গুটি গুটি পায়ে বিজেপি-র দিকে এগোচ্ছেন অধীর: শুভেন্দু

0

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

    দ্য ওয়াল ব্যুরোমুর্শিদাবাদে কংগ্রেসের গড়ে এর মধ্যেই ধস নামিয়ে দিয়েছেন তিনি। জেলায় কংগ্রেসের জনভিত্তি আরও ছারখার করে দিতে সোমবার বহরমপুরের সাংসদ তথা প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরীর উদ্দেশে নাম না করে তীব্র খোঁচা দিলেন পরিবহণ ও পরিবেশ মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।

    সম্প্রতি অধীর চৌধুরীর একদা আস্থাভাজন নেতা তথা রেজিগনরের প্রাক্তন বিধায়ক হুমায়ুন কবীর বিজেপি-তে যোগ দিয়েছেন। সে প্রসঙ্গ টেনে এনে এ দিন অধীরবাবুর খাস তালুক বহরমপুরে দাঁড়িয়ে শুভেন্দু বলেন, “রেজিনগরের পাগলটাকে বিজেপি-তে পাঠিয়েছেন। এ বার উনি গুটি গুটি পায়ে গিয়ে বিজেপি-তে নাম লেখাবেন।” এখানেই থামেননি তৃণমূলের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের তরফে মুর্শিদাবাদের পর্যবেক্ষক। তিনি বলেন, “এখানকার কংগ্রেস কারা করতেন? এখানকার কংগ্রেস করতে নুরুল ইসলাম চৌধুরীরা, আবদুস সাত্তার, হাবিবুর রহমান, শঙ্করদাস পাল, অতীশ সিংহরা। সেই কংগ্রেস তো আর নেই। হাইজ্যাক করে নিয়ে মার্কসবাদী কংগ্রেস করে দিলেন উনি। এখন গেরুয়া কংগ্রেস করতে চাইছে। ফলে এখন পুরনো কংগ্রেস কর্মীরা কেন দল করতে চাইবেন? কেন?”

    ২১ জুলাই তৃণমূলের শহিদ সমাবেশ হবে ধর্মতলায়। তার প্রস্তুতি বৈঠকের জন্যই এ দিন বহরমপুরে এসেছিলেন শুভেন্দু। বহরমপুরের রবীন্দ্র সদনে অনুষ্ঠিত ওই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন জেলা সভাপতি সুব্রত সাহা, সহ সভাপতি অশোক দাস, জেলা তৃণমূলের চেয়ারম্যান মহম্মদ শোহরাব সহ সব স্তরের নেতারা।

    ওই বৈঠক সেরে বেরনোর সময় মুর্শিদাবাদে দলবদল নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবও দেন শুভেন্দু। তাঁকে প্রশ্ন করা হয়, তিনি কি জেলাকে বিরোধীশূণ্য করে দিতে চাইছেন? জবাবে শুভেন্দু বলেন, “এটা আপনারা ভুল ব্যাখ্যা করেন। রাজনৈতিক দল তো প্রার্থী দেয় জেতার জন্য। ৭০ টি আসনের মধ্যে ৬৯টা আসনে জিতেছি। একটায় আটশ ভোটে হেরেছি। গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় তা মেনে নিতে হবে।”

    পাশাপাশি কংগ্রেসের বিধায়ক ভাঙানোর ব্যাপারে প্রশ্নের জবাবে তাঁর বক্তব্য, যে ভাবে কংগ্রেসকে গেরুয়া কংগ্রেসে পরিণত করার চেষ্টা চলছে তার জেরেই এই পরিস্থিতি হচ্ছে। একুশে জুলাইয়ের মঞ্চে তিন বিধায়ক তৃণমূলে সামিল হওয়ার কথা। আরও কয়েক জন তাঁর সঙ্গে যোগাযোগে রয়েছেন। তাঁর কথায়, “ওঁরা ঠিক জায়গাই বেছে নিয়েছেন। এখানে মঞ্চ হচ্ছে তৃণমূল। নেতা হলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। স্লোগান হল উন্নয়ন। স্লোগান হচ্ছে সম্প্রীতি। ব্যাস আর কিছু নয়।

    প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী অবশ্য বলছেন জোট হলে হবে বামেদের সঙ্গেই। শুভেন্দুর বক্তব্য নিয়ে  তাঁর মন্তব্য, তৃণমূলের অনেক নেতা আমাকে বিজেপি-তে সামিল করানোর দায়িত্ব রেখেছেন। ওরাই এটা নিয়ে ভাল বলতে পারবেন।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Leave A Reply

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More