কাল শুরু অম্বুবাচী, এই সময়ে যে পাঁচটি কাজ করতে নিষেধ করছে সনাতন শাস্ত্র

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

অনির্বাণ

বাঙলায় একটি প্রবাদে রয়েছে– ‘কিসের বার কিসের তিথি, আষাঢ়ের সাত অম্বুবাচী।’ এদিন থেকেই শুরু হয় অম্বুবাচী। জ্যোতিষ শাস্ত্রে বলা হয়েছে, সূর্য যে বারের যে সময়ে মিথুন রাশিতে গমন করেন, তার পরবর্তী সেই বারের সেই কালে পালিত হয় অম্বুবাচী। অর্থাৎ, পৃথিবী এই সময়ে ঋতুমতী হন।

আসলে নতুন বর্ষার শুরুতে পৃথিবী যখন প্রথম জলসিক্ত হয়ে ওঠে, তখন তাকে ঋতুমতী নারীরূপে গণ্য করার সংস্কারই অম্বুবাচীর উৎস। ঋতুর ঠিক পরবর্তী দিনগুলি যেমন নারীর পক্ষে সন্তান ধারণের জন্য প্রশস্ততম, ঠিক তেমনই অম্বুবাচীর পরবর্তী সময়টাই ফসল ফলানোর পক্ষে সবচেয়ে শ্রেয় কাল বলে মনে করা হয়।

ওড়িশায় এই পার্বণকে সরাসরি ‘রজ উৎসব’ বলে বর্ণনা করা হয়েছে। অসমের কামাখ্যা মন্দিরেও এই উপলক্ষ্যে দেবীর ঋতুকাল মনে করে উৎসব পালন হয়। সূর্যের দক্ষিণায়নের দিন থেকে তিন দিন অর্থাৎ আষাঢ়ের ৭ তারিখ থেকে ১০ দিনের মধ্যে এই পার্বণের পালন কাল।

অম্বুবাচী নিয়ে নানা লোকগাথা রয়েছে। অম্বুবাচীতে দুধ, আম খেলে নাকি সারা বছর আর সর্পভীতি থাকে না। অম্বুবাচীতে কোনো শুভ কাজও হয় না। বৈদিক সনাতন শাস্ত্রে অম্বুবাচীতে যে পাঁচটি কাজ করতে অবশ্যই মানা করেছেন তা হল—

১। এই সময়ে জমিতে চাষ আবাদ করতে নেই।

২। এই সময়ে কোনও শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করতে নেই।

৩। এই সময়ে কোনও সাপকে আঘাত করতে নেই।

৪। এই সময়ে জমি বাড়ি ক্রয় বা বিক্রয় করতে নেই।

৫। বিশেষ ক্ষেত্র ছাড়া যাত্রাও নিষেধ।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More