বৃহস্পতিবার, জানুয়ারি ১৭

মা বকেছেন, তাই মেট্রোর লাইনে ঝাঁপ বেঙ্গালুরুর ছাত্রের! হতবাক মুখ্যমন্ত্রী ছুটে এলেন জখম পড়ুয়ার কাছে

 দ্য ওয়াল ব্যুরো : চালক তৎপর না হলে হয় প্রাণটাই যেত, রক্তাক্ত ছাত্রকে মেট্রোর লাইন থেকে উদ্ধারের পর এই প্রতিক্রিয়া কর্ণাটকের মুখ্যমন্ত্রী এইচ ডি কুমারস্বামীর। বেপরোয়া তরুণের পদক্ষেপে তিনি হতবাক। ঘটনাটি শুক্রবারের। সন্ধ্যায় বেঙ্গালুরুর ব্যস্ত মেট্রো স্টেশনে হুড়োহুড়ি। খবর আসে মেট্রো লাইনে ঝাঁপ দিয়েছে দশম শ্রেণির এক ছাত্র। ছাত্রকে উদ্ধারের পর জানা যায়, মায়ের বকাবকি সহ্য করতে না পেরে নিজেকে শেষ করার সিদ্ধান্ত, তাই মেট্রো রেলে ঝাঁপ পড়ুয়ার।

ঘটনাটি সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে মেট্রো রেল কর্তৃপক্ষ। আর তা দেখেই আবেগ সামলাতে পারেননি কর্ণাটকের মুখ্যমন্ত্রী। জখম পড়ুয়াকে দেখতে ছুটে যান হাসপাতালে। বলেই ফেলেন, সাধারণ ঘটনায় এত বড় পদক্ষেপ নেওয়া ‘হঠকারী সিদ্ধা্ন্ত’ ছাড়া আর কিছুই না। সন্তানদের মা-বাবার কথাও চিন্তা করা উচিত।Image result for kumaraswami on bengaluru students

 

শুক্রবার মেট্রো স্টেশনে ট্রেন ঢোকার আগেই ছাত্রকে দেখে ফেলেন চালক। বুঝতে পারেন ট্রেন ঢুকলেই সে ঝাঁপ দেবে। তাই কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই ব্রেক কষে ট্রেনটিকে থামান তিনি। ততক্ষণে ছাত্র রেল লাইনে ঝাঁপ দিয়ে ফেলে। চালক মাদিভালাপ্পা ট্রেন থেকে নেমেই ছাত্রকে উদ্ধার করেন। হাসপাতালে ভর্তি করা হয় তাকে। খবর দেওয়া হয় ছাত্রের পরিবারকে। মাথায় গুরুতর আঘাত পেয়ে সে এখন চিকিৎসাধীন।

কানাডায় আশ্রয় পেলেন সৌদি থেকে পালিয়ে আসা তরুণী রাহাফ

পুলিশকে ছাত্রটি নিজে জানায়, স্কুল না যাওয়ায় ছাত্রের উপর রেগে যান মা। শুরু হয় বকাবকিকেও। মায়ের সঙ্গে তর্ক করেই বাড়ি থেকে বেরিয়ে যায় দশম শ্রেণির ওই ছাত্র। তারপরেই নিয়ে ফেলে আত্মহত্যার সিদ্ধান্ত। শুক্রবার রাতেই বেঙ্গালুরুর NIMHANS হাসপাতালে ছাত্রকে দেখতে যান মুখ্যমন্ত্রী কুমারস্বামী।তার পরিবারের সঙ্গেও দেখা করেন। ছাত্রকেও বোঝান চরম সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে ভাবনাচিন্তা করতে। মায়ের বকাবকি নয়, বরং এই আত্মহত্যার সিদ্ধান্তই অসম্মানের বলে জানান তিনি।

মুখ্যমন্ত্রীর ছাত্রকে দেখতে ছুটে আসার ঘটনায় খুশি বেঙ্গালুরু বাসী। কুমারস্বামীর ছাত্রকে দেওয়া উপদেশও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল।

মেঘমল্লার– ধারাবাহিক রহস্য উপন্যাস / ১৭

 

Shares

Comments are closed.