করোনা উপসর্গ নিয়ে মৃত বৃদ্ধ, দেহ পড়ে রইল ১৭ ঘণ্টা! আতঙ্ক চাকদহের রেলকলোনিতে

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

দ্য ওয়াল ব্যুরো: করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত সন্দেহে প্রায় ১৭ ঘণ্টা বাড়ির বারান্দায় পড়ে রইল মৃতদেহ! নদীয়ার চাকদহ থানার মদনপুর পশ্চিমপাড়া রেল কোয়ার্টারের এই ঘটনায় মৃত ব্যক্তির নাম সুরেশ মাহাতো।

জানা গেছে, ৬০ বছরের সুরেশ মাহাতো মদনপুর রেলস্টেশন সংলগ্ন ওই কোয়ার্টারই থাকতেন বহু বছর ধরে। তিনি আদতে বিহারের মানুষ। মদনপুর স্টেশন-সংলগ্ন এলাকায় যে সবজির হাট বসত, তার মালপত্র ট্রেনে ওঠানো-নামানোর কাজ করতেন তিনি। তবে কোয়ার্টারের একটি ঘরে তিনি একাই থাকতেন। তাঁর ছেলে মদনপুর এলাকাতেই বাড়ি ভাড়া নিয়ে থাকেন।

স্থানীয় প্রতিবেশীরা জানিয়েছেন, সুরেশ মাহাতো গত কয়েক দিন ধরেই জ্বর-সর্দি-কাশির সমস্যায় ভুগছিলেন। পরিবারের তরফ থেকে অসুস্থতার খবর পেয়ে কল্যাণী জহরলাল নেহেরু মেমোরিয়াল হাসপাতালে নিয়েও যাওয়া। তবে অভিযোগ, সেখানে চিকিৎসকরা ভাল করে পরীক্ষা না করেই কিছু ওষুধ লিখে দেন। এর পরে বাড়ি ফিরে এলে আবার অসুস্থ হয়ে পড়েন ওই ব্যক্তি।

শেষমেশ গতকাল রাত ন’টা নাগাদ শ্বাসকষ্ট ও জ্বর নিয়ে তিনি মারা যান। এর পর থেকেই গোটা এলাকায় করোনা আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। শুধু তাই নয়। সুরেশের পরিবারের তরফ থেকে চাকদহ থানা মদনপুর এক নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান, কল্যাণী ব্লক বিডিও, অফিস-সহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে জানানো হলেও কেউ কোনও কর্ণপাত করেনি। সারারাত, সারাদিন ওভাবেই দেহটি পড়ে ছিল বলে জানা যায়।

এর পরে আজ, বিকেল পাঁচটা নাগাদ মৃতদেহ সৎকারের কাজে হাত দেয় চাকদাহ থানার পুলিশ। পুলিশের পক্ষ থেকে একটি গাড়িতে করে তাকে চাকদহ শ্মশানের তার জন্য নিয়ে যাওয়া হয়। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, বারবার নানা জায়গায় খবর দিয়েও এতক্ষণ সৎকার হল না। ওঁর উপসর্গ করোনার মতোই ছিল। সেক্ষেত্রে এলাকাবাসীর বিপদও বেড়ে গেল।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More