শুক্রবার, জুলাই ১৯

আস্থাভোটে বিজেপির কয়েকজন বিধায়ক ভোট দেবেন সরকারপক্ষে, ইঙ্গিত সিদ্দারামাইয়ার

দ্য ওয়াল ব্যুরো : গত শনিবার থেকে দফায় দফায় কর্ণাটকে কংগ্রেস-জেডি এস শাসক জোটের ১৮ জন বিধায়ক ইস্তফা দিয়েছেন। তারপরেও শুক্রবার মুখ্যমন্ত্রী এইচ ডি কুমারস্বামী দাবি করেছেন, আস্থাভোটে তাঁরাই জিতবেন। তাঁর সঙ্গে সুর মিলিয়ে এদিন কংগ্রেস নেতা সিদ্দারামাইয়াও বলেন, বিজেপি আস্থাভোটে ভয় পাচ্ছে। কারণ তারা জানে, তাদের দলে কয়েকজন বিশ্বাসঘাতক আছে। পর্যবেক্ষকদের মতে, সিদ্দারামাইয়া ইঙ্গিত করেছেন, আস্থাভোট হলে বিজেপির কয়েকজন বিধায়ক তাঁদের পক্ষে ভোট দেবেন। তার ফলেই সরকার এযাত্রা টিকে যাবে।

সিদ্দারামাইয়ার কথায়, আমরা আত্মবিশ্বাসী। সেজন্যই আস্থাভোট চাইছি। বিজেপি ভীত। কারণ তারা জানে, দলে কয়েকজন বিশ্বাসঘাতক রয়েছে।

কুমারস্বামী বলেছেন, আস্থাভোটে সরকারের গরিষ্ঠতা প্রমাণ করবেন। স্পিকারকে তিনি বলেছেন, আস্থাভোটের দিন ঠিক করুন। এর পরেই শাসক কংগ্রেস ও জেডি এস এবং বিরোধী নিজেদের সব বিধায়ককে সরিয়ে নিয়ে যাচ্ছে রিসর্টে। পাছে অন্য দল তাঁদের ভাঙিয়ে নেয়, সেজন্য সতর্ক রয়েছে সব পক্ষ।

কর্ণাটক বিধানসভার স্পিকার রমেশ কুমার এখনও পর্যন্ত বিদ্রোহী বিধায়কদের ইস্তফাপত্র গ্রহণ করেননি। যদি ওই রেজিগনেশন লেটারগুলি গৃহীত হয়, তাহলে বিধানসভায় শাসক জোটের বিধায়কের সংখ্যা ১১৮ থেকে কমে দাঁড়াবে ১০০। বিধানসভায় তখন গরিষ্ঠতা পাওয়ার জন্য প্রয়োজন হবে ১০৫ জন বিধায়ক। বিজেপির ১০৫ জন বিধায়ক আছেন। তার ওপরে দুই নির্দল বিধায়কের সমর্থনে বিধানসভায় তাদের শক্তি দাঁড়াবে ১০৭।

বিদ্রোহী বিধায়করা সুপ্রিম কোর্টে আর্জি জানিয়েছিলেন, স্পিকারকে তাঁদের ইস্তফা নিতে বলা হোক। বিচারপতিরা স্পিকারকে বলেছিলেন, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার মধ্যে ইস্তফা সম্পর্কে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। এদিন সন্ধ্যায় ১০ বিদ্রোহী বিধায়ক রমেশ কুমারের সঙ্গে দেখা করে ফের ইস্তফাপত্র জমা দেন। তারপরে ফিরে যান মুম্বইয়ে। গত শনিবার প্রথমবার ইস্তফা দেওয়ার পর থেকে তাঁরা মুম্বইতেই আছেন।

শুক্রবার স্পিকার সুপ্রিম কোর্টে বলেন, তিনি এখনও বিধায়কদের ইস্তফা নিয়ে সিদ্ধান্ত নেননি। পরে আদালত সিদ্ধান্ত নেয়, আগামী মঙ্গলবারের আগে এসম্পর্কে সিদ্ধান্ত নেওয়া যাবে না। ফলে কুমারস্বামী সরকার আরও কিছুদিন ক্ষমতায় থাকার সুযোগ পেয়েছে।

Comments are closed.