হিন্দুত্বের দুর্গেই পরাজয়, গুজরাত সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটিতে বামেদের কাছে হার এবিভিপি-র

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

দ্য ওয়াল ব্যুরো : জেএনইউয়ের পথেই হাঁটল হিন্দুত্বের পরীক্ষাগার বলে পরিচিত গুজরাতের কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়। ছাত্র সংসদ নির্বাচনে এসএফআই, বাপসা ও এলডিএসএফ জোটের কাছে পরাজিত হল এবিভিপি। দেশ জুড়ে নাগরিকত্ব আইন বিরোধী আন্দোলনের প্রেক্ষিতে এই জয় বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ বলে পর্যবেক্ষকদের ধারণা।

এসএফআইয়ের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, গেরুয়া ব্রিগেডকে তার দুর্গেই থাপ্পড় কষানো গিয়েছে। এদেশের শিক্ষায়তনগুলিতে আগেও ফ্যাসিস্টদের সঙ্গে জোরদার লড়াই হয়েছে। গুজরাত সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি ঘৃণা ও ধর্মান্ধতার রাজনীতিকে প্রত্যাখ্যান করেছে। গণতন্ত্রের জন্য লড়াই চলবে।

শুক্রবারই আদালতে বড় জয় পেইয়েছে জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদ। ছাত্র ইউনিয়নের পদাধিকারীদের দায়ের করা মামলার শুনানি শেষে শুক্রবার জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে দিল্লি হাইকোর্টের নির্দেশ—পুরনো হারে ফি নিয়ে সেমিস্টারের রেজিস্ট্রেশন করতে দিতে হবে ছাত্রছাত্রীদের। এই প্রক্রিয়া শেষ করতে হবে আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে।

সরকারের তরফে অতিরিক্ত সলিসিটর জেনারেল পিঙ্কি আনন্দ আদালতে আবেদন জানিয়েছিলেন, এই আবেদন বাতিল করে দেওয়ার জন্য। তাঁর যুক্তি ছিল, ৯০ শতাংশ ছাত্রছাত্রী নতুন হারের ফি দিয়ে রেজিস্ট্রেশন করেছেন। তাই এই আবেদনের কোনও যৌক্তিকতাই নেই। সলিসিটরের জেনারেলকে বিচারপতি রাজীব সাকধের তখন বলেন, “ছাত্রছাত্রীদের সামনে উপায় না থাকলে তাঁরা আর কীই বা করবেন !”

এদিনের শুনানি কেন্দ্রের উদ্দেশে বার্তা দিয়ে বিচারপতি স্পষ্ট করে বলেন, “সরকার কখনও শিক্ষাক্ষেত্র থেকে বেরিয়ে আসতে পারে না। জনশিক্ষায় সরকারকে টাকা ঢালতেই হবে। ঠিকা শ্রমিকদের মজুরি দেওয়ার ক্ষেত্রে সরকারের অনেক বাধা থাকতে পারে। তাই বলে তা ছাত্রদের সঙ্গেও করা যায় না। কী ভাবে এই অনুদান দেওয়া যায় তা সরকারকেই ঠিক করতে হবে।”

সেইসঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের উদ্দেশে আদালতের নির্দেশ, ছাত্রদের সঙ্গে কথাবার্তা বলেই এই সমস্যার সমাধান করতে হবে।

হোস্টেল ফি বৃদ্ধির প্রতিবাদে গত তিনমাস ধরে আন্দোলন চলছে জেএনইউয়ে। এই সময়ে একাধিকবার ছাত্র-বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের সংঘাত সামনে এসেছে। এমনকি সমাবর্তন অনুষ্ঠানও শান্তিতে হয়নি। ছাত্র বিক্ষোভে প্রায় ছ’ঘণ্টা ক্যাম্পাসে আটকে থাকতে হয় কেন্দ্রীয় মানবসম্পদ উন্নয়নমন্ত্রী রমেশ পোখরিয়ালকে। তারপর কমিটি গড়ে সমস্যার সমাধান খোঁজার চেষ্টা হলেও তা ফলপ্রসু হয়নি।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More