বিজেপি-আরএসএসের চোখে চোখ রেখে লড়তে হবে! যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে আক্রমণাত্মক ঐশী

সংক্ষিপ্ত বক্তৃতার পুরোটাই তিনি ছিলেন আক্রমণাত্মক।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

দ্য ওয়াল ব্যুরো: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে ঢুকতে পারেননি তিনি। বাইরে দাঁড়িয়েই বক্তৃতা করেছেন। নাগরিকত্ব আইনের বিরুদ্ধে আক্রমণ করেছেন সরকারকে। আজ, শুক্রবার যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে আসার কথা ছিল জেএনইউ-এর বামনেত্রী ঐশী ঘোষের। সেখানেও তৈরি হয়েছিল অনিশ্চয়তা। বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়াদের একাংশের তরফে দাবি করা হয়েছিল, ঐশী বহিরাগত। আপত্তিকারীরা এবিভিপির সদস্য বলে জানা গেছে।

তবে শেষমেশ ক্যাম্পাসে ঢোকা হয়নি ঐশীর। ঝামেলার আশঙ্কায় অনুমতি দেননি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। তাই ক্যাম্পাসের বাইরেই সভা করলেন তিনি।

শুক্রবার দুপুর ২টো নাগাদ ক্যাম্পাসে একটি মিছিল করে এসএফআই। গোটা ক্যাম্পাস ঘুরে রাস্তায় বের হয় মিছিলটি। এগোতে থাকে এইটবি-র দিকে। সেখানেই ঐশী এসে স্লোগান দিতে দিতে মিছিলে যোগ দেন। মিছিল শেষে জমায়েত হয় চার নম্বর গেটের উল্টোদিকে। সেখানেই বক্তব্য রাখেন ঐশী ঘোষ।

ঐশী বলেন, জেএনইউ-এর ছাত্রছাত্রী, প্রফেসরদের উপরে কীভাবে হামলা চালায় এবিভিপি। তাই তিনি ডাক দেন, যাদবপুরে সংস্কৃতি, ঐক্য বজায় রাখতে। সামনেই ১৯ তারিখে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্বাচন। সেখানে বিজেপি আরএসএস-কে প্রতিরোধ করতে হবে। ছাত্রছাত্রীর ভিড় ভেঙে পড়ে ঐশীর সভা-মিছিলে।

ঐশী এদিন মোদী সরকারকে আক্রমণ করে বলেন, দেশজুড়ে বিভাজনের রাজনীতি করছে বিজেপি। এই বিভাজন প্রতিরোধ করে প্রতিটি মানুষের নাগরিকত্বের পক্ষে সওয়াল করেন তিনি। সংক্ষিপ্ত বক্তৃতার পুরোটাই তিনি ছিলেন আক্রমণাত্মক।

ঐশী বলেন, “দেশে বিভাজনের রাজনীতি চলছে। ধর্মের নামে বিভাজনের রাজনীতি বরদাস্ত করব না আমরা। এসফআইকে ভয় পাচ্ছে বিজেপি ও আরএসএস। ওদের চোখে চোখ রেখে লড়তে হবে। সিএএ-র বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনে নামতে হবে আমাদের।” পড়ুয়াদের মিছিলে হাঁটতে-হাঁটতে বিখ্যাত হয়ে যাওয়া ‘আজাদি’ স্লোগানও দেন তিনি।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More