চিন বয়কটের ডাক আমেরিকাতেও, করোনা ভয়ের মধ্যেই বিক্ষোভ সমাবেশ টাইমস স্কোয়্যারে

পূর্ব লাদাখের গালোয়ান উপত্যকায় সম্প্রতি চিনা সেনার হামলায় প্রাণ হারিয়েছেন এক কর্নেল-সহ ২০ জন ভারতীয় জওয়ান। জখম হয়েছেন অনেকে। সেই ঘটনার জন্য চিনকে ধিক্কার জানানো হয় এই বিক্ষোভে। সেই সঙ্গে চিনা পণ্য বয়কটের ডাকও দিয়েছেন বিক্ষোভকারীরা।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

    দ্য ওয়াল ব্যুরো: করোনা সংক্রমণের ভয় রয়েছে। কিন্তু সেসব না ভাবে আমেরিকায় চিন বিরোধী বিক্ষোভের জমায়েত হল। নিউ ইয়র্কের টাইমস স্কোয়্যারের সেই বিক্ষোভে সামিল হলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসকারী ভারতীয়রাও।

    মহামারী করোনা ভয়ঙ্কর রূপ নিয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে। আক্রান্তের সংখ্যা আর মৃতের সংখ্যার বিচারে বিশ্বে সবচেয়ে বেশি খারাপ অবস্থা আমেরিকার। কার্যত ধরাশায়ী ডোনাল্ড ট্রাম্পের দেশ। মৃতের সংখ্যা প্রায় ১ লক্ষ ৩২ হাজার। আর মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৩০ লাখের দিকে এগোচ্ছে। শেষ পাওয়া পরিসংখ্যান বলছে, দেশে এখনও পর্যন্ত করোনা আক্রন্ত হয়েছেন ২৮ লক্ষ ৪৭ হাজার ৪৬৯ জন। কিন্তু এই পরিস্থিতিতেও চিনের বিরোধিতা করার জন্য নিউ ইয়র্কের টাইমস স্কোয়্যারে জমায়েত হলেন কয়েকশো মানুষ। জানা গিয়েছে, এই সমাবেশের বড় অংশই হলেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত আমেরিকান। এছাড়াও ছিলেন আমেরিকায় বসবাসকারী ভারতীয় নাগরিকরা। তাঁদের সঙ্গে সামিল হন বহু তিব্বতী মানুষ। ছিলেন তাইওয়ান বংশভুক্ত আমেরিকানরাও।

    আরও পড়ুন

    ‘এই ডিজিটাল মাধ্যমটি থাকতেই এসেছে, এ চলে যাওয়ার নয়’, সুখপাঠের উদ্বোধনে বললেন সৌমিত্র

    পূর্ব লাদাখের গালোয়ান উপত্যকায় সম্প্রতি চিনা সেনার হামলায় প্রাণ হারিয়েছেন এক কর্নেল-সহ ২০ জন ভারতীয় জওয়ান। জখম হয়েছেন অনেকে। সেই ঘটনার জন্য চিনকে ধিক্কার জানানো হয় এই বিক্ষোভে। সেই সঙ্গে চিনা পণ্য বয়কটের ডাকও দিয়েছেন বিক্ষোভকারীরা।

    বিক্ষোভকারীদের দাবি ছিল, ভারতে আগ্রাসন বন্ধ করতে হবে এবং তিব্বতকে স্বাধীনতা দিতে হবে। সেই সঙ্গে তাইওয়ানকে মুক্ত করতে হবে। এই জমায়েতের ডাক দেয় আমেরিকান ইন্ডিয়ান পাবলিক অ্যাফেয়ার্স কমিটি। বিক্ষোভ সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সভাপতি জগদীশ সেহওয়ানি। আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, জাপানের প্রধানমন্ত্রী সিনজো আবে এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে বিশ্ব নেতা হিসেবে বর্ণনা করে তাঁদের আরও কাছাকাছি আসার বিষয়টিকে গুরুত্ব দেন বিক্ষোভকারীরা।

    চিনের সমালোচনা করে জগদীশ সেহওয়ানি বলেন, “ওরা হংকংয়ে নিজেদের লোকেদের সঙ্গে যে আচরণ করছে, তিব্বতের শান্তিপ্রিয় মানুষদের উপরে দিনের পর দিন যে অত্যাচার চালিয়ে যাচ্ছে, চিনে বসবাসকারী মুসলমানরা যে সব এলাকায় থাকেন সেখানে যে ভাবে প্রতি নিয়ত অশান্তি করছে, তাতে ওদের মেনে নেওয়া সম্ভব নয়। ওদের বয়কট করতেই হবে। ওদের তৈরি সামগ্রী বর্জন করতেই হবে।”

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More