আমি প্রথম থেকেই অন্যরকম কিছু করতে চেয়েছিলাম

0

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

    শমীক ঘোষ

    দু’হাতে ধরা সাদা চিনেমাটির ছোট বোল। আর মুখে একরাশ বিরক্তি। গায়ক-সুরকার-গীতিকার অনুপম রায় দাঁড়িয়ে আছেন তাঁর অ্যাপার্টমেন্টের প্রশস্ত ড্রয়িং-কাম ডাইনিং-এ। ফর্মাল নয়।  তাঁর পরনে এখন শর্টস আর টি-শার্ট। ভুরু কুঁচকে, বোলের দিকে তাকিয়ে, মাথা নাড়তে নাড়তে বললেন, “ভাতে পিঁপড়ে ধরেছে। ধুস!”

    নিজেই ঢুকে গেলেন কিচেনে। সযত্নে ঝেড়ে ফেললেন পিঁপড়েগুলো। তারপর আটপৌরে গৃহকর্মে নিপুণ বাঙালি ছেলের মতো ফ্রিজ খুলে, মাটিতে বসে, একে একে ঢুকিয়ে দিলেন টেবিলে রাখা সমস্ত খাবার।

    “তরমুজ খাবে?” আর বিরক্তি নয়, গলায় এখন আন্তরিকতার সুর। না বলে লাভ হল না। নিজে হাতেই নিয়ে এলেন দুটো প্লেটে সাজিয়ে। একটা আমার সামনে রেখে বসে পড়লেন উলটো দিকের সোফায়।

    “রাহত ফতে আলি খানের সঙ্গে কাজ করে কেমন লাগল?”

    “দারুণ। অতবড় একজন গায়ক আমার গানে কাজ করতে রাজি হলেন এটা বিরাট পাওনা। প্রথম যখন শুরু করেছিলাম তখন তো ভাবিনি এত কিছু। এই গানটা বানানোর পর মনে হল ওঁকে দিয়ে গাওয়ানো যায়। উনি শুনেই রাজি হলেন।“ অনুপমের মুখে এখন একটা প্রশান্তির হাসি।

    “এই গানটা কিন্তু টিপিকাল অনুপম রায়ের থেকে অন্যরকম।”

    “হ্যাঁ। এক্সপেরিমেন্টেশন করতেই হয়। করতে চাইও। করে করে দেখি মানুষের কেমন কাজ ভালো লাগছে। সব সময় যে আমার নিজের ভালো লাগে এমন নয়। কিন্তু আমার ভালো না লাগলেও সাধারণ মানুষের ভালো লাগতেই পারে।”

    “এটা কী ভার্সেটাইল হওয়ার জন্য?”

    এবার একটু গম্ভীর। একটু সিরিয়াস। “সিনেমা যেরকমই হোক, গানকে একটা বিশেষ উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা হয়। সিনেমার রিলিজের আগেই গানগুলো যদি খুব জনপ্রিয় হয়, তাহলে মানুষের এমনিতেই একটা আগ্রহ তৈরি হয়। সেটা সিনেমার প্রচারে সাহায্য করে। আমাকে যে লোকে কাজ দেয় তার উদ্দেশ্য এটাই। আজ যদি আমার গান জনপ্রিয় না হত তাহলে কিন্তু আমাকে কেউ কাজ দিত না।” অকপট ভাবে বলে গেলেন কথাগুলো। একবারও না থেমে। ঠিক যেন কর্পোরেট চাকুরে। সারা বছরের বিজনেসের ফিগার অ্যানালিসিস করছেন।

    “প্রথম দিন থেকেই জানতে তোমার গান এত জনপ্রিয় হবে?”

