থেকে…

গৌতম চৌধুরীর কবিতা – বিপরীতের মধ্যে ঐক্যের সূত্রটি যেন কী ছিল

আকাশ গুমগুম করিতেছে, কিন্তু কোনও ধ্বনি শুনা যাইতেছে না, অন্ধকারের রঙ ঠিক সেইরকম, যখন কাক উড়িয়া গেলে দেখা যায় কিন্তু গাছের পাতার সবুজ আর ঘাসের সবুজ এ উহার গায়ে মিশিয়া যাইতেছে, ঠিক সেইরকম. যাহাতে টের পাওয়া যাইতেছে না একটু পরেই সন্ধ্যা…

ওবায়েদ আকাশের কবিতা

উপন্যাসের প্রেক্ষাপট চাঞ্চল্য ছাপিয়ে অবিদ্যার সিংহাসন এখন জলের ওপর মাছেদের যৌথ মিছিলে এ নিয়ে ট্রিলজি উপন্যাসের লেখক পর্যটনের দিনগুলো ঘামের দরে বিকিয়ে চলেছেন দেখছি, উপন্যাসের প্রারম্ভ ঘিরেই জলের নিচে…

ইচ্ছাপূরণের হোম ডেলিভারি/ मनोकामना की होम डिलीवरी

নীল, হলুদ রং-বেরঙের চকমকে কাপড়ে মোড়ানো মেয়েদের দল বেড়িয়ে পড়েছে, সস্তা মুখরঞ্জনীর আস্তরণে নিজেদের ঢেকে, টগবগিয়ে ফুটছে ভেতর থেকে, সবার মন উল্লাসে টইটম্বুর, উড়ে চলে প্রজাপতির মত, হইহুল্লোড় করছে, পিছিয়ে পড়া সখীদের ডেকে চলেছে। আজ নবরাত্রির…

‘উদাসীন মল্ট’ : স্বপন রায়ের গুচ্ছ কবিতা

## উড়ে যাওয়ার পরেই পাখি হলাম। সারংশময় এক সাঁতারু আকাশের। তুমি যাওয়ার পরেই। ডানা বৈষ্ণব, ঠোঁট শাক্ত পদাবলী। কখন তুমি চলে গিয়েছ কে জানে, শুধু বৃষ্টি বেজেছিল পায়ের পাতার মতন, লিখেই ভেজা বাইলেনে কে যেন, ডাকল। বৃষ্টিফেরার ডাক। চলে গেল ট্রামের…

ভাগাড় হুজুগ এবং আমরা

গায়ে সেঁটে আছে থার্ড ওয়ার্ল্ডের স্ট্যাম্প, রাষ্ট্রপুঞ্জে লাস্ট বেঞ্চের দেশ... 'ডেভলপিং'-এর তকমা কাটাবে কবে আপাতত নেই সেসব ভাবনা-রেশ! 'হুজুগ' এখানে প্রিয়তম এক খাবার, 'গুজবে' লোকেরা আস্বাদ পায় আরও ফুটপাত দিয়ে হাঁটেনা এখানে…

অজানা সংকেত

বড্ড বেশিই পাল্টে গেছো, আগে ইচ্ছে হলে ধরার কবলে ধরা দিতে ; অসম্পৃক্ত ইচ্ছেগুলো,ইচ্ছে নদীর মতন ঢলঢলে নেই ; সদ্য ফোটা রাতগুলো অগস্ত্য হতে চায় না, রাজপথ গাছাড়া দেয় রাতের প্রতিমুখ ভাঙনে ; নিয়ম করে জনগণ বাড়ছে শামুকের গর্ভে, বে…

 নিছকই ধর্মীয়

ঠিক যে দেশের মানচিত্রে মৌনমিছিল থমকে দাঁড়ায়! মোমবাতিরা জ্বলবে পুজোয় ক্রিসমাসে বা ঈদের পাড়ায়... তেমন দেশের স্বপ্ন দেখি মধ্যবিত্ত কল্পনাতে... দুয়ারগুলো থাকবে ধোয়া, শান্তিদূতের আল্পনাতে...…

আগ্রাসী  অঙ্কুর সিরিজ

      ১ নিজেকে আড়ালে রাখবার মধ্যে কোন বীরত্ব নেই যেমন নেই উজাড় করে দেবার মধ্যে সম্পর্কের পরিমাপক যন্ত্র সময়ের নিজস্ব শরীর ব্যবধানে জমে ওঠা ধুলোর পরতে পরতে ক্ষয় এপিসোড ক্লোজ় করতে বাক্যের উচ্চস্বরে বসন্ত বিরাম! # অবচেতনে উপমা উপমায়…

পরিস্থিতি

আবছা একটা দৃশ্য থেকে বিদায় নিতে, বিস্ফোরণের সঙ্গে লাগে মুগ্ধতাবোধ। যেদিন মানুষ মরবে না আর কোথাও শীতে, সেদিন আবার তোমার সঙ্গে ঘুরতে যাব। তোমার জলে নৌকো থেকে ধাক্কা খেলে, ফ্রক পরা এক ছোট্ট মেয়ে দৌড়ে আসে। যখন বলি- 'এমন পুতুল কোথায়…

ট্রাপিজিয়াম

                               (১) চাঁদের গায়ে চাঁদ লেগেছে। কলঙ্ক নেই তাতে- সে গঙ্গাজল পাতিয়েছিল, এলোকেশীর সাথে...                                (২) বাবারা তো উদ্যান। চিরকাল মায়েরা মালিনী। দূরে যে মেয়েলি গাছ আমার মতোই, তাকে চিনি...…