আমার ছেলেকেও পুড়িয়ে মারা হোক! এবার দাবি তুললেন হায়দরাবাদ-কাণ্ডে অভিযুক্ত ধর্ষকের মা

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

    দ্য ওয়াল ব্যুরো: তাঁর মেয়েকে যেভাবে চরম অত্যাচার করে পুড়িয়ে মারা হয়েছে, সেভাবেই দগ্ধে মারা হোক ধৃত ধর্ষকদেরও— প্রকাশ্যে এমনই দাবি করেছিলেন হায়দরাবাদের ধর্ষিতা ও নিহত তরুণীর মা। সেই একই দাবি, একই ঘৃণা এবার শোনা গেল ধর্ষকের মায়ের গলাতেও। নিজের ছেলের চরম শাস্তির দাবিতে ডুকরে উঠলেন চার অভিযুক্তের মধ্যে এক জনের মা। বললেন, “আমার ছেলেকেও পুড়িয়ে মারা হোক।”

    হায়দরাবাদের নৃশংস গণধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডে তোলপাড় গোটা দেশ। নানা স্তরে দাবি উঠেছে অভিযুক্তদের চরমতম শাস্তির। বুধবারের এই ঘটনায় তদন্তে নেমে চার জন অভিযুক্তকেই শুক্রবার গ্রেফতার করে পুলিশ। এর মধ্যেই প্রকাশিত হয়েছে এক অভিযুক্তের মায়ের বক্তব্যের একটি ভিডিও। নির্যাতিতা ও নিহত তরুণীর মায়ের প্রতি সহানুভূতি জানিয়েছেন তিনি। একইসঙ্গে দাবি করেছেন নিজের ছেলের শাস্তির।

    আরও পড়ুন: আদালতে প্রকাশ্যে কুপিয়ে মারা হয়েছিল আক্কু যাদবকে, কেটে নেওয়া হয়েছিল পুরুষাঙ্গ! ধর্ষণের বিচারের দাবিতে সেই স্মৃতি ফিরে আসছে সোশ্যাল মিডিয়ায়

    মহম্মদ আরিফ, জল্লু শিবা, জল্লু নবীন ও চিন্তাকুন্তা চেন্নাকেশাভুলু নামের এই চার অভিযুক্তকে শনিবার ১৪ দিনের বিচারবিভাগীয় হেফাজতে পাঠিয়েছেন তেলঙ্গানার শাদনগরের ম্যাজিস্ট্রেট। ফার্স্ট ট্র্যাক কোর্টে তাদের বিচার হবে বলা সিদ্ধান্ত হয়েছে।

    কিন্তু আইনি বিচার যাই হোক না কেন, এই চার অভিযুক্তকে কেন্দ্র করে যে ভয়ানক গণরোষের ঝড় উঠেছে গোটা দেশজুড়ে। দোষীদের চরমতম শাস্তির দাবিতে রীতিমতো উন্মত্ত হয়ে উঠেছে জনতা। সদ্য সন্তানহারা মায়ের কথাতেও ফুটে উঠেছে সেই ক্ষোভই। ধর্ষকের মায়ের বক্তব্যও মিলে গেছে সেখানেই।

    পুলিশ জানিয়েছে, বুধবার রাত ৯টা ২০ নাগাদ পেশায় পশুচিকিৎসক ওই ২৬ বছরের তরুণীর স্কুটির চাকা পাংচার করে দিয়েছিল অভিযুক্তরা। তার পরের এক ঘণ্টার মধ্যেই তাঁকে গণধর্ষণ করে পুড়িয়ে মারে তারা। ধরা পড়ার পরে অভিযুক্তরা স্বীকার করেছে, তরুণী যাতে চিৎকার না করতে পারেন, সে জন্য তাঁর গলায় জোর করে মদ ঢেলে দিয়েছিল তারা। এমনকি তরুণীকে পোড়াতেও তাঁরই স্কুটির পেট্রোল ঢালা হয়েছিল বলেও স্বীকার করেছে তারা।

    তবে নিহত তরুণীর মায়ের অভিযোগ, ঘটনার কথা জানার পরে পুলিশে অভিযোগ দায়ের করতেই অনেকটা সময় নষ্ট হয়ে যায় তাঁদের। শেষমেশ যখন তদন্ত শুরু হয়, তখন অনেকটা দেরি হয়ে গেছে। যদিও পুলিশ এই অভিযোগ অস্বীকার করে দাবি করেছে, তারা অভিযোগ পাওয়ামাত্র তৎপর হয়ে তল্লাশি শুরু করে এবং দু’দিনের মধ্যেই গ্রেফতার করে ফেলে চার অভিযুক্তকেই।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More