সোমবার, সেপ্টেম্বর ১৬

কলকাতায় রণক্ষেত্র টিভিতে দেখে রেগে গেলেন অমিত, বৈঠকের মধ্যেই রিপোর্ট তলব

দ্য ওয়াল ব্যুরো: বিদ্যুতের মাশুল বৃদ্ধির প্রতিবাদে বুধবার সিইএসসি-র সদর দফতর ভিক্টোরিয়া হাউস অভিযানের ডাক দিয়েছিল রাজ্য বিজেপি-র যুব মোর্চা। আর তা ঘিরেই রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় সেন্ট্রাল অ্যাভিনিউ। বিজেপি-পুলিশ সংঘর্ষে আহত বহু বিজেপি কর্মী। জখম হয়েছে পুলিশও। চলে জল কামান, কাঁদানে গ্যাস এবং লাঠি। টিভিতে এই ছবি দেখে রীতিমতো রেগে গেলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। এ নিয়ে মন্ত্রককে রিপোর্ট বানাতে নির্দেশ দেন তিনি।

এদিন দিল্লিতে বিজেপি রাজ্য নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠকে বসেন অমিত শাহ। বিজেপি সভাপতির ওই বৈঠকেই রাজ্যে প্রশাসনিক অত্যাচারের অভিযোগ তোলেন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। এদিনের আন্দোলন প্রতিহত করতে পুলিশের ভূমিকার কথাও বলেন দিলীপ। বিজেপি সূত্রে খবর, একথা শোনার সঙ্গে সঙ্গেই বৈঠকের মধ্যে টিভি চালাতে বলেন অমিত শাহ। তিনি টিভিতে জলকামান, পুলিশের লাঠি, বিজেপি কর্মীদের আহত হওয়ার ঘটনা দেখে রীতিমতো ক্ষোভ প্রকাশ করেন। সঙ্গে সঙ্গেই নিজের মন্ত্রকের অফিসারদের সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। এনিয়ে পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট চান তিনি।

বিজেপি-র অভিযোগ, এদিন তাদের শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভে হামলা চালিয়েছে পুলিশ। বুধবার বিজেপি রাজ্য দফতরে জমায়েত ডেকেছিল যুব মোর্চা। পরিকল্পনা ছিল সেখান থেকে মিছিল করে ভিক্টোরিয়া হাউসের দিকে যাবে। প্রস্তুত ছিল পুলিশও। তিনটি ব্যারিকেড করে আটকানোর চেষ্টা হয় মিছিল। দুটি ব্যারিকেড ভেঙেও দেন বিজেপি কর্মীরা। কিন্তু ই-মলের সামনে তৃতীয় ব্যারিকেড ভাঙতেই শুরু হয় খণ্ডযুদ্ধ।

রাজু বন্দ্যোপাধ্যায়, সায়ন্তন বসুর মতো রাজ্য বিজেপির সামনের সারির নেতাদের আটক করে পুলিশ। রাজু বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পার্টি চালাচ্ছে সঞ্জীব গোয়েঙ্কা। তাই তাকে বাঁচাতে দিদিমণি পুলিশ লেলিয়ে দিয়েছে। আমরাও শেষ দেখে ছাড়ব।”

বিজেপি সূত্রের দাবি, ইতিমধ্যেই রাজ্যের স্বরাষ্ট্র দফতরের কাছে রিপোর্ট তলব করেছে কেন্দ্র।

Comments are closed.