    “আমি এক সময় ভেবেছিলাম আমি প্রথাগত কোনো গান করব না। যেভাবে লেখা হয় সেভাবে লিখব না। একই শব্দ যে শব্দগুলোকে আমরা বহুবার শুনেছি, সেইগুলোকে এমনভাবে ব্যবহার করব যে প্রয়োগের মধ্যে একটা নতুনত্ব থাকবে।”

    থামেন অনুপম রায়। কাঁটাচামচ দিয়ে মুখের ভেতর পুরে দেন তরমুজের টুকরো, “দেখো, আমি যখন গদ্য বা কবিতা লিখি তখন সেটাকে কিন্তু আমি মূলধারার বাইরে বিকল্প একটা ফর্ম বা ভাবনা হিসাবেই দেখতে চাই। আসলে আমি গানটাও এইভাবেই করতে চেয়েছিলাম। আমি ভেবেছিলাম বড়জোর একশোটা লোক শুনবে। আমার গানটাও যে এত লোক শুনবে, সেটাও যে মেনস্ট্রিম হয়ে যেতে পারে এমন কোনও কথা কিন্তু মাথাতেও আসেনি।”

    মুখে খেলা করে একটা চোরা হাসি। অনুপম বলতে থাকেন, “আমি আসলে চেয়েছিলাম আভাগার্দ, একদম নতুন একটা কিছু করতে। সেটা যে এত পপুলার হতে পারে এমন তো ভাবিনি।  এবার, এখন এই পপুলারিটি আমি না পারছি গিলতে না পারছি ওগরাতে।”

    “এই প্রচণ্ড অন্যরকম কিছু হওয়ার বাসনা থেকেই কি বাংলা সাহিত্যের একদম অন্যরকম ধারার লিটল ম্যাগাজিন কৌরবের সঙ্গে যুক্ত হওয়া?”

    “আমি যেধরণের সাহিত্য চর্চা করতে চাই, পড়তে চাই সেটা কৌরবে যেরকম লেখা হয় একদম সেরকম। মূল ধারার সাহিত্য, মূল ধারার কবিতা নয় যেটা। সেটা আমার প্রিয়। সেটাকেই আঁকড়ে ধরে আছি। এই ভাবনাটাকেই ভিত্তি করে কিন্তু আমি মূলস্রোতের বাংলা গানে কাজ করছি।”

    “বব ডিলান গান লিখে সাহিত্যে নোবেল পেলেন। তোমার লেখা গানকে সাহিত্য ভাব?”

    “গানকে আমি সিরিয়াস সাহিত্য হিসাবে ধরিই না। আর আমার গান তো পপুলার মিউজিক। সেটা অনেকে অনেক ভাবেই করেন। কেউ চান মানুষকে নাচাতে। সুর আছে কি নেই, কথা আছে কি নেই এসবের গুরুত্বই নেই তাঁদের কাছে। আমি একটু অন্যরকম কিছু করতে চেয়েছিলাম। চেয়েছিলাম এমন গান করব যেখানে সুন্দর কথা থাকবে। একবার শুনলে মনে হবে এইকথাটা এইভাবে লেখা কেন? হয়ত আরেকবার শুনতে হবে। একটু ভাবতে হবে। সেই জায়গা থেকেই আমি গান করি। তবে এর মধ্যে কতটা সাহিত্যগুন আছে সেটা নিয়ে নিশ্চিত নই। সত্যি কথা বলতে গেলে বলতে হয় এটাকে একদম সাহিত্য বলে আমি ভাবিনা।“

    “বাংলা গানে সাহিত্যধর্মীতার তো ট্র্যাডিশন আছে একটা। তুমি সেই ট্র্যাডিশনের উত্তরসূরি নও?”

    একটু চুপ করে থাকলেন অনুপম। একটু ভাবলেন যেন, “কঠিন প্রশ্ন! আমি নিজের মতো কথা সাজিয়ে গান করতে চেয়েছিলাম। সেটাই করি। সাহিত্য হল কিনা জানি না। সেকথা অন্য কারোর বলাই ভালো। দেখো, আমি নিজে কবিতা লিখি। কবিতা পড়ি। কিন্তু গানকে সেই জায়গায় ফেলা যাবে না। গান লেখার সময় অনেক কম্প্রোমাইজ করি। ভাবি লোকে বুঝতে পারবে কিনা। কবিতা লেখার সময় এমন করে ভাবিনা কিন্তু। আমার লেখা গানে আমার কবিতার থেকে গভীরতা কম। আসলে কি কবিতার তো একটা দীক্ষিত পাঠক আছে। গান অনেক মানুষ শোনে। কে কেন শুনছে, কেউ জানে না। কেউ সুরের জন্য শুনছে, কেউ হয়তো মিউজিকের জন্য। এখানে অনেক কিছু সহজ করে বলতে হয়।”

