লাদাখের হাসপাতালে মোদীর ছবি নিয়ে বিদ্রুপের প্রতিবাদে সেনা! অন্য রুমকে আলাদা ওয়ার্ড বানানো হয়েছে, যুক্তি তাদের

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

    দ্য ওয়াল ব্যুরো: শুক্রবার লাদাখ সফরে গিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সেখানেই তিনি সেনাবাহিনীর সঙ্গে বৈঠকের পাশাপাশি গালওয়ান উপত্যকায় চিন সীমান্তে সংঘর্ষ জখম জওয়ানদের সঙ্গে দেখাও করেন হাসপাতালে। সেই হাসপাতালে প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাতের কিছু ছবি প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই তীব্র বিতর্ক ঘনিয়েছে গণমাধ্যমে। দাবি করা হয়েছে, ছবিগুলি সাজিয়ে তোলা, আসল হাসপাতালের ছবি নয়। শেষমেশ জবাব দিল সেনা। জানাল, এই অপবাদ ভিত্তিহীন।

    প্রধানমন্ত্রীর হাসপাতালে সেনাদের সঙ্গে দেখা করার ছবিতে দেখা যাচ্ছে, অসুস্থ জওয়ানদের শয্যার আশপাশে কোনও চিকিৎসক বা নার্স তো নেই, এমনকি কোনও ওষুধের টেবিল বা চিকিৎসার সরঞ্জামও নেই। নেই স্যালাইন বা স্যালাইন লাগানোর স্ট্যান্ড। তার উপরে ছবিতে দেখা যাচ্ছে, সেই হাসপাতাল কক্ষটির সিলিং থেকে ঝুলছে একটি প্রোজেক্টর। এই ছবিগুলি সামনে আসার পরেই গুঞ্জন শুরু হয়েছে, এটা হাসপাতাল নাকি কনফারেন্স রুম।

    এর পরেই শনিবার ভারতীয় সেনার তরফে বিবৃতি জারি করে এসব অভিযোগ উড়িয়ে দেওয়া হল। উল্টে দাবি করা হল, শুক্রবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী লে-র যে হাসপাতালে গিয়েছিলেন, তা নিয়ে যে সন্দেহ ঘনিয়েছে, তা ‘বিদ্বেষপূর্ণ এবং ভিত্তিহীন’। জরুরিকালীন প্রয়োজনে ওই বিশেষ রুমে বেডের ব্যবস্থা করা হয়েছিল বলেই প্রোজেক্টরটি রয়েছে বলে জানিয়েছে তারা।

    তবে এটি জেনারেল হাসপাতাল কমপ্লেক্সের মধ্যেই অন্য একটি রুম। করোনা সংক্রমণের কথা মাথায় রেখে রুমটিকে রাতারাতি আইসোলেশন ওয়ার্ডে রূপান্তরিত করা হয়েছে। অন্য সময়ে এই রুমটি প্রশিক্ষণের কাজে অডিও-ভিজুয়াল রুম হিসাবে ব্যবহার করা হত বলেই দাবি সেনার।

    লাদাখ সফরে গিয়ে এই হাসপাতাল পরিদর্শন ঘিরে ইতিমধ্যেই তীব্র আক্রমণে নেমেছে কংগ্রেস। মোদীর সেনা হাসাপাতাল পরিদর্শনের আসল উদ্দেশ্যই ‘ফোটোসেশন’ ছিল বলে তোপ দেগেছেন বিরোধীরা তাঁদের দাবি, আদতে সেনার পাশে দাঁড়ানো নয়, আত্মপ্রচারের উদ্দেশ্যেই মোদী লে গিয়েছিলেন। অনেকেই ‘সাজানো’ ঘটনা বলে তোপ দেগেছেন।

    সেনার বিবৃতি এই আক্রমণের ঝাঁঝ এবার কমাতে পারে বলে মনে করছেন অনেকে।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More