সেরে ওঠার পরে ফের করোনা আক্রান্ত তরুণী, অ্যান্টিবডি মিলল না শরীরে, বেঙ্গালুরুর ঘটনায় নতুন আতঙ্ক

৩০

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

দ্য ওয়াল ব্যুরো: সারা বিশ্বের নিরিখে করোনাভাইরাসের মৃত্যুহার সবচেয়ে কমেছে ভারতে। এ কথা জানার পরেই আপাতত স্বস্তিতে দেশবাসী। পাশাপাশি অবশ্য আজ, রবিবার দৈনিক সংক্রমণের হিসেব ৯০ হাজার ছাড়িয়ে যাওয়ায় সব রেকর্ড ভেঙে গেছে। মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যার নিরিখে বিশ্ব-তালিকার দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছে ভারত। এসবের মধ্যেই আরও আতঙ্ক বাড়াল বেঙ্গালুরুর ঘটনা। এ শহরে করোনা থেকে সেরে ওঠা এক তরুণী ফের আক্রান্ত হলেন কোভিডে।

বেঙ্গালুরুর চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, এমন ঘটনা এই প্রথম। ২৭ বছরের ওই তরুণী জুলাই মাসে করোনায় আক্রান্ত হন। তাঁর জ্বর, কাশি ও গলা ব্যাথা ছিল। হাসপাতালে ভর্তি করে চিকিৎসার পরে সেরেও যান তিনি। পরপর রিপোর্ট নেগেটিভ আসায় ২৪ জুলাই বাড়ি ফিরে যান তিনি। কিন্ত মাসখানের মাথায় ফের জ্বর ও অন্যান্য উপসর্গ দেখা দেয় তাঁর শরীরে। কোভিড পরীক্ষা করা হলে দেখা যায় আবারও পজিটিভ তিনি! যদিও এবারে বা আগেরবার কোনও বারই খুব তীব্র উপসর্গে ভোগেননি তরুণী।

চিকিৎসকরা বলছেন, কোনও রোগী কোভিডে আক্রান্ত হলে সাধারণত তার কয়েক সপ্তাহের মধ্যে ‘কোভিড ইমিউনোগ্লোবিউলিন অ্যান্টিবডি’ তৈরি হয় শরীরে। এর ফলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে ওঠে। কিন্তু ওই তরুণীর শরীরে সেই অ্যান্টিবডি মেলেনি। এখন অ্যান্টিবডিটি তৈরিই হয়নি, নাকি তৈরি হয়ে একমাসের মধ্যে ফের উধাও হয়ে গেছে, তা স্পষ্ট নয়।

এই ঘটনা সামনে আসার ফলে প্রশ্ন উঠেছে, তাহলে কি দ্বিতীয় দফায় করোনা সংক্রমণ শুরু হয়ে গেল দেশে? বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বা হু-এর কথা অনুযায়ী করোনার সেকেন্ড ওয়েভ শুরু হতে চলেছে এভাবেই? সে বিষয়টি নিশ্চিত না করলেও, চিকিৎসকরা সাবধান করছেন, সম্পূর্ণ সুস্থ কোনও মানুষ করোনা সংক্রমণ থেকে বাঁচতে যতটা সাবধানতা অবলম্বন করেন, ঠিক ততটাই বা তার থেকেও বেশি সাবধান হতে হবে করোনা থেকে সুস্থ হওয়া রোগীকে।

কারণ সাম্প্রতিক নানা ঘটনা থেকে স্পষ্ট, করোনা রোগীর ওপর এই ভাইরাস নানা ভাবে প্রভাব ফেলতে পারে। ফুসফুসের ক্ষতি তো বটেই, সেই সঙ্গে মস্তিষ্ক, লিভার, হার্টে নানা রোগ তৈরি করতে পারে করোনাভাইরাস। সেইসঙ্গে মনের উপর চাপ তো পড়েই। তাই সুস্থ হওয়ার পরেও চিকিৎসকের নির্দেশ মেনে, যথেষ্ট সাবধানতা অবলম্বন করে থাকতে হবে। অনেকেই হাসপাতাল থেকে ফিরেও দুর্বল থাকছেন, ক্লান্ত হয়ে পড়ছেন। খিদে কমে যাচ্ছে।

এই কারণে চিকিৎসকরা বলছেন, প্রয়োজনে হাসপাতাল পরবর্তী সময়ে হোম আইসোলেশনে থাকতে হবে। মেনে চলতে হবে করোনা-বিধি। শরীরের অক্সিজেনের মাত্রা সঠিক পরিমাণে থাকছে কিনা, তাও দেখতে হবে বারবার। তাপমাত্রা ও হার্ট রেটও মনিটর করতে হবে।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More