কোভিড সংক্রমণে শীর্ষে ভারত, পরিসংখ্যান দিয়ে মোদীকে কটাক্ষ রাহুলের

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

দ্য ওয়াল ব্যুরো : আমরা সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়েছি। তাই কোভিড সংকটে অন্যান্য দেশের তুলনায় ভাল জায়গায় আছে ভারত। গত সপ্তাহে এমনই দাবি করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সোমবার রাতে মোদীর এই মন্তব্য নিয়ে আক্রমণ শানালেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী।

কোভিড অতিমহামারীতে দেশে মারা গিয়েছেন ৩৮ হাজারের বেশি মানুষ। রাহুল এদিন একটি টিভি চ্যানেলে দেওয়া কয়েকটি তথ্য উল্লেখ করে টুইট করেন। তাতে দেখানো হয়েছে, রবিবার সকাল সাড়ে ন’টা থেকে সোমবার সকাল সাড়ে ন’টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় মোট ১০ টি দেশে সবচেয়ে বেশি কোভিড সংক্রমণ হয়েছে। তাদের মধ্যে শীর্ষে আছে ভারত। ওই সময় ভারতে ৫৩ হাজার মানুষ ওই রোগে আক্রান্ত হয়েছেন।

এই তথ্যের সঙ্গে রাহুল প্রধানমন্ত্রীর উদ্ধৃতি তুলে দিয়েছেন, “সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্যই ভারত এখন অন্যান্য দেশের চেয়ে ভাল অবস্থানে আছে।” ২৮ জুলাই প্রধানমন্ত্রী যখন ওই মন্তব্য করেন, তার আগের এক সপ্তাহে রোজ ৪৫ হাজারের বেশি মানুষ করোনায় আক্রান্ত হয়েছিলেন। ৩০ জুলাই থেকে রোজ ৫০ হাজারের বেশি মানুষ অতিমহামারীর কবলে পড়ছেন। সোমবার সকালে দেওয়া সরকারি তথ্যে জানা গিয়েছে, ভারতে কোভিড আক্রান্তের সংখ্যা ছাড়িয়েছে ১৮ লক্ষ। অ্যাকটিভ কেসের সংখ্যা ৫ লক্ষ ৮০ হাজার।

প্রধানমন্ত্রীর আগে অমিত শাহও গত মাসে বলেছিলেন, কোভিড মোকাবিলায় অন্যান্য দেশের চেয়ে ভাল অবস্থানে রয়েছে ভারত। তারপরেও রাহুল তাঁকে কটাক্ষ করেছিলেন।

সরকার লকডাউন শিথিল করার পরেই বেড়েছে করোনা রোগীর সংখ্যা। গত শনিবার কেন্দ্রীয় সরকার ঘোষণা করেছে আনলক থ্রি। রাহুল গান্ধী লকডাউনের কার্যকারিতা নিয়েও নিঃসংশয় নন। তিনি চারটি গ্রাফ দেখিয়ে বলেছিলেন, সব কিছু বন্ধ থাকা সত্ত্বেও দেশে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা টানা বেড়েছিল।

অর্থনীতিকে চাঙ্গা করার জন্যই লকডাউন শিথিল করা হচ্ছে। কিন্তু অনেকেই বলছেন, খুব দ্রুত অনেক কিছু খুলে দেওয়া হচ্ছে।

গত মাসে রাহুল সরকারকে সতর্ক করে বলেছিলেন, ১০ অগাস্টের মধ্যে দেশে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ২০ লক্ষ ছাড়িয়ে যেতে পারে। এখন যে হারে করোনা বাড়ছে, তাতে তার আগেই আক্রান্তের সংখ্যা ২০ লক্ষ ছুঁতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। করোনায় সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলির মধ্যে ভারতের স্থান তিন নম্বরে। সবার আগে আছে আমেরিকা। সেখানে আক্রান্ত হয়েছেন ৪৬ লক্ষ ৭০ হাজার মানুষ। তারপরে আছে ব্রাজিল। সেখানে আক্রান্তের সংখ্যা ২৭ লক্ষ ৩০ হাজার।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More