বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ১৭

BREAKING: বন্দুক দেখিয়ে ছাত্রীকে লাগাতার ধর্ষণের অভিযোগ শহরে! ধৃত গৃহশিক্ষক

দ্য ওয়াল ব্যুরো: মাথায় বন্দুক ঠেকিয়ে দশম শ্রেণির এক ছাত্রীকে দিনের পর দিন ধর্ষণের অভিযোগ উঠল গৃহশিক্ষকের বিরুদ্ধে! কলকাতা শহরের নেতাজিনগর এলাকার এই ঘটনায় স্তম্ভিত শহরবাসী। ফের প্রশ্ন উঠেছে মেয়েদের নিরাপত্তা নিয়ে। তা হলে কি স্কুল থেকে বাড়ি, কোথাও-ই নিরাপদ নয় কোনও বয়সের মেয়েই!

পুলিশ জানিয়েছে, বেশ কিছু দিন ধরেই রাজীব চক্রবর্তী নামের এক গৃহশিক্ষকের লালসার শিকার ওই নাবালিকা। জানা গিয়েছে, ওই ছাত্রীর বিজ্ঞান বিভাগের পড়া দেখিয়ে দিত অভিযুক্ত রাজীব। সোমবার মেয়েটি নিজে গিয়ে লিখিত অভিযোগ দায়ের করে বাঁশদ্রোণী থানায়। জানায়, দিনের পর দিন মাথায় পিস্তল ঠেকিয়ে যৌন নির্যাতন চালানো হয় তার উপরে। তার পরেই গ্রেফতার করা হয়েছে ৪২ বছরের ওই গৃহশিক্ষককে। আজ, মঙ্গলবার আলিপুর আদালতে তোলা হবে তাঁকে।

সূত্রের খবর, যে বন্দুক দিয়ে ছাত্রীকে ভয় দেখানো হতো, সেটিও উদ্ধার করা হয়েছে রাজীবের কাছ থেকে। মিলেছে দু’টি কার্তুজও কিন্তু দক্ষিণ কলকাতার রানিকুঠি এলাকার অভিজাত স্কুলের পড়ুয়া ওই ছাত্রীর সঙ্গে এত দিন ধরে সকলের চোখ এড়িয়ে কী করে এমনটা ঘটেছে, কেনই বা ওই কিশোরী আগে প্রতিবাদ করেনি, তা নিয়ে এখনও ধোঁয়াশা রয়েছে।

ছাত্রীর বাবা অবশ্য দাবি করেছেন, তিনি কিছুই জানেন না, তিনি অসুস্থ। বাবা বলেন, “আমায় ছেড়ে দিন, আমি কিছু জানি না এ সবের।” মা দাবি করেন, এ সব কিছুই সত্যি নয়। তিনি বলেন, “কে অভিযোগ করেছে? কিছুই ঠিক নয় এ সবের। আমি আর আমার স্বামী ৭৫ বছরের বৃদ্ধ। হাঁটতেও পারি না ভাল করে। আপনারা এখান থেকে চলে যান।”

অভিযোগকারিণী ছাত্রীর প্রতিবেশী সোমনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “রাজীব খুব খারাপ ছেলে। এর আগেও পাড়ায় মার খেয়েছে অসভ্যতা করে। ওর বাড়িতে সন্ধ্যায় লোকজন মদ খেতে আসে। আমরা পাড়ার লোকেরা ব্যবস্থা নেব।” আর এক প্রতিবেশী সন্ধ্যা দাস বলেন, “রাজীবকে ছোট থেকে দেখছি। ভাল ছেলে ছিল, পরে বদলে গেছে। আমাদের মুখ পুড়ল। ওর শাস্তি হোক।”

Comments are closed.