পাকিস্তানের প্রেমে পড়েছে কেন্দ্র, তাই পদ্মশ্রী দিয়েছে এক পাকিস্তানিকে, মন্তব্য অভিনেত্রী স্বরা ভাস্করের

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

    দ্য ওয়াল ব্যুরো : রবিবার মধ্যপ্রদেশের ইনদওরে ‘সেভ দ্য কনস্টিটিউশন সেভ দ্য কানট্রি’ জনসভায় যোগ দেন অভিনেত্রী স্বরা ভাস্কর। বিজেপির কঠোর সমালোচক অভিনেত্রী এদিন পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত গায়ক আদনান স্বামীকে পদ্মশ্রী দেওয়ার জন্য কটাক্ষ করেন কেন্দ্রীয় সরকারকে। বিতর্কিত নাগরিকত্ব আইনের সমালোচনা করে তিনি বলেন, তিন দেশের অমুসলিম শরণার্থীদের নাগরিকত্ব দেওয়ার কথা বলে কেন্দ্রীয় সরকার সংবিধানের প্রতি বিশ্বাসঘাতকতা করেছে।

    তাঁর কথায়, “উদ্বাস্তুদের নাগরিকত্ব দেওয়া ও অনুপ্রবেশকারীদের গ্রেফতার করার আইন একমাত্র ভারতেই আছে। সরকার আদনান স্বামীকে ভারতের নাগরিকত্ব দিয়েছে। তাঁকে পদ্মশ্রীও দিয়েছে। তাহলে নাগরিকত্ব আইনের প্রয়োজন কী ছিল?”

    আদনান স্বামীর জন্ম লন্ডনে। তিনি একসময় পাকিস্তানের বিমান বাহিনীতে ছিলেন। ২০১৫ সালে তিনি ভারতের নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করেন। ২০১৬ সালের জানুয়ারি মাসে তাঁকে নাগরিকত্ব দেওয়া হয়। গত মাসে যে ১১৮ জনকে পদ্মশ্রী দেওয়া হয়েছে, তাঁদের মধ্যে তিনিও ছিলেন।

    স্বরা ভাস্কর বলেন, “একদিকে তোমরা নাগরিকত্ব আইনের বিরোধীদের লাঠিপেটা করছ, কাঁদানে গ্যাস ছুঁড়ছ, অন্যদিকে পদ্মশ্রী দিচ্ছ এক পাকিস্তানিকে। এদিকে সরকার থেকে বিরোধীদের বলা হচ্ছে টুকরে টুকরে গ্যাং এবং দেশদ্রোহী।”

    পরে তিনি বলেন, “নাগরিকত্ব আইনের সমর্থকরা বলে, দেশে বহু সংখ্যক অনুপ্রবেশকারী রয়েছে। তাই যদি হয়, আমরা তাদের দেখতে পাচ্ছি না কেন?” স্বরা ভাস্করের মতে, “মনে হচ্ছে সরকার পাকিস্তানের প্রেমে পড়েছে। তারা সব জায়গায় পাকিস্তানিদের দেখছে।” সরাসরি আরএসএসের নাম না করে তিনি বলেন, “নাগপুরে বসে কিছু লোক ঘৃণা ছড়াচ্ছে।” পাকিস্তানের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, “১৯৪৭ সালের পরে তারা স্থির করেছিল, ধর্মীয় রাষ্ট্র হয়ে উঠবে। কিন্তু ভারত হয়েছিল ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র। এখানে নাগরিকত্ব পাওয়ার সঙ্গে ধর্মের কোনও সম্পর্ক ছিল না।”

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More