শুক্রবার, অক্টোবর ১৮

প্লাস্টিকের বিশাল রাবণ পুড়িয়ে পালন হল দশেরা, সিমেন্ট কারখানায় প্লাস্টিক নিধনের বার্তা

দ্য ওয়াল ব্যুরো: এই উৎসবের মরসুমে প্লাস্টিকাসুরের বিরুদ্ধে গর্জে উঠেছে সারা দেশ। দূষণের জেরে প্রকৃতির ধ্বংস হয়ে যাওয়া নিয়ে কথা হচ্ছে সমস্ত স্তরে। আলোচনা হচ্ছে, সিঙ্গল ইউজ প্লাস্টিক কী ভাবে নষ্ট করা হবে। কী ভাবে সেগুলি ফেললে প্রকৃতির ক্ষতি হবে না, তা নিয়ে সচেতন সকলেই।

সম্প্রতি সিমেন্ট ইন্ডাস্ট্রিতে বিপুল পরিমাণে উৎপাদিত প্লাস্টিক জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করার কথা উঠেছে। সদ্য পার হওয়া দশেরা উৎসবে তেমনই একটি বার্তা দেওয়া হল সিমেন্ট ম্যানফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশনের তরফে। সিমেন্ট কারখানায় উৎপাদিত প্লাস্টিক দিয়ে তৈরি ৩৫ ফুট উঁচু একটি রাবণ বানিয়ে পোড়ানো হল দিল্লির রামলীলা ময়দানে।

কেন্দ্রের আবাসন ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রকের সচিব শঙ্কর মিশ্র বলেন, “সিমেন্ট কারখানায় যে বিপুল পরিমাণ জ্বালানি লাগে, সে কাজেই ব্যবহৃত হতে পারে এই প্লাস্টিক। এতে পরিবেশের কোনও ক্ষতি হবে না। কারণ ক্ষতিকর গ্যাসগুলি শোষণ হয়ে যাবে উচ্চ তাপমাত্রায়। প্লাস্টিকের রাবণ তৈরি করে সেটি পুড়িয়ে জ্বালানি হিসেবে প্লাস্টিক ব্যবহারের যে বার্তা দেওয়া হল, তা অত্যন্ত ইতিবাচক।”

সিমেন্ট ম্যানফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক অপর্ণা দত্ত শর্মা জানান, সিমেন্ট তৈরির উনুনগুলিতে অত্যন্ত চড়া তাপমাত্রা উৎপন্ন হয়। এতে প্লাস্টিক কেন, যে কোনও বর্জ্যই জ্বালিয়ে দেওয়া অত্যন্ত নিরাপদ। হাইড্রোকার্বন বেরোনোর ভয় নেই।

তাঁর কথায়, “দেশে ২৫০টির বেশি সিমেন্ট তৈরির কারখানা আছে। কিন্তু সেগুলির মধ্যে মাত্র ৫২টি কারখানায় জ্বালানি হিসেবে প্লাস্টিক ডিসপোজ় করা হয়। সারা দেশে এমনটা করা গেলে প্লাস্টিক নষ্টও করা যাবে অনেক বেশি করে, জ্বালানির খরচাও কমবে।”

Comments are closed.