বৃহস্পতিবার, নভেম্বর ১৪

লাল-হলুদ সমর্থক নোবেলজয়ী অভিজিৎকে আজীবন সদস্যপদ সবুজ-মেরুনের

দ্য ওয়াল ব্যুরো: আগেই ঠিক হয়ে গিয়েছিল। বুধবার বালিগঞ্জের বাড়িতে গিয়ে নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অভিজিৎ বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায় ক্লাবের আজীবন সদস্যপদের সম্মান তুলে দিলেন মোহনবাগান কর্তারা। এ দিন তাঁর হাতে শতাব্দীপ্রাচীন ক্লাবের মেম্বারশিপ কার্ড, জার্সি ও ১৯১১-র শিল্ডজয়ী মোহনবাগান দলের ছবি তুলে দেন মোহন কর্তা সৃঞ্জয় বসু এবং দেবাশিস দত্ত। পরিয়ে দেওয়া হয় সবুজ-মেরুন উত্তরীয়ও।

বুধবার সন্ধেবালাই কলকাতায় পা রেখেছেন অভিজিৎ। ইতিমধ্যেই স্কুল সাউথ পয়েন্ট স্কুল ও প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয় তাঁকে সম্মান জানানোর তোড়জোড় শুরু করেছে। সংক্ষিপ্ত সফরে বেশ কয়েকটি অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন অভিজিৎ।

নোবেলজয়ের পরেই অভিজিৎ বিনায়কের কাছে ইমেল পাঠিয়ে সম্মান জানানোর কথা জানিয়েছিল মোহনবাগান। সেই সময়ে দোটানায় পড়ে গিয়েছিলেন অভিজিৎবাবু। এ কথা জানিয়েছিলেন সংবাদমাধ্যমকেও। কারণ, তিনি নিজে একজন ইস্টবেঙ্গল সমর্থক। তারপর বলেন, “সব দোটানা ছেড়ে সিদ্ধান্ত নিয়েছি আমি মোহনবাগানের সম্মান গ্রহণ করব। কারণ এই দুটি ক্লাবই তো বাঙালির ঐতিহ্যের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে।”

মহানির্বাণ রোডে ছোটবেলা কেটেছে অভিজিৎবাবুর। ওই এলাকায় ইস্টবেঙ্গল সমর্থক খুঁজে পাওয়া দুষ্কর। তাহলে কী ভাবে এই লাল-হলুদের প্রেম? অভিজিৎবাবু জানিয়েছিলেন, তাঁর পিসতুতো দাদার পাল্লায় পড়ে তিনি ইস্টবেঙ্গল সমর্থক হয়ে গিয়েছিলেন তিনি। বাড়ির সবাই মোহনবাগান হলেও দাদার কাছে ইস্টবেঙ্গলের সাফল্য কাহিনী শুনতে শুনতে অজান্তেই সমর্থক হয়ে গিয়েছেন। মাঠে গিয়ে একসময়ে ইস্টবেঙ্গলের খেলাও দেখতেন অভিজিৎবাবু। তবে এ দিন মোহনবাগানের সম্মান গ্রহণ করলেন নোবেলজয়ী বাঙালি। হলুদ পাঞ্জাবি গায়ে।

Comments are closed.