বুধবার, নভেম্বর ২০
TheWall
TheWall

অমিত শাহের জন্যই কর্ণাটক সরকারে বিদ্রোহ, ইয়েদুরাপ্পার গোপন ভিডিও ফাঁস

দ্য ওয়াল ব্যুরো : লোকসভা ভোটের আগে কর্ণাটকে শাসক জেডি এস ও কংগ্রেস জোটের ১৭ জন বিধায়ক পদত্যাগ করেন। ফলে সরকারের পতন ঘটে। রাজ্যে বিজেপির সরকার গঠিত হয়। সম্প্রতি একটি ভিডিও-য় দেখা গিয়েছে, কর্ণাটকে বিজেপির মুখ্যমন্ত্রী বি এস ইয়েদুরাপ্পা বলছেন, তাঁদের দলের সভাপতি অমিত শাহের জন্যই ওই বিদ্রোহ হয়েছিল। ক্ষমতায় আসার পর সদ্য ১০০ দিন পার করেছে ইয়েদুরাপ্পা সরকার। এর মধ্যে এমন ভিডিও প্রকাশ্যে আসায় অস্বস্তিতে পড়েছে বিজেপি।

ইয়েদুরাপ্পাকে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি একবারও বলেননি যে, ওই ভিডিও জাল। বরং বলেছেন, দলের স্বার্থে তিনি বিজেপি কর্মীদের সঙ্গে কথা বলছিলেন। ভিডিওতে ইয়েদুরাপ্পাকে বলতে শোনা গিয়েছে, কংগ্রেস ও জেডি এসের যে ১৭ বিধায়ক পদত্যাগ করে সরকারের পতন ঘটিয়েছিলেন, বিজেপি কর্মীরা যেন তাঁদের সঙ্গে ভালো ব্যবহার করেন।

সোশ্যাল মিডিয়ায় অনেকে ওই ভিডিও শেয়ার করেছেন। তাতে কর্ণাটকের মুখ্যমন্ত্রীকে বলতে শোনা গিয়েছে, বিজেপির সভাপতি তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অমিত শাহ জানতেন, বিদ্রোহী এমএলএ-রা কী করতে যাচ্ছেন। তাঁরা মুম্বইয়ের এক পাঁচতারা হোটেলে আশ্রয় নিয়েছিলেন। দলের হুইপ সত্ত্বেও বিধানসভায় শক্তিপরীক্ষার সময় হাজির হননি।

তাঁর কথায়, “আপনারা নিশ্চয় জানেন, ইয়েদুরাপ্পার জন্য বিধায়করা বিদ্রোহ করেননি। আমাদের জাতীয় সভাপতি সব জানতেন। তিনি গোটা ব্যাপারটা তদারক করেছিলেন। সব ব্যবস্থাও করেছিলেন।”

বিজেপি কর্মীদের ইয়েদুরাপ্পা প্রশ্ন করেন, “আপনারা কি জানেন, ১৭ জন বিধায়ককে মুম্বইয়ে দুই-তিন মাস রেখে দেওয়া হয়েছিল? তাঁদের নিজেদের বিধানসভা কেন্দ্রে যেতে দেওয়া হয়নি। এমনকি পরিবারের সঙ্গেও দেখা করতে দেওয়া হয়নি। আপনারা কি একথা জানেন?”

দলত্যাগী বিধায়কদের সম্পর্কে তিনি বলেন, “তাঁরা আমাদের সাহায্য করেছেন। না হলে বিধানসভার চলতি মেয়াদে আমাদের বিরোধী বেঞ্চে বসতে হত। তারা আমাদের শাসক দল হতে সাহায্য করেছে। তাঁরা বিধায়ক পদে ইস্তফা দিয়েছিলেন। সুপ্রিম কোর্টে গিয়েছিলেন। যাই ঘটুক না কেন, আমাদের উচিত তাঁদের পাশে দাঁড়ানো।”

কিছুদিন আগেই রাজ্যের কংগ্রেস নেতা সিদ্দারামাইয়ার একটি ভিডিও ক্লিপ প্রকাশ্যে আসে। সেখানে তাঁকে কংগ্রেস সদস্যদের সঙ্গে জাতপাতের রাজনীতি নিয়ে আলোচনা করতে শোনা যায়। তার পরেই ইয়েদুরাপ্পার ভিডিও ক্লিপ প্রকাশ্যে এল। তিনি বলেন, “আমি হুব্বাল্লি অঞ্চলে দলের কর্মীদের সঙ্গে আলোচনা করছিলেন। নির্দিষ্ট একটি বিধানসভা কেন্দ্র নিয়ে কথা হচ্ছিল। যাঁদের সঙ্গে কথা বলছিলাম, তাঁরা প্রত্যেকে দলের দায়িত্বশীল কর্মী।”

Comments are closed.