    “চাকরি ছেড়ে দিয়েছিলে, গান করার জন্য, কিন্তু বললে নিশ্চিত ছিলে না।”

    “আমি এত কিছু ভাবিনি। আমি বাংলায় লিখি। বাংলায় গান গাই। এদিকে ছয় বছর ধরে চাকরি করছি ব্যাঙ্গালোরে। কলকাতায় ফেরার চেষ্টা করছি। কিন্তু এইখানে আমার ফিল্ডে কোনো চাকরি নেই। এর মধ্যে অটোগ্রাফ হল। গানগুলো মানুষের ভালো লাগল। সবাই জানতে চাইছে গানগুলো কে বানিয়েছে। আমার মনে হল নাও অর নেভার। চলে এলাম। আমি হিসাব করেছিলাম মাসে কতগুলো প্রোগ্রাম পেতে পারি। তাহলে কত টাকা হবে। আমার মনে হয়েছিল এইভাবেই চলে যাবে। তবে হ্যাঁ, আমার অফিস আমাকে ছাড়তে চায়নি। ছয় মাসের ছুটি দিয়েছিল।”

    “গান গাওয়ার জন্য খুব ডেসপারেট ছিলে?”

    “খুব। মানুষের সামনে আসতে চাইছি। মানুষকে আমার গান শোনাতে চাইছি। এত ডেসপারেট যে হিন্দি নাটকেও সুর করে ফেললাম। সন্দীপ শিখর বলে একজন একটা একাঙ্কের হিন্দি নাটক করছিল। একটা চরিত্র আর দুজন মিউজিশিয়ান। তবে শুধু গান গাওয়াই নয়, অভিনয়ও ছিল। হিন্দিতে সংলাপ বলতে হত। আমি তাতেই রাজি হয়েছিলাম। ওরা বোধহয় আর কাউকে পায়নি। রাত আটটার সময় অফিস থেকে বেরিয়ে বারোটা অবধি রিহার্সাল। পরেরদিন আবার অফিসে যেতে হবে। উফ! এইভাবেই করেছিলাম তিনমাস। দেড় হাজার টাকা করে দিত পার শো। পাঁচটা করেছিলাম মনে হয়।”

    “সৃজিত মুখার্জি?”

    “আমি ওর কাছে খুব কৃতজ্ঞ। ব্যাঙ্গালোরে আমার গান শুনে সৃজিতদা বলেছিল, আমি যদি কোনোদিন ছবি করি, তোর গান রাখব। দেখো, কথা তো অনেকেই দেয়। কিন্তু কেউ কথা রাখেনা। সৃজিতদা রেখেছিল।”

    “তুমি বাংলা সিনেমার গান করতে চেয়েছিলে?”

    একটু থমকালেন। অপ্রস্তুত যেন, “আমার তখন বাংলা সিনেমার গান নিয়ে খুব অদ্ভুত সব ভাবনা ছিল। একদম চাইনি। সৃজিতদাকে বলেছিলাম, আমি এর মধ্যে ঢুকব না। তারপর করে ফেললাম। দেখলাম আমার জন্য একটা ভাল জায়গা খুলে গেল।”

    “ ‘আমার মতো থাকতে দাও’, ‘রাখলে মনে ভালো, কে ফিরে তাকাল’, ‘আমি এত সব বলতে চাই না’, ‘লক্ষ্মীটি একবার ঘাড় নেড়ে সম্মতি দাও আমি যাই ছেড়ে’, এইগুলো সব তোমারই গানের কথা। তোমার মধ্যে কি একটা তোয়াক্কা না করার ভাব আছে? কিংবা তুমি কি খুব একা?”

