প্রতিরক্ষায় অটোমেটিক রুটে প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগের সুযোগ বেড়ে ৪৯ থেকে ৭৪ শতাংশ

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

দ্য ওয়াল ব্যুরো : প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে বিদেশি সংস্থা এখন ১০০ শতাংশ বিনিয়োগ করতে পারে। তার মধ্যে ৪৯ শতাংশ বিনিয়োগ করা যায় অটোমেটিক রুটে। অর্থাৎ ওই পরিমাণ বিনিয়োগ করতে সরকারের অনুমতি লাগে না। তার বেশি পরিমাণ বিনিয়োগ করতে গেলে সরকারের অনুমতি লাগে। এবার কেন্দ্রীয় সরকার প্রতিরক্ষায় অটোমেটিক রুটে বিদেশি বিনিয়োগের সর্বোচ্চ সীমা ৪৯ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে করল ৭৪ শতাংশ। অর্থাৎ ওই পরিমাণ বিনিয়োগ করতে সরকারি অনুমতি লাগবে না।

একইসঙ্গে সরকার জানিয়েছে, প্রতিরক্ষায় বিদেশি বিনিয়োগের ক্ষেত্রে  খতিয়ে দেখা হবে তাতে জাতীয় নিরাপত্তার ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা আছে কিনা। ২০১৮ সালে সরকার প্রতিরক্ষায় বিদেশি বিনিয়োগ সংক্রান্ত নিয়ম-কানুন শিথিল করে। বিদেশি সংস্থাকে প্রতিরক্ষায় অটোমেটিক রুটে ৪৯ শতাংশ পর্যন্ত বিনিয়োগের সুযোগ দেওয়া হয়।

কিছুদিন আগে শোনা যায়, করোনা অতিমহামারীর মধ্যে দক্ষিণ এশিয়া থেকে বিনিয়োগ সরিয়ে নিচ্ছেন শিল্পপতিরা। কেবল ভারত থেকেই সরানো হয়েছে ১৬০০ কোটি ডলার। অর্থাৎ এক লক্ষ কোটি টাকারও বেশি। মার্কিন কংগ্রেসের রিপোর্টে জানা গিয়েছে একথা। রিপোর্টে মন্তব্য করা হয়েছে, এশিয়া থেকে বিপুল পরিমাণে পুঁজি সরে যাওয়ার ফলে মন্দার ছায়া হবে দীর্ঘতর।

এর পরেও রিপোর্টে আশা প্রকাশ করা হয়েছে, তিনটি দেশ আন্তর্জাতিক মন্দা থেকে রক্ষা পেতে পারে। দেশগুলি হল ভারত, চিন ও ইন্দোনেশিয়া। অবশ্য ওই দেশগুলিতেও বিকাশের হার কমবে।

মার্কিন কংগ্রেসের সদস্যরা জানিয়েছেন, ইউরোপের দেশগুলির মধ্যে জার্মানি, ফ্রান্স, ব্রিটেন, স্পেন ও ইতালিতে ৩ কোটি মানুষ সরকারি সাহায্যের জন্য আবেদন করেছেন। ২০২০ সালের প্রথম ত্রৈমাসিকের রিপোর্টে দেখা যাচ্ছে, ইউরোজোনের অর্থনীতির বহর কমেছে ৩.৮ শতাংশ। ১৯৯৫ সালের পর থেকে আর কোনও ত্রৈমাসিকে অর্থনীতির এতদূর সংকোচন হয়নি।

আমেরিকায় ২০২০ সালের প্রথম ত্রৈমাসিকে সেখানকার জিডিপি কমেছে ৪.৮ শতাংশ। ২০০৮ সালে বিশ্ব জোড়া মন্দার পরে সেদেশের অর্থনীতির হাল আর কখনই এত খারাপ হয়নি। মার্কিন কংগ্রেসের রিপোর্টে বলা হয়েছে, অতিমহামারীর ফলে বিভিন্ন দেশের সরকারের পক্ষে আর্থিক নীতি কার্যকর করা হয়ে উঠছে উত্তরোত্তর কঠিন। বিনিয়োগকারীদের ঋণ পেতে সাহায্য করা ও অর্থনৈতিক কার্যকলাপ চালানো হয়ে উঠছে প্রায় অসম্ভব। এর ফলে নানা দেশের মধ্যে সম্পর্ক খারাপ হচ্ছে। অনেক দেশ জোর দিচ্ছে জাতীয়তাবাদের ওপরে। কোনও কোনও দেশ বলছে, আন্তর্জাতিক মহলকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে এই সংকটের মোকাবিলা করতে হবে।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More