ছাত্র আন্দোলনে বন্ধ বাংলাদেশের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, দাবি ন্যায্য, বলছে সরকারও

0

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

    দ্য ওয়াল ব্যুরো : বুধবার  বাংলাদেশের তিন মন্ত্রী আলাদা সাংবাদিক বৈঠক করে ছাত্রদের কাছে আবেদন জানিয়েছিলেন, তোমরা ক্লাসে ফিরে যাও। আমরা তোমাদের দাবি মেনে নিচ্ছি।  কিন্তু সেই আবেদনে সাড়া দেওয়ার বদলে আরও জোর আন্দোলন শুরু করেছে ছাত্ররা। আরও অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছেলেমেয়েরা নেমেছে পথে। বেগতিক দেখে বৃহস্পতিবার দেশের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখা হয়েছে।

    গত রবিবার, ঢাকার বিমানবন্দর সড়কে বাসের চাপায় শহিদ রমিজউদ্দিন ক্যান্টনমেন্ট কলেজের দুই পড়ুয়া আব্দুল করিম রাজীব ও দিয়া খানম মারা যায়। বেপরোয়া বাস চালকদের শাস্তি ও আরও কয়েকটি দাবিতে পথে নামে ছাত্ররা। সেই আন্দোলন এখনও চলছে। সাধারণ পথচারীরাও ছাত্রদের প্রতি নৈতিক সমর্থন জানাচ্ছেন। অন্যদিকে ধর্মঘটের প্রস্তুতি নিচ্ছে পরিবহণ শ্রমিকরা। সরকারের আশঙ্কা, শ্রমিকরা যদি রাস্তায় নেমে ছাত্রদের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে, তাহলে অবস্থা খারাপ হবে।

    পরিস্থিতি শান্ত করার জন্য প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় নির্দেশ দিয়েছে, অবিলম্বে সব অপ্রাপ্তবয়স্ক ও লাইসেন্স বিহীন ড্রাইভারদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে। কিন্তু পর্যবেক্ষকরা বলছেন, গণ পরিবহণে নানা অনিয়মের বিরুদ্ধে আইন আগে থেকেই ছিল। এখন আন্দোলনের গুঁতোয় সরকার আইনগুলি কিছুদিন কার্যকর করবে। আন্দোলন থেমে যাওয়ার কিছুদিনের মধ্যেই আগের অবস্থায় ফিরে যাবে সব।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Leave A Reply

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More