    “যখন গান লিখি তখন সত্যিই কাউকে তোয়াক্কা করি না। এটা তো আমার তৈরি করা পৃথিবী। সেইখানে আমি আমার মতোই। আর একা থাকা? আমি এমনিতে কিন্তু খুব সামাজিক। প্রচুর বন্ধুবান্ধব আমার। আড্ডা দিতে ভালোবাসি। আবার প্রতিদিন তিন-চার ঘন্টা আমার নিজের জন্য দরকার। একদম একা। সেটা না পেলেও আমার সমস্যা হয়।”

    “‘ডিমের সাদা’, ‘নতুন আলুর খোসা’ এইরকম সব শব্দচয়ন…”

    প্রশ্নটা শেষ হয় না। কথা শুরু করেন অনুপম নিজেই, “অনেকে বলেন উপমা নাকি আজকাল আর চলে না। উপমা মৃত। উপমার বদলে মেটাফরই নাকি আধুনিক সাহিত্য। এটা আমি মানতে চাইনি। আমার বক্তব্য হল উপমার মধ্যেও অনেক নতুন কিছু করার জায়গা আছে। আমি একটা গান লিখেছি ‘আমার দুঃখগুলো কাছিমের মতো।’ আমি আসলে বলতে চেয়েছি একটা স্লো মুভিং দুঃখ। যেতেই চাইছে না জীবন থেকে। যা খুশি দুঃখই লিখতে পারতাম। আমি ওটা লিখেছি। এইধরণের কল্পনাগুলো মাঝে মাঝেই আমার মধ্যে আসে। আমার গান আমি কীভাবে লিখব সেটাতো একান্তই আমার ব্যাপার। আমার স্টাইল।”

    “তুমি তো গল্প উপন্যাসও লিখেছ।”

    “আমার গদ্য লিখতে খুব ভালো লাগে। অবশ্য আমার গদ্য কমল চক্রবর্তীর ঘরাণার। অন্যরকম। ধরা যাক ক্রিয়াপদটাকে বিশেষ্যর মতো করে ব্যবহার করা। তবে আমি নিশ্চিত নই, যে আমি গল্পটা বানাতে পারি কিনা। হয়ত আমাকে আরো খাটতে হবে।”

    “অন্যধারার গল্প উপন্যাসের তো পাঠক সীমিত।”

    “হ্যাঁ এটা খুব ফ্রাস্ট্রেটিং। মাঝে মাঝে মনে হয় ধুর কী হবে লিখে। পড়বে তো পাঁচজন। গান বানালে তো তবু অনেক লোক শুনবে। কিন্তু দেখ, আমাকে যদি কেউ তিন বছরের মতো টাকা দেয়, তাহলে কিন্তু আমি সব ছেড়ে সেই উপন্যাসই লিখব।”

    তুমি গ্রাফিক নভেলও লিখেছ।

    “ছোটবেলায় কার্টুন আঁকতাম। স্টেটসম্যানের ছোটদের পাতায় ছাপা হত। কিন্তু ওই বয়সে তো যা খুশি করে ফেলা যায়। সবাই বলত এখন পারে না বড় হয়ে নিজেকে ডেভেলপ করবে। দেখলাম না সেটা হল না। কিন্তু আমার গ্রাফিক নভেল পড়তে খুব ভালো লাগে। বাংলা সাহিত্যে এইদিকটা খুব উন্নত নয়। আমার মনে হয়েছিল একজন আটপৌরে বাঙালি ছেলেকে কেন্দ্র করে এমন কিছু করা যায় কিনা। সেইভাবেই গ্রাফিক নভেল। আমার অ্যান্টনি চরিত্রটার সৃষ্টি।”

    “স্টিভেন হকিং পড়ছ। হঠাৎ?”

