হাজার শয্যার করোনা হাসপাতাল গড়ছে ওড়িশা, বিশাল কোয়ারেন্টাইন সেন্টারে পিছিয়ে নেই অসমও

পিছিয়ে নেই আমাদের বাংলাও। কলকাতা মেডিক্যাল কলেজে ইতিমধ্যেই করোনা রোগীদের জন্য বিশাল ওয়ার্ডের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

    দ্য ওয়াল ব্যুরো: সারা দেশেই বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। করোনাভাইরাসের সংক্রমণকে স্টেজ থ্রি পর্যন্ত পৌঁছতে না দেওয়াই এখন চ্যালেঞ্জ দেশবাসীর। কিন্তু বিশেষজ্ঞরা বারবার বলছেন, একবার যদি সামাজিক সংক্রমণ শুরু হয়ে যায় করোনাভাইরাসের, তাহলেই এই অসুখ পৌঁছে যাবে স্টেজ থ্রি-তে। তাহলে আর মহামারী হওয়া থেকে বাঁচানো যাবে না ভারতকে। আর যদি একবার শুরু হয়ে যায় সংক্রমণ, তাহলে হু হু করে বাড়তে শুরু করবে রোগীর সংখ্যা। তখন বিশাল সংখ্যক আইসোলেশন ওয়ার্ড ও আইসিইউ বেডের সাপোর্টের প্রয়োজন হবে। সেই প্রস্তুতিই চলছে সারা দেশের বিভিন্ন রাজ্যে।

    আর তথ্য বলছে, এই প্রস্তুতিতে সবচেয়ে বেশি এগিয়ে আছে ওড়িশা ও অসম।

    জানা গেছে, ওড়িশাই প্রথম এমন রাজ্য, যারা সবচেয়ে বড় কোভিড ১৯ হাসপাতাল গড়তে চলেছে। ওড়িশার নবীন পট্টনায়ক সরকার জানিয়ে দিয়েছে, সারা দেশের এই সর্ববৃহৎ হাসপাতালে কোভিড ১৯-এর সঙ্গে লড়াই করার জন্য একাধিক বড়সড় পরিষেবা থাকছে। এই হাসপাতালে ১০০০টি বেড থাকবে বলে দাবি করেছে ওড়িশার স্বাস্থ্য মন্ত্রক। শুধু তাই নয়, এতগুলি বেডে যাতে সবচেয়ে বেশি সংখ্যক রোগীকে ভর্তি করে দ্রুত পরিষেবা দেওয়া যায়, সে চেষ্টাও করবে সরকার।

    Image result for orissa corona hospital

    ওড়িশা সরকার নিশ্চিত করেছে, আগামী ১৪ দিনের মধ্যেই এই হাসপাতাল পুরোপুরি তৈরি হয়ে যাবে। হাসপাতাল গড়ার এই উদ্যোগে ওড়িশা সরকারের সঙ্গে হাত মিলিয়েছে সে রাজ্যের সমস্ত মেডিক্যাল কলেজ। অনেকেই বলছেন, করোনাভাইরাস সংক্রমণের মোকাবিলায় নয়া রাস্তা দেখাচ্ছে ওড়িশা।

    পিছিয়ে নেই অসমও। জানা গেছে, আক্রান্তদের রাখার জন্য এক বিরাট কোয়ারেন্টাইন কেন্দ্র তৈরি করছে অসম সরকার। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা টুইট করে জানিয়েছেন এই কোয়ারেন্টাইন সেন্টারের খবর। তিন‌ি টুইটে লেখেন, ‘‘গুয়াহাটির সরুসোজাই স্পোর্টস কমপ্লেক্সে একটি বিরাট কোয়ারান্টাইন কেন্দ্র তৈরি করা হচ্ছে। সেখানে একসঙ্গে ৭০০ জনকে রাখা যাবে। এক সপ্তাহের মধ্যে তৈরি হয়ে যাবে।”

    টুইটের সঙ্গে এই নির্মীয়মাণ কোয়ারেন্টাই সেন্টারের একটি ছবিও শেয়ার করেছেন হিমন্ত বিশ্বশর্মা। মাস্ক পরা কর্মীরা বাঁশের কাঠামোর সঙ্গে দড়ি বেঁধে কাজ করছেন। সেন্টারটি দেখতে ইউ শেপের এয়ারক্র্যাফট হ্যাঙ্গারের মতো। অর্থাৎ বিমান রাখার বিরাট কেন্দ্রের মতোই বিশাল আকারের ও আকৃতির হবে কেন্দ্রটি।

    অন্যদিকে পিছিয়ে নেই আমাদের বাংলাও। কলকাতা মেডিক্যাল কলেজে ইতিমধ্যেই করোনা রোগীদের জন্য বিশাল ওয়ার্ডের ব্যবস্থা করা হয়েছে। করোনা আক্রান্তদের জন্য বিশেষ করে তৈরি করা হয়েছে রাজারহাটের ক্যান্সার চিকিৎসার একটি হাসপাতালও।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More