প্রকৃতি বাঁচাও, দূষণ হটাও, পরিবেশ খাতে বরাদ্দ বাড়ল বাজেটে

পরিবেশ বাঁচাতে বরাদ্দ ৩১০০ কোটি টাকা। যার মধ্যে দূষণ রুখতেই বরাদ্দ ৪৬০ কোটি।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

    দ্য ওয়াল ব্যুরো: পরিবেশ দূষণ মাথার উপর খাঁড়া ঝুলিয়ে রেখেছে। রাজধানী তো বটেই, দেশের অন্যান্য শহরের অবস্থাও বিপদ সঙ্কেত দিচ্ছে। নতুন দশকের প্রথম বাজেটে পরিবেশ খাতে তাই একটু বেশিই সচেতন হল কেন্দ্র। গত আর্থিক বর্ষের চেয়ে বাড়ল বরাদ্দের পরিমাণও।

    এ বছর বাজেট পেশ করতে গিয়ে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন বলেন, ২০২০-২১ সালে দেশকে দূষণমুক্ত করার বৃহত্তর পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। পরিবেশ মন্ত্রককে দেওয়া হয়েছে ৩১০০ কোটি টাকা। যার মধ্যে দূষণ রোধের জন্যই বরাদ্দ হয়েছে ৪৬০ কোটি টাকা।

    গত আর্থিক বর্ষের মতোই ক্লাইমেট অ্যাকশন প্ল্যানের জন্য বরাদ্দ হয়েছে ৪০ কোটি টাকা। সবুজায়ণ ও বন্যপ্রাণ রক্ষা খাতে বরাদ্দ বেড়েছে। ‘মিশন গ্রিন ইন্ডিয়া’ প্রকল্পে গত আর্থিক বর্ষে বরাদ্দ হয়েছিল ২৪০ কোটি টাকা, নতুন বাজেটে বরাদ্দ বেড়ে হয়েছে ৩১১ কোটি টাকা। বৃক্ষরোপণ, জঙ্গল বাঁচাতে গত আর্থিক বর্ষে ১৭৯ টাকা বরাদ্দ করা হয়েছিল। বনভূমি বাঁচাতে নতুন বছরে বাজেটে সেই বরাদ্দের পরিমাণ অনেকটাই বেড়ে হল ২৪৬ কোটি টাকা।

    অন্যদিকে, ‘প্রজেক্ট টাইগার’ খাতে বরাদ্দের পরিমাণ ৩৫০ কোটি থেকে কমে হয়েছে ৩০০ কোটি টাকা। বিশ্ব ব্যাঘ্র দিবসে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বাঘশুমারির যে রিপোর্ট সামনে এনেছিলেন তাতে দেখা গিয়েছিল ২০১৪ সালের তুলনায় বাঘের সংখ্যা বৃদ্ধির হার প্রায় ৩৩ শতাংশ। ২০১৪ সালের শুমারি অনুযায়ী দেশে ২২২৬টি বাঘ ছিল। এ বারের শুমারিতে সংখ্যাটা বেড়ে হয়েছে ২৯৬৭। অন্যদিকে, হাতি সংরক্ষণে বরাদ্দের পরিমাণ ৩০ কোটি থেকে বেড়ে হয়েছে ৩৫ কোটি টাকা।

    এদিনের বাজেট পেশ করতে গিয়ে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন সবচেয়ে বেশি জোর দিয়েছেন দূষণ রোধের উপর। বায়ু দূষণ ও প্লাস্টিক দূষণ হটাতে প্রতি রাজ্যকে বিশেষ কর্মসূচী নেওয়ার উদ্যোগ নিতে বলেছেন তিনি।

    চরম দূষণে ধূঁকছে দিল্লি। প্রাণ ওষ্ঠাগত রাজধানীর। বাতাসের গুণগত মানের সূচক (একিউআই) বিপজ্জনক থেকে অতি বিপজ্জনকের মধ্যে ঘোরাঘুরি করছে। দিল্লির মতো কলকাতা, মুম্বইয়ের অবস্থাও তথৈবচ। কেন্দ্রীয় দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদের রিপোর্ট বলছে, শুধু যানবাহন, কলকারখানার ধোঁয়া নয়, শস্যের গোড়া পোড়ানোর ফলে পুরো উত্তর ভারতকে গ্রাস করেছে ধোঁয়া। গাড়ির জোড়-বিজোড়নিয়মের ফলে সাময়িক স্বস্তি মিললেও, বায়ু দূষণ পুরোপুরি নির্মূল করা সম্ভব হয়নি।  এ বছর দূষণের মাত্রাটা অন্যান্য বারের তুলনায় অনেকটাই বেশি। দিল্লির বেশ কয়েক জায়গায় একিউআই পৌঁছে গিয়েছে ৯৯৯-তে, ফলে জনস্বাস্থ্য সংক্রান্ত জরুরি অবস্থা জারি করতে হয়েছে রাজ্য সরকারকে।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More