সোমবার, এপ্রিল ২২

এক লাখ কোটি টাকার পোশাক রপ্তানি করলো বাংলাদেশ

দ্য ওয়াল ব্যুরো:  সারা বিশ্বে পোশাক বাজারে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে বাংলাদেশ। ট্রাম্পের সঙ্গে চিনের সম্পর্ক আদায় কাঁচকলায়।চিনা পণ্যের ওপর বাড়তি শুল্ক বসাতে চলেছে ট্রাম্প সরকার। তাই পোয়াবারো বাংলাদেশের। সস্তা শ্রমিক আর উৎপাদন খরচ কম হওয়ায় উৎপাদিত পোশাকের দামও কম।অথচ কোয়ালিটি বিশ্বমানের। তাই বাংলাদেশের পোশাক বাজারে ঝাঁপিয়ে পড়েছে বিশ্বের তাবড় তাবড় বহুজাতিক পোশাক বিপণন প্রতিষ্টানগুলি।

গত আর্থিক বছরে বাংলাদেশের মোট জাতীয় রপ্তানির পরিমাণ ছিল ৩৬ দশমিক ৬৬ বিলিয়ন ডলার। এর মধ্যে ১২ দশমিক ৬৮ বিলিয়ন ডলার বা এক লাখ সাড়ে ৬ হাজার কোটি টাকা আয় হয়েছে শুধু প্যান্ট ও টি-শার্ট রপ্তানি করেই।
বাংলাদেশের রপ্তানি করা পোশাকের মধ্যে শার্ট প্যান্টের পরেই স্থান জ্যাকেটের। গত আর্থিক বছরে জ্যাকেট রপ্তানি হয়েছে ৩ দশমিক ৯৭৮ বিলিয়ন ডলারের। l উলেন সোয়েটার রপ্তানি করে গত আর্থিক বছরে বাংলাদেশ আয় করেছে ৩ দশমিক ৬৭ বিলিয়ন ডলার।

অনেক দিন থেকেই বাংলাদেশ থেকে অর্ডার দিয়ে প্যান্ট কেনে আমেরিকান ইগল, মিলার, ডকার্স, ওয়ালমার্ট, টম টেইলর ও ওল্ড নেভি,গ্যাপ, মার্কস অ্যান্ড স্পেন্সার, জারা, এইচঅ্যান্ডএম, সিঅ্যান্ডএ, চার্লস ভোগলে,র‍্যাংলার-এর মতো বিশ্বমানের ব্র্যান্ডগুলি। তেমনই বিশ্বের দামী শার্টের ব্র্যান্ড, বেন হিউসেন ও কেলভিন ক্লেই্‌ জর্জিও আরমানি, হুগো বস, টমি হিলফিগারও বাংলাদেশ থেকে প্রতিবছর কোটি কোটি ডলারের শার্ট ও টি-শার্ট কেনে।বাংলাদেশের ২৮০টি ফ্যাক্টরি থেকে এই পণ্য বিদেশে রপ্তানি হয়ে থাকে।

বাংলাদেশ থেকে রপ্তানি করা প্যান্টের প্রধান বাজার ইউরোপ এবং আমেরিকা। ২০১২ সালের আগে আমেরিকায় ছেলেদের প্যান্টের বাজার দখল করে ছিল মেক্সিকো।২০১২ থেকে তা বাংলাদেশের দখলে।দেখা যাচ্ছে  চীন, মেক্সিকো ও ভিয়েতনামকে পেছনে ফেলে পোশাক রপ্তানিতে দ্রুত শীর্ষে উঠে আসছে বাংলাদেশ।

সূত্র- বাংলাদেশ রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) ও বিজিএমইএ

Shares

Leave A Reply