সোমবার, মে ২৭

দলিত নেতাকে দেখতে মেরঠের হাসপাতালে প্রিয়ঙ্কা

দ্য ওয়াল ব্যুরো : অভিযোগ, বেআইনিভাবে বাইক মিছিল বার করতে চেয়েছিলেন উত্তরপ্রদেশে ভীম আর্মির প্রধান চন্দ্রশেখর আজাদ। পুলিশ গ্রেফতার করার পরেই তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। বুধবার তাঁকে দেখার জন্য মেরঠের হাসপাতালে গেলেন কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক প্রিয়ঙ্কা গান্ধী। দলিত নেতা হিসাবে যথেষ্ট জনপ্রিয়তা আছে চন্দ্রশেখরের।

চন্দ্রশেখর আজাদ উত্তরপ্রদেশের মানুষের কাছে ‘রাবণ’ নামেও পরিচিত। এদিন প্রিয়ঙ্কার সঙ্গে তাঁকে দেখতে হাসপাতালে গিয়েছিলেন কংগ্রেসের অপর নেতা জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া।

প্রিয়ঙ্কা হাসপাতালে গেলে চন্দ্রশেখরের সমর্থকরা প্রথমে তাঁর পথ আটকান। মিনিট পনের তাদের সঙ্গে কথা বলার পরে প্রিয়ঙ্কা হাসপাতালে ঢোকেন। পরে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, আমি এখানে চন্দ্রশেখরের স্বাস্থ্যের ব্যাপারে খোঁজ নিতে এসেছি। তিনি একজন যুব নেতা। এখানকার সরকার এতই অসহিষ্ণু যে তাঁকে কথাই বলতে দিতে চায় না। তাঁর মধ্যে যে লড়াইয়ের মানসিকতা আছে, আমি তা পছন্দ করি।

প্রিয়ঙ্কা যেভাবে চন্দ্রশেখরকে দেখতে গিয়েছেন, তা রাজনৈতিকভাবে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে পর্যবেক্ষকদের ধারণা। উত্তরপ্রদেশের ৩০ শতাংশ ভোটার দলিত। বিশেষত প্রিয়ঙ্কা উত্তরপ্রদেশের যে ৪১ টি কেন্দ্রের দায়িত্বে আছেন সেখানে দলিত ভোট একটা বড় ফ্যাক্টর। চন্দ্রশেখরের অনুগামীরা বিএসপি-র বিরোধী। এবার কংগ্রেসকে বাদ দিয়ে সপার সঙ্গে জোট করেছেন বিএসপি নেত্রী মায়াবতী। তাঁদের দিকে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়ে চন্দ্রশেখর বলেছেন, মায়াবতীদের জোট যদি মোদীর বিরুদ্ধে জোরালো প্রার্থী না দেয়, তিনি নিজে বারাণসীতে প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে দাঁড়াবেন।

দলিত তরুণদের নিয়ে ২০১৪ সালে চন্দ্রশেখর ভীম আর্মি গঠন করেন। দেশের নিরাপত্তার পক্ষে বিপজ্জনক ব্যক্তি হিসাবে তাঁকে এক বছর জেলে আটকে রাখা হয়েছিল। গতবছর তাঁকে মুক্তি দেওয়া হয়। অনেকের ধারণা মায়াবতীর দলিত ভোট কাটার জন্যই তাঁকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে।

Shares

Comments are closed.