    “আমি তো চিরকাল সাহিত্যই পড়েছি। একসময় কেউ শুধু সায়েন্সের বইপত্র পড়লে বলতাম, এসব পড়ে কী হবে? সাহিত্য পড়।” অনুপম হাসলেন আবার। ঘর লাগোয়া বারান্দার দিকে তাকালেন একটু, আবার শুরু করলেন।  “তারপর হঠাৎ একদিন এইসব নিজের মাথাতেই ঘুরতে লাগল। মহাকাশ কীভাবে সৃষ্টি হল? আমরা কোথা থেকে এলাম? নিজেরই মনে হল আমি পিছিয়ে পড়ছি। এইসব ভাবতে ভাবতেই হঠাৎ একদিন খবর পেলাম হকিং সাহেব মারা গিয়েছেন। খুব অনুশোচনা হল। তড়িঘড়ি বই কিনে পড়তে শুরু করলাম।”

    “তাহলে কী অনুপম রায়ের গানে কী এবার বিজ্ঞানও পাওয়া যাবে?”

    “অঙ্ক নিয়ে গান লিখেছি কিন্তু। অঙ্কের খাতা। অঙ্ক ভয় পেয়ে নয়। অঙ্ককে ভালোবেসে। সত্যি কথা বলেই ফেলি। বিজ্ঞান নিয়ে একটা গান লিখতে শুরু করেছি। বিজ্ঞানের ভাবনা কী ভাবে আমার চেতনাকে প্রভাবিত করে সেইগুলো নিয়ে। আমার ঈশ্বরকণা নিয়েও একটা গান আছে। গানটা এখনও রিলিজ করিনি। তবে তৈরি করা আছে। সেখানে অবশ্য ফিজিক্স খুব বেশি নেই। আসলে প্রেমকে আমি ঈশ্বরকণার সঙ্গে তুলনা করেছিলাম।”

    “শেষ প্রশ্ন। শর্ট ফিল্ম বানিয়েছ আগে। এরপর কি আমরা পরিচালক অনুপম রায়কেও পাব?”

    “শর্ট ফিল্মগুলো ব্যাঙ্গালোরে। সেই যে বলছিলাম না ডেসপারেট অবস্থা। সেইসময় বানানো। খুব অ্যামেচারিশ। বন্ধুবান্ধবদের সাহায্য নিয়ে, নিজেই ঘাড়ে করে ক্যামেরা নিয়ে করা। তখন কিছুই প্রায় জানতাম না সিনেমার। চেষ্টা করছিলাম শিখতে।

    তবে সিনেমা আমার খুব প্রিয় মিডিয়াম। আমি সত্যিই চাই ওই মিডিয়ামেও কাজ করতে। তেমন গল্প যদি লিখতে পারি। তবে কী জানো, পরিচালকের কাজটা হল ৫০ শতাংশ ক্রিয়েটিভ আর ৫০ শতাংশ ম্যানেজারের। ক্রিয়েটিভ কাজটায় আমার খুব আগ্রহ। কিন্তু ম্যানেজারিয়াল কাজটা আমার করতে খুব খারাপ লাগে। বেশিক্ষণ করলে মনে হয় আমার জীবনের অনেকটা সময় অপচয় হল।”

    আবার সেই অকপট হাসিতেই শেষ হল ইন্টারভিউ।

    ছবি তুলব। পোজ দেওয়ার জন্য কভার থেকে গিটারটা বার করছেন তিনি। বললাম, ‘অনুপম’দা জানি খুব বিরক্ত করছি, একটা ছোট ভিডিও তুলতে দেবে।’ থামলেন অনুপম রায়। ভাবলেন কয়েক মুহূর্ত। হাত দিয়ে আবার খুলতে লাগলেন কভারের জিপ,  ‘বিরক্ত তো করছই। কী আর করা যাবে!’

    গিটার নিয়ে আবার বসে পড়লেন সোফায়। গান ধরলেন। ‘আমি কি তোমায় খুব বিরক্ত করছি?’

    (লেখক সাহিত্য অকাদেমি যুব পুরস্কারপ্রাপ্ত)

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Leave A Reply

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More