চালুর আগেই ইচ্ছামতীতে ডুবল ভাসমান রেস্তোরাঁ

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

    দ্য ওয়াল ব্যুরো, উত্তর ২৪ পরগনা: ইছামতীর শোভা দেখতে বছরভর এখন বহু মানুষ আসেন টাকিতে। আরও বেশি পর্যটক আকর্ষণের জন্য ইছামতীর বুকে ভাসমান রেস্তোরাঁ তৈরির পরিকল্পনা নিয়েছিল রাজ্য সরকার। প্রাথমিক উৎসাহে হয়ে গিয়েছিল সিংহভাগ কাজ। তারপরেই আর টাকা মেলেনি বলে অভিযোগ। ফলে কাজও বন্ধ হয়ে যায়। যে কাজ এগিয়েছিল, তার রক্ষণাবেক্ষণও হয়নি। নানা প্রাকৃতিক দুর্যোগে ডুবতে বসেছিল আগেই। এ বার বুলবুলের ধাক্কায় ইছামতীর গর্ভে সেই ভাসমান রেস্তোরাঁ।

    ইছামতী নদীর উপর এই ভাসমান রেস্তোরাঁ তৈরির কাজ শুরু হয়েছিল ২০১৬ সালে। বরাদ্দ হয়েছিল ৬০ লক্ষ টাকা। জেলা পরিষদের কাছ থেকে ৩৬ লক্ষ টাকা বরাদ্দ পেয়ে কাজ শুরু করে টাকি পুরসভা। পুরসভার এক আধিকারিক জানান, প্রথম কিস্তির এই টাকাতেই কাজ এগিয়ে গিয়েছিল অনেকটা। কিন্তু তারপর আর টাকা মেলেনি। তাই কাজ বন্ধ হয়ে যায়। ভাসমান রেস্তোরাঁটির যে কাঠামো তৈরি হয়েছিল, তাও আস্তে আস্তে নষ্ট হয়ে যায়। গত তিন বছরে একেকটা প্রাকৃতিক দুর্যোগে এই কাঠামোর অনেকটা অংশ ডুবেছে নদীতে। এ বার বুলবুলের ধাক্কায় ইছামতীর গর্ভে গেল ভাসমান রেস্তোরাঁর প্রায় পুরোটাই।

    টাকির ঘোষবাবুর ঘাট থেকে মাত্র দশ হাত দূরে এই ভাসমান রেস্তোরাঁ মোটা কাছি দিয়ে বাঁধা ছিল। এখন জলের উপরে নজরে আসছে অল্প একটু অংশ। ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের দাপটে যা দুর্যোগ শুরু হয়েছে, তাতে এটুকুও থাকবে কি না, তা নিয়ে সংশয়ে এলাকার মানুষ।

    তাঁরা বলছেন, ‘‘শীতকাল এসে গেল প্রায়। এ বার পর্যটকদের ভিড় বাড়বে। এমন একটি রেস্তোরাঁ আরও বেশি করে আকর্ষণ করতে পারতো পর্যটকদের। কিন্ত জলে তলিয়ে গেল এমন সম্ভাবনা।’’

     

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More