সুশান্তের গলায় ফাঁস দিয়ে খুন করা হয়েছে বলে জানান এইমসের চিকিৎসক, দাবি পরিবারের আইনজীবীর

১১

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

দ্য ওয়াল ব্যুরো: আত্মঘাতী হননি সুশান্ত সিং রাজপুর, তাঁকে শ্বাসরোধ করে খুন করা হয়েছে।– এমনটাই দাবি করেছেন সুশান্তের পরিবারের আইনজীবী বিকাশ সিং। তাঁর দাবি, এইমস হাসপাতালের যে চিকিৎসক দল সুশান্তের মৃতদেহের ফরেন্সিক টেস্ট করছে, সেই দলেরই সদস্য ওই চিকিৎসক জানিয়েছেন, আত্মহত্যা নয়, শ্বাসরোধ করে খুন করা হয়েছে সুশান্তকে।

শুধু তাই নয়, এদিন টুইট করে এ কথা জানিয়ে বিকাশ সিং অভিযোগ করেছেন, ”এর আগে আমি যে চিকিৎসককে সুশান্তের ছবি দেখিয়েছিলাম, তিনি বলেছিলেন ‘২০০ শতাংশ নিশ্চিত’ সুশান্তকে শ্বাসরোধ করে খুন করা হয়েছে, এটা আত্মহত্য়া নয়। সিবিআইয়ের উপর আমি হতাশ। সুশান্তের আত্মহত্য়ার বদলে খুনের মামলা রুজু করার সিদ্ধান্ত নিতে এত গড়িমসি দুঃখজনক।”

গত ১৪ জুন বান্দ্রার ফ্ল্য়াটে ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয় বলিউডের তরুণ অভিনেতা সুশান্ত সিং রাজপুতের দেহ। চার মাস পেরিয়ে গেছে সুশান্ত সিং রাজপুতের সেই অস্বাভাবিক মৃত্যুর। সে মৃত্যুরহস্যের তদন্তে নেমে উঠে এসেছে অবসাদ, নেপোটিজ়ম, মাদকদ্রব্য নিয়ে নানা রকম সূত্র ও তত্ত্ব। সোশ্যাল মিডিয়ায় ঝড় বয়ে গেছে অভিযোগ-প্রতি অভিযোগের। সুশান্তের বান্ধবী রিয়া চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে উঠেছে একাধিক অভিযোগ। কিন্তু এ সব কিছুর মধ্যেই অধরা থেকে গেছে সুশান্তের মৃত্যুর কারণ।

এবার বিস্ফোরক অভিযোগ আনলেন আইনজীবী বিকাশ সিং। ৩৪ বছরের অভিনেতার মৃত্যুর কারণ খুন বলেই দাবি করলেন তিনি।

সুশান্তর মৃত্য়ুর পরে অবশ্য এ দাবি প্রথম থেকেই করে আসছে তাঁর পরিবার। রিয়ার বিরুদ্ধে পাটনার রাজেন্দ্র নগর থানায় এফআইআর দায়ের করেছিলেন সুশান্তের বাবা কেকে সিং। নিজের এফআইআরে তিনি আর্থিক প্রতারণা, আত্মহত্যায় প্ররোচনা-সহ একাধিক অভিযোগ এনেছিলেন রিয়ার বিরুদ্ধে। রিয়া ছাড়াও তাঁর বাবা, মা, ভাই-সহ মোট ৬ জনের নাম ছিল ওই এফআইআরে। সুশান্তের বাবার এফআইআর-এর পর মুম্বই পুলিশের পাশাপাশি তদন্তে নামে বিহার পুলিশ। সে নিয়ে প্রচুর জলঘোলাও হয়েছে। অবশেষে বহু কাঠখড় পোড়ানোর পর সুশান্তের মৃত্যুর তদন্তভার যায় সিবিআইয়ের হাতে।

অন্যদিকে সুশান্তের মৃত্যুর ঘটনায় কোনও আর্থিক কেলেঙ্কারি জড়িয়ে আছে কিনা তা জানতে তদন্তে নেমেছিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টর তথা ইডি। সেই তদন্তের সময়েই তদন্তকারী আধিকারিকদের হাতে আসে বেশ কিছু ফোন-চ্যাটের নথি। যেখানে দেখা যায় নিয়মিত নানা ধরনের নিষিদ্ধ ড্রাগ বা মাদক নিয়ে আলোচনা করেছেন রিয়া। ড্রাগের ধরন, ডোজ, প্রভাব সব নিয়েই হয়েছিল কথাবার্তা।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More