বাবরি মসজিদ ভাঙার মামলায় রায় ৩০ শে, কোর্টে থাকবেন আডবাণী, যোশি, উমা ভারতী

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

দ্য ওয়াল ব্যুরো : ১৯৯২ সালের ৬ ডিসেম্বর করসেবকরা অযোধ্যায় বাবরি মসজিদ ভেঙে ফেলে। ২৮ বছরের পুরানো সেই মামলায় বিশেষ সিবিআই কোর্ট রায় দেবে ৩০ সেপ্টেম্বর। সেদিন আদালতে উপস্থিত থাকবেন বর্ষীয়ান দুই বিজেপি নেতা লালকৃষ্ণ আডবাণী, মরলিমনোহর যোশি এবং নেত্রী উমা ভারতী।

আডবাণীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তাঁরা ওই পঞ্চদশ শতকের মসজিদটি ভেঙে ফেলার ষড়যন্ত্র করেছিলেন। করসেবকদের ধারণা ছিল, যেখানে বাবরি মসজিদ তৈরি হয়েছিল, সেখানেই জন্মগ্রহণ করেছিলেন রামচন্দ্র।

৯২ বছর বয়সী আডবাণী গত ২৪ জুলাই সিবিআই আদালতে তাঁর বয়ান নথিভুক্ত করেন। ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে তিনি বক্তব্য পেশ করেন। তার আগের দিন আদালতে বিবৃতি দেন ৮৬ বছর বয়সী যোশি। দু’জনেই সব অভিযোগ অস্বীকার করেন।

জুলাই মাসে উমা ভারতী সংবাদ মাধ্যমকে বলেছিলেন, “ওই মামলায় রায় যাই হোক না কেন, তাঁর কিছু যায় আসে না। আমাকে যদি ফাঁসি দেওয়া হয়, আমি তাতে খুশিই হব।”

গত ৫ অগস্ট অযোধ্যায় ঐতিহাসিক রামমন্দিরের ভূমিপূজন হয়ে গিয়েছে। তার আগে একটি ভিডিও বার্তা প্রকাশ করেন আডবাণী। তিনি বলেন, তাঁর কাছে এই দিন শুধু ঐতিহাসিক নয়। দীর্ঘদিনের স্বপ্ন পূরণেরও বটে।

ওই ভিডিও বার্তায় রামমন্দির আন্দোলনের পুরোধা নেতা বলেছেন, “জীবনের কিছু স্বপ্ন পূর্ণ হতে সময় লাগে। কিন্তু যখন তা চরিতার্থ হয়, তখন মনে হয় প্রতীক্ষা সার্থক হল।’’ রাম জন্মভূমিতে রামমন্দির তৈরি যে ভারতীয় জনতা পার্টিরও স্বপ্ন ও লক্ষ্য ছিল তাও উল্লেখ করেন বর্ষীয়ান ওই নেতা। তাঁর কথায়, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী রামমন্দিরের ভূমিপজন করবেন। এটা সমস্ত ভারতীয়র কাছে একটা মহৎ দিন। অযোধ্যায় ভব্য রামমন্দির নির্মাণ ভারতীয় জনতা পার্টিরও স্বপ্ন ছিল।”

গত বছর নভেম্বর মাসে সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশ দিয়েছিল রামমন্দির নির্মাণের। আডবাণী বলেন, “সর্বোচ্চ আদালতের নির্দেশে শান্তিপূর্ণ বাতাবরণে মন্দির তৈরির কাজ শুরু হচ্ছে। এটা ভারতীয়দের পারস্পরিক সম্পর্ককে মজবুত করতে সাহায্য করবে। শ্রীরামচন্দ্র ভারতীয় সংস্কৃতি ও সভ্যতার সর্বোচ্চ প্রতীক। বিনয় ও শিষ্টাচারের মূর্ত রূপ। কাউকে বহিষ্কৃত না করে সুশাসন কায়েম হলে তবেই রামরাজ্যের পথে আমরা এগোতে পারব।”

অনেকের মতে, আডবাণীর এই শিষ্টাচার ও বহিষ্কারের প্রসঙ্গ অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ বিজেপির অভ্যন্তরীণ রাজনীতি তো বটেই রামমন্দিরের ভূমিপূজনে তাঁর আমন্ত্রণ পাওয়া, না পাওয়া নিয়েও একপ্রস্থ নাটক হয়েছে। প্রথমে জানা যায়, তাঁকে এবং মুরলী মনোহর যোশীকে নেমন্তন্নই করা হয়নি। যদিও পরে ফোনে আমন্ত্রণ জানিয়ে বলা হয়, ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে যেন তাঁরা ভূমিপুজোতে যোগ দেন। এ ব্যাপারে রামমন্দির তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্টের প্রধান চম্পত রাই বলেছেন, করোনা পরিস্থিতিতে আডবাণীজির বয়সের জন্যই তাঁরা তাঁকে দিল্লি থেকে অযোধ্যায় আসার কথা বলেননি।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More