বন্ধ হল না মেট্রোর দরজা, পাহারা দিল পুলিশ! সেই অবস্থাতেই ট্রেন ছুটল দমদম থেকে গড়িয়া!

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

    দ্য ওয়াল ব্যুরো: কলকাতা মেট্রো এবং বিভ্রাট যেন সমার্থক হয়ে গিয়েছে ইদানীং। বুধবার সকালের এমনই এক বিভ্রাট তো রীতিমতো আতঙ্কের চেহারা নিল। দরজাই বন্ধ হল না মেট্রোর একটি কামরার। আর সেই অবস্থাতেই দমদম থেকে নিউ গড়িয়া ছুটল মেট্রো৷ দরজা খোলা অবস্থাতেই। পাহারায় রাখা হল আরপিএফ-কে৷

    সূত্রের খবর, বুধবার সকাল ১০টা ৪১ মিনিটে দমদম স্টেশন থেকে ছাড়ে নিউ গড়িয়াগামী মেট্রো। তখনই ঘটে বিপত্তি। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, বারবার চেষ্টা করেও মেট্রোর ওই রেকের দরজাটি বন্ধ করা যায়নি। শেষমেশ দরজা খোলা অবস্থাতেই গোটা রাস্তা ছুটল মেট্রোর রেক।

    যাত্রীদের অভিযোগ, এভাবে দরজা খোলা অবস্থাতেই মেট্রোটি চলতে শুরু করেছে দেখে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন তাঁরা। অথচ এ নিয়ে স্টেশনে কোনও ঘোষণাও করা হয়নি বলে দাবি তাঁদের। এই ঘটনাটিকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়ালেও ব্যাপারটিকে নিছক যান্ত্রিক ত্রুটি বলেছেন মেট্রো রেলের মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক ইন্দ্রাণী বন্দ্যোপাধ্যায়।

    বুধবার সকালে ট্রেনটি কারশেড থেকে দমদম স্টেশনে ঢুকতেই অন্য দিনের মতোই হুড়মুড় করে উঠে পড়েন যাত্রীরা। তার পরে দরজা বন্ধ করা হতেই দেখা যায়, পাঁচ নম্বর রেকের একটি দরজা বন্ধ হচ্ছে না। মেট্রোর কর্মীদের অনেক চেষ্টাতেও সেই ত্রুটি ঠিক করা যায়নি। এর পরে ওই রেকের দরজায় আরপিএফ জওয়ানদের দাঁড় করানো হয়। তাঁদের নিরাপত্তার ভরসায় দরজা খোলা অবস্থাতেই রেকটি ছাড়েন মেট্রো কর্তৃপক্ষ।

    দেখুন ভিডিও।

    মেট্রো-বিভ্রাট

    দরজা রইল খোলা, মেট্রো ছুটল দমদম থেকে গড়িয়া। দেখুন ভিডিও।

    The Wall এতে পোস্ট করেছেন বুধবার, 21 আগস্ট, 2019

    এই নিয়ে তীব্র উত্তেজনা তৈরি হয় যাত্রীদের মধ্যে। রেকের মধ্যেই মেট্রো কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন তাঁরা। কেন রক্ষণাবেক্ষণের এত অভাব, সেই নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। ইন্দ্রাণী বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘‘বাধ্য হয়ে আরপিএফ-দের রেখে ওই ট্রেনটি ছাড়তে হয়। তা না ছাড়লে, তার পিছনে পর পর ট্রেন দাঁড়িয়ে যেত। অফিসটাইমে যাত্রীদের ভিড়ও প্রচুর ছিল। তাই আরপিএফের নিরাপত্তায় ট্রেনটিকে ছাড়া হয়।’’

    বুধবার ভরা অফিস টাইমের এই ঘটনায় মেট্রোর নিরাপত্তা নিয়ে ফের বড় প্রশ্ন উঠে গেল। দিন কয়েক আগেই মেট্রোর দরজার সেনসর কাজ না-করায়, সজল কাঞ্জিলাল নামের এক ব্যক্তির হাত দরজায় আটকে যায় এবং মৃত্যুও হয় তাঁর।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More