অনুব্রতর গড়ে অমিত শাহ, পুজো দেবেন তারাপীঠে

0

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

দ্য ওয়াল ব্যুরো: শেষ বার যখন বাংলার নেতাদের নিয়ে কলকাতায় বিস্তারক বৈঠকে বসেছিলেন, রেগেমেগে তখনই বলেছিলেন, আমার কাছে কাঁদুনি গাইবেন না। তৃণমূল মারছে,- এ কথা আর শুনতে চাই না। মার ঠেকাতে পেরেছেন কি?

পঞ্চায়েত ভোটের সময় বীরভূমের রাস্তায় রাস্তায় ‘উন্নয়ন’-কে দাঁড় করিয়ে রেখেছিলেন অনুব্রত মণ্ডল। তা টাপকে বিজেপি কর্মীরা হয়তো জেলা পরিষদের আসনে মনোনয়ন পেশ করতে পারেননি, কিন্তু দেখিয়েছিলেন তাঁরা মার প্রতিহত করা শুধু নয়, পাল্টা মারও শুরু করেছেন।

লোকসভা ভোটের কৌশল নির্ধরাণের জন্য বাংলায় এসে সেই বীরভূম দিয়েই দলের প্রচার শুরু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বিজেপি-র সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহ। বিজেপি সূত্র জানাচ্ছে, বীরভূমে দল ও সঙ্ঘ পরিবার যে পায়ের তলায় মাটি পেয়েছে সাম্প্রতিক ঘটনাক্রমই জানান দিচ্ছে। দলের কর্মীদের আরও উজ্জীবিত করতেই বীরভূমে যাবেন বিজেপি সভাপতি।

কাল বুধবার কলকাতায় আসার কথা অমিতের। পরশু বৃহস্পতিবার বীরভূমের তারাপীঠে যাওয়ার কথা তাঁর। তার পর মন্দির লাগোয়া একটি স্কুলে জেলার বাছাই করা নেতাদের নিয়ে বৈঠক করবেন বিজেপি সভাপতি। পরে স্থানীয় বিজেপি কর্মীদের সঙ্গে মধ্যাহ্নভোজ করার কথা রয়েছে অমিত শাহ-র।

স্বাভাবিক ভাবেই পুজোর আয়োজন থেকে শুরু অমিতের সফরের প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছেন বীরভূমের জেলার নেতারা। শনিবার তারাপীঠের কড়কড়িয়া শিশু মন্দিরে সে ব্যাপারে বৈঠক করেন রাজ্যের সাংগঠনিক সম্পাদক সুব্রত চট্টোপাধ্যায়, রাজ্য সহ সভাপতি সুভাষ সরকার এবং জেলা সভাপতি রামকৃষ্ণ রায় প্রমুখ।

পর্যবেক্ষকদের মতে, বিজেপি সভাপতি-র লক্ষ্যটা পরিষ্কার। এক, বীরভূমের জেলা নেতৃত্বকে লোকসভা ভোটের প্রস্তুতির জন্য ভোকাল টনিক দেওয়া। দুই, তারাপীঠে মায়ের মন্দিরে পুজো দিয়ে বাংলায় হিন্দুত্বের রাজনীতিতে শাণ দেওয়া।

যদিও চুপ চাপ বসে নেই অনুব্রত মন্ডলের সৈনিকরা। বিজেপি-কে এক ইঞ্চি জমি ছাড়তে তারা রাজি নয়। বীরভূমে তৃণমূলের প্রভাব বোঝাতে তাই পাল্টা আয়োজনও শুরু করে দিয়েছেন শাসক দলের কর্মীরা। মনসুবা মোড় থেকে তারাপীঠে যাওয়ার রাস্তার দু ধার মুড়ে দেওয়া হয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অনুব্রত মন্ডলের পোস্টারে-ব্যানারে। অমিতের সফর নিয়ে এ দিন কটাক্ষ করতেও ছাড়েননি বীরভূম জেলা তৃণমূলের সভাপতি। তিনি বলেন, “মায়ের পুজো দিতে আসছে ভাল কথা।” তার পরই অমিত শাহ-র নাম না করে বলেন, “কেউ ঘাস খেতে চাইলে খাক। দশ বিঘা জমিতে অনেক ঘাস আছে। পাঁচটা গরু মিলে ঘাস খেতে চাইলেও তফাত হবে না।”

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

Leave A Reply

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More