মাস্ক কোথায়? প্রশ্ন শুনেই পুলিশকে মার, বিজেপি নেতা মামার সঙ্গে ভাগ্নেও

কাশীর বিজেপি সভাপতি মহেশচন্দ্র শ্রীবাস্তব এই পুলিশ পেটানোকে বিক্ষিপ্ত ঘটনা বলে দাবি করেছেন। তবে তিনি এটাকে দুর্ভাগ্যজনকও বলেছেন।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

দ্য ওয়াল ব্যুরো: করোনাভাইরাস সংক্রমণের সময়ে প্রকাশ্য স্থানে মুখে মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক। কিন্তু আনলক পর্বে এই নিয়ম না মেনে অনেকে বেপরোয়া আচরণ করছেন। কদিন আগেই জাতির উদ্দেশে ভাষণে এমন অভিযোগ তুলেছেন খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। প্রশাসনকে এনিয়ে কড়া হতেও বলেছেন মোদী। এমন পরিস্থিতিতে প্রধানমন্ত্রীর দলের এক নেতার বিরুদ্ধেই উঠল গুরুতর অভিযোগ। মাস্ক না পরায় পুলিশ প্রশ্ন করলে তিনি মারমুখী হয়ে ওঠেন। শুধু মার‌মুখী হওয়ায়ই নয়, দলবল নিয়ে পুলিশ পেটানোরও অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে ওই বিজেপি নেতা ও তাঁর ভাগনেকে।

জানা গিয়েছে, শুধুমাত্র মাস্ক না পরার কারণ জানতে চাওয়ায় এক সাব-ইন্সপেক্টর সহ তিন পুলিশকর্মীকে পেটানোর অভিযোগ। উত্তরপ্রদেশ পুলিশের সিনিয়র সুপারইনটেনডেন্ট প্রভাকর চৌধুরী এই প্রসঙ্গে জানিয়েছেন, বারাণসীর সুন্দরপুর এলাকায় ওই কাণ্ডের জন্য বিজেপি নেতা সুরেন্দ্র প্যাটেল-সহ দু’জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এই ঘটনায় অভিযুক্ত আরও কয়েকজন। পুলিশের পক্ষে বলা হয়েছে, পুলিশকে মারধরের ঘটানোয় জড়িত আরও পাঁচ অভিযুক্তের খোঁজে তল্লাশি চলছে। সকলের বিরুদ্ধেই কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আরও পড়ুন

‘এই ডিজিটাল মাধ্যমটি থাকতেই এসেছে, এ চলে যাওয়ার নয়’, সুখপাঠের উদ্বোধনে বললেন সৌমিত্র

কাশীর বিজেপি সভাপতি মহেশচন্দ্র শ্রীবাস্তব এই পুলিশ পেটানোকে বিক্ষিপ্ত ঘটনা বলে দাবি করেছেন। তবে তিনি এটাকে দুর্ভাগ্যজনকও বলেছেন।

সংবাদসংস্থাকে পুলিশ জানিয়েছে, শুক্রবার রাতে উত্তরপ্রদেশের সুন্দরপুরে এই কাণ্ড ঘটে। পুলিশ ফাঁড়ির দায়িত্বপ্রাপ্ত অফিসার সাব-ইন্সপেক্টর সুনীল গৌড়ের কাছে খবর আসে যে, সুন্দরপুর-খোয়াজা রোডে কাউকে হুমকি দেওয়া হচ্ছে। অভিযোগ শুনেই ঘটনা খতিয়ে দেখতে ঘটনাস্থলে যায় পুলিশ। সেখানেই দেখা যায়, সুরেন্দ্র পটেলের ছেলে বিকাশ সহ দু’জন মাস্ক না পরেই বসে রয়েছেন। অভিযোগ, তাঁদের মাস্ক কোথায় প্রশ্ন করায় পুলিশকর্মীদের উদ্দেশে কটূক্তি করেন এই দু’জন। এই নিয়ে কথা কাটাকাটি শুরু হলে, বিকাশ ফোন করে বাবা সুরেন্দ্র, কাকা বিন্দু ও এক ভাই বীরেন্দ্রকে ডেকে আনেন। পুলিশের দাবি, প্রায় জনা ১২ জন মিলে পুলিশকে মারধর করে। খবর পেয়েই সেখানে পুলিশের বড় বাহিনী পাঠানো হয়। পৌঁছান পুলিশ সুপার বিকাশচন্দ্র ত্রিপাঠী, সার্কেল অফিসার প্রীতি ত্রিপাঠী। সুরেন্দ্র ও বীরেন্দ্রকে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে আসা হয়। শনিবার, দু’জনেই জামিন পেয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। তবে এখনও পাঁচ জনের তল্লাশি চালিয়ে যাচ্ছে পুলিশ।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More