চ্যারিটির জন্য নয়, ২৪ বছরে দত্তক নেওয়া বুদ্ধিমানের সিদ্ধান্ত: সুস্মিতা সেন

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

    দ্য ওয়াল ব্যুরো: তাঁর সোশ্যাল মিডিয়া জুড়ে রয়েছে মেয়েদের সঙ্গে খুনসুটির মুহূর্ত। সময়-সুযোগ পেলেই মেয়েদের নিয়ে বেড়াতে চলে যান তিনি। যদিও তিনি এই দুই মেয়ের বায়োলজিকাল মাদার নন। তবে ভালোবাসেন হৃদয় থেকে। মায়ের প্রতি মেয়েদেরও টান খুব। তিনি সুস্মিতা সেন।

    মাত্র ২৪ বছর বয়সেই দত্তক নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন প্রাক্তন মিস ইউনিভার্স। ভেবেছিলেন কোনও পুরুষের অবলম্বন না নিয়ে, একাই উপভোগ করবেন মাতৃত্বের স্বাদ। নিজের মনের মতো করে বড় করবেন ওদের। করছেনও তাই। আর কাউকে দেখানোর জন্য বা দান-ধ্যান-চ্যারিটি করার জন্য যে তিনি দুই মেয়েকে দত্তক নেননি এ বার সে কথাও সাফ জানিয়ে দিলেন সুস্মিতা। বললেন, “২৪ বছর বয়সেই সবচেয়ে বুদ্ধিমানের মতো সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম। এই সিদ্ধান্ত আমায় পরিপূর্ণ করেছে।”

    সুস্মিতার কথায়, দত্তক নেওয়া মানে মাতৃত্বকেই অনুভব করা। আর সেটা হৃদয় থেকে। গর্ভে যে সন্তান বেড়ে ওঠে তাঁর সঙ্গে মায়ের যে যোগ থাকে, দত্তক সন্তানের ক্ষেত্রে সেই যোগ কোনও অংশে কম নয়। বরং এই যোগাযোগ আত্মার, যা কোনওদিন মুছে ফেলা সম্ভব নয়। পাশাপাশি সুস্মিতা এ-ও বলেন,  “আমি ভাগ্যবান যে দু’বার মাতৃত্বের স্বাদ উপভোগ করার সুযোগ পেয়েছি। ২০০০ সালে রেনিকে দত্তক নিয়েছিলাম। ২০১০ সালে আলিশা এসেছে আমার পরিবারে।”

    আলিশাকে কী ভাবে জানিয়েছিলেন যে সে দত্তক সন্তান? এক সাক্ষাৎকারে সুস্মিতা বলেন, “খুব মজার ঘটনা। আমরা বিপরীত শব্দ বলার একটা খেলা খেলছিলাম। তখনই উঠে আসে দুটো শব্দ বায়োলজিকাল আর অ্যাডপটেড। মেয়েকে বুঝিয়েছিলাম তুমি স্পেশ্যাল। তাই আমার গর্ভে জন্ম নাওনি। কিন্তু তোমার সঙ্গে আমার যোগ অনেক গভীর। আত্মার টান আমাদের। যা নাড়ির টানের থেকে একটুও কম নয়।”

    সিলভার স্ক্রিনে অনেকদিন সেভাবে দেখা যায়নি সুস্মিতা সেনকে। ব্যস্ত থাকে নিজের জুয়েলারি শোরুম আর ব্যবসার চেন নিয়েই। পাশাপাশি চলে মডেলিং এবং ফটোশ্যুট। তবে হাজার ব্যস্ততার মাঝেও মেয়েদের সময় দিতে ভোলেন না সুস্মিতা। আর মেয়েরাও কিন্তু মায়ের কোলে ঝাঁপিয়ে পড়ে একটু দুষ্টুমি করার অপেক্ষাতেই থাকে।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More