ভাল আছেন বুদ্ধবাবু, কথা বললেন চিকিৎসকদের সঙ্গে

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

    দ্য ওয়াল ব্যুরো: আগের থেকে অনেকটা ভাল আছেন রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য। শনিবার সকালে উডল্যান্ডস হাসপাতালের পক্ষ থেকে যে মেডিক্যাল বুলেটিন প্রকাশ করা হয়েছে, তাতে চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, গত ১২ ঘণ্টায় শারীরিক অবস্থার অনেকটা উন্নতি হয়েছে বর্ষীয়ান সিপিএম নেতার।

    শুক্রবার রাত আটটা চল্লিশ নাগাদ হাসপাতালের আইসিইউতে ভর্তি করা হয় প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীকে। সেই সময় তাঁর শরীরে অক্সিজেনের মাত্রা একেবারেই কমে গিয়েছিল। স্বাভাবিক ভাবেই বেড়ে গিয়েছিল কার্বন ডাই অক্সাইডের পরিমাণ। রক্তে হিমোগ্লোবিনের পরিমাণও ছিল অনেকটা কম। রাত থেকে অক্সিজেন দেওয়া হয় বুদ্ধবাবুকে। দেওয়া হয় এক ইউনিট রক্তও। মেডিক্যাল বোর্ড জানাচ্ছে, অক্সিজেন এবং হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ বেড়েছে। রক্তচাপও নিয়ন্ত্রণে। খুলে দেওয়া হয়েছে মুখে লাগানো বাইপ্যাপ মেশিন।

    এ দিন সকালে চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলেছেন সিপিএমের প্রাক্তন পলিটব্যুরোর সদস্য। ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন বাড়ি ফেরার। কিন্তু চিকিৎসকরা তাঁকে জানিয়ে দিয়েছেন, এক্ষুনি বাড়ি ফেরার অনুমতি তাঁরা দিতে পারছেন না। এমনিতে বুদ্ধবাবুর হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার ক্ষেত্রে একটা অরুচি আছেই। কিন্তু সিপিএম নেতারা চাইছেন, একবার যখন তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা গিয়েছে, তখন সমস্ত পরীক্ষা করে তারপরই বাড়ি ফেরানো হোক। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী এ-ও চাইছেন না হাসপাতালের বাইরে গিয়ে কর্মী সমর্থকরা ভিড় করুক।

    ২০০৯ সাল থেকে বুদ্ধবাবুর সিওপিডি-র সমস্যা। যে কারণে তাঁকে প্লেনে চড়তে বারণ করেছিলেন চিকিৎসকরা। ২০১১ সালের পর শ্বাসকষ্ট এমন জায়গায় যায়, যে আলিমুদ্দিন স্ট্রিটের সিঁড়ি দিয়েও উঠতে পারতেন না উনি। ব্যবহার করতে হত লিফট। এমনও দিন গিয়েছে, বুদ্ধবাবুর কনভয় আলিমুদ্দিনে পৌঁছনোর পর দেখা যায় লিফট খারাপ, তখন পাম অ্যাভিনিউয়ের বাড়িতে ফিরে চলে আসতে হয় তাঁকে।

    গত আড়াই বছর ধরে গৃহবন্দি বুদ্ধবাবু। মাঝে শ্বাসকষ্টকে ছাপিয়ে গিয়েছিল চোখের সমস্যা। তখন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ছুটে গিয়েছিলেন বুদ্ধবাবুর বাড়িতে। বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী, প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীকে অনুরোধ করেছিলেন, হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা করাতে। কিন্তু রাজি হননি বুদ্ধবাবু।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More