বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ১৭

দিল্লির এয়ারপোর্টে মহিলার ব্যাগ থেকে উধাও সোনা, হিরের গয়না, চুরি করল কে?

দ্য ওয়াল ব্যুরো : যে সীমান্ত পাহারা দেয়, সে চুরিও করে। ছিঁচকে চুরি নয়। চুরি যাওয়া গয়নার মূল্য প্রায় ১৫ লক্ষ টাকা। বিএসএফের অ্যাসিস্ট্যান্ট সাব ইনস্পেকটার নরেশ কুমারের পোস্টিং হয়েছিল বাগডোগরায়। বিমানে দিল্লি থেকে তাঁর বাগডোগরা যাওয়ার কথা ছিল। বিমানবন্দরে মহিলার ব্যাগটি দেখে লোভ সামলাতে পারেননি। বুধবার তিনি ধরা পড়েছেন।

বাগডোগরার বিমান ধরার জন্য নরেশ কুমার বুধবার ইন্দিরা গান্ধী ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্টে বসেছিলেন। তাঁর পাশেই বসেছিলেন এক মহিলা। তাঁর শ্রীনগরে যাওয়ার কথা ছিল। তিনি স্বামীর জন্য অপেক্ষা করছিলেন।

ওই মহিলা পুলিশকে বলেছেন, প্লেনের অপেক্ষায় তিনি এয়ারপোর্টে বসেছিলেন। তার আগে সব প্রয়োজনীয় নিয়মকানুন পালন করেছিলেন। সিকিউরিটি চেকও হয়ে গিয়েছিল। এক জায়গায় বসে ব্যাগটি রেখেছিলেন সিটের নীচে। মিনিট পাঁচেক বাদে তিনি দেখেন, গয়না ভর্তি ব্যাগটি সিটের নীচে নেই। কোথাও ব্যাগ দেখতে না পেয়ে তিনি পুলিশে অভিযোগ করেন।

তাঁর অভিযোগ শুনে বিমানবন্দরে উপস্থিত সিআইএসএফ এবং দিল্লি পুলিশ সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখে। তারা দেখতে পায়, নরেশ কুমার ব্যাগটি সিটের নীচ থেকে তুলে নিচ্ছেন। তখন তাঁর সন্ধানে তল্লাশি শুরু হয়। তিনি বাগডোগরার বিমানে উঠতে যাচ্ছেন, এমন সময় পুলিশ তাঁকে পাকড়াও করে।

প্রথমে তিনি চুরির কথা অস্বীকার করেন। কিন্তু তাঁর ব্যাগ তল্লাশি করে ১৫ লক্ষ টাকার সোনা ও হিরের গয়না পাওয়া যায়। তাঁকে বন্দি করা হয়। তাঁর বিরুদ্ধে একটি মামলাও করা হয়েছে।

পুলিশ জানিয়েছে, প্রাথমিকভাবে মনে হচ্ছে, নরেশ চট করে অনেক টাকার মালিক হতে চেয়েছিলেন। তাঁর ডাক্তারি পরীক্ষা করে জানা গিয়েছে, চুরির সময় মাতাল অবস্থায় ছিলেন। তিনি স্বীকার করেছেন, চুরির কথা জানাজানি হওয়ার আগেই প্লেনে উঠে পড়তে চেয়েছিলেন।

Comments are closed.