অজিত যোগী প্রয়াত, ছত্তীসগড়ের প্রথম মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন তিনি

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

    দ্য ওয়াল ব্যুরো: কিছু দিন আগে পর পর দু’বার তাঁর হার্ট অ্যাটাক হয়েছিল। গত প্রায় তিন সপ্তাহ ধরে হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন তিনি। কিন্তু শেষ রক্ষা করা গেল না। বৃহস্পতিবার দুপুরে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করলেন ছত্তীসগড়ের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা আদিবাসী নেতা অজিত যোগী।

    ছত্তীসগড় রাজ্য যখন তৈরি হয়, তখন ২০০০ সালে সেই নতুন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হয়েছিলেন যোগী। বরাবরই নেহরু-গান্ধী পরিবারের আস্থাভাজন ছিলেন তিনি। পরে ২০০৩ সালে ছত্তীসগড়ে বিধানসভা ভোটের ঠিক আগে ভয়াবহ পথ দুর্ঘটনায় আহত হন যোগী। সেই থেকেই চলার ক্ষমতা হারিয়ে ফেলেছিলেন তিনি। পায়ে বল ছিল না ঠিকই। কিন্তু অদম্য ইচ্ছাশক্তির কারণে সেই দুর্ঘটনাও একেবারে তাঁকে থামিয়ে দিতে পারেনি। ব্যাটারি চালিত হুইল চেয়ারে বসে সংসদের অলিন্দ থেকে শুরু করে রাজনৈতিক বৃত্তে ঘুরে বেড়াতেন যোগী।

    সেই অবস্থাতেই সর্বভারতীয় কংগ্রেসের আদিবাসী সংগঠনের নেতাও ছিলেন তিনি। সর্বভারতীয় কংগ্রেসের মুখপাত্রের পদও সামলেছেন এই দুঁদে নেতা। কিন্তু তাঁর উত্থানের পথে বারবার বাধা হয়ে দাঁড়ায় তাঁর ছেলে অমিত যোগীর বিরুদ্ধে উপর্যুপরি দুর্নীতির অভিযোগ। ২০১৩ সালে সেই কারণেই কংগ্রেস তাঁকে মুখ্যমন্ত্রী প্রার্থী হিসাবে তুলে ধরতে চায়নি। বরং রাহুল গান্ধী তাঁকে রাজ্য সংগঠনে কিছুটা কোণঠাসা করে দিয়েছিলেন। সেই পরিস্থিতিতে একবার তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দেওয়ার কথাও ভেবেছিলেন তিনি। কিন্তু শেষমেশ ২০১৬ কংগ্রেস ছেড়ে তিনি ছত্তীসগড়ে জনতা কংগ্রেস গঠন করেন। তবে তাতে বিশেষ সুবিধা হয়নি। ২০১৮ সালের ভোটে কংগ্রেস বিপুল ব্যবধানে জিতে যায় ছত্তীসগড়ে। তাতে আরও অপ্রাসঙ্গিক হয়ে পড়েছিলেন অজিত যোগী।

    তবে তাঁর মৃত্যুতে কংগ্রেসের বহু নেতা এ দিন শোক প্রকাশ করেন। ঘরোয়া আলোচনায় শ্রদ্ধা জানান, আফসোসও করেন। কারণ, সর্বভারতীয় কংগ্রেসের গত তিন দশকের মধ্যে যোগীর মতো সদা হাস্যমুখ নেতা খুব কমই দেখেছে ২৪ আকবর রোড।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More