রবিবার, সেপ্টেম্বর ২২

‘হারকিউলিস’ রহস্য ভেদ করতে উদ্যোগী বাংলাদেশ সরকার

দ্য ওয়াল ব্যুরো : গত একমাসে বাংলাদেশের তিন প্রান্তে ধর্ষণে অভিযুক্ত তিন ব্যক্তির মৃতদেহ পাওয়া গিয়েছে। তিন ব্যক্তিরই মৃতদেহের সঙ্গে আটকানো ছিল কাগজ। তাতে লেখা, এই হল ধর্ষকদের পরিণতি। তার মধ্যে ঝালাকাঠি অঞ্চলে যে দেহটি পাওয়া যায়, তাতে কাগজের নীচে লেখা ছিল, হারকিউলিস। এই হারকিউলিস কে, তা নিয়ে মাথা ঘামাচ্ছে বাংলাদেশ সরকার। বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কমল জানিয়েছেন, ধর্ষণে অভিযুক্তদের কে খুন করল, সেই রহস্য ভেদ করার চেষ্টা হচ্ছে।

শুক্রবার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ঢাকায় বলেন, সরকার চায় না, কেউ এইভাবে খুন হোক। যারা এইভাবে খুন করছে, তারা নিশ্চয় ভালো কাজ করছে না। তাদের উচিত ছিল সন্দেহভাজনদের পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া।

পুলিশ এখনও হারকিউলিস রহস্য নিয়ে পুরোপুরি অন্ধকারে। এদিকে নানা দেশের মিডিয়ায় ইতিমধ্যে বিষয়টি নিয়ে সাড়া পড়ে গিয়েছে। মানবাধিকা কর্মী সুলতানা কামাল বলেছেন, এই ধরনের খুনখারাপি সমাজের পক্ষে বিপজ্জনক। এরকম চলতে থাকলে বাংলাদেশের বিচার ব্যবস্থার প্রতি মানুষের অনাস্থা তৈরি হবে। জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান কাজি রিয়াজুল হক বলেছেন, নিজের হাতে আইন তুলে নেওয়ার অধিকার কারও নেই। সরকারের উচিত খুনিদের খুঁজে বার করা। শুক্রবার ঢাকায় একটি অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে এসম্পর্কে প্রশ্ন করা হয়। তিনি বলেন, ধর্ষণকারীদের নিশ্চয় কড়া শাস্তি পাওয়া উচিত। কিন্তু তাদের পুলিশের হাতে তুলে দেওয়ার বদলে খুন করা বেআইনি। আমরা তদন্ত করে অবশ্যই হারকিউলিস রহস্য ভেদ করব।

Comments are closed.