করোনা মোকাবিলায় লকডাউনের পাশাপাশি ভুবনেশ্বর, ভদ্রকে শুক্রবার রাত থেকে ‘টোটাল শাটডাউন’

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

    দ্য ওয়াল ব্যুরো : ওড়িশায় শুক্রবার পর্যন্ত পাঁচজন কোভিড ১৯ রোগীর সন্ধান মিলেছে। তাঁদের মধ্যে চারজন ভুবনেশ্বরের বাসিন্দা, একজন ভদ্রকের। এরপরে শুক্রবার রাজ্য সরকার ঘোষণা করল, রাত আটটা থেকে ৪৮ ঘণ্টা পুরোপুরি বন্ধ থাকবে ওই দুই শহর। রাজ্যের অন্যান্য প্রান্তেও যথারীতি লকডাউন চলবে। সেখানে মুদির দোকান, শাকসবজি ও দুধের দোকান খোলা থাকবে। কিন্তু ভুবনেশ্বর ও ভদ্রকে বন্ধ থাকবে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দোকানও। ওড়িশার মুখ্য সচিব এ কে ত্রিপাঠি জানিয়েছেন, শাট ডাউনের সময় কেবলমাত্র নির্দিষ্ট কয়েকটি ওষুধের দোকান খোলা থাকবে। কোন কোন দোকান খোলা থাকবে, তা স্থির করবে সরকার।

    মুখ্যসচিব বলেন, “ভুবনেশ্বর ও ভদ্রক জেলার সদর শহরে শুক্রবার রাত আটটা থেকে শুরু হবে শাটডাউন। চলবে রবিবার রাত আটটা পর্যন্ত।” ভুবনেশ্বর ও ভদ্রকে সামাজিক সংক্রমণ রুখতেই শাট ডাউনের প্রয়োজন ছিল বলে তিনি জানান। টোটাল শাট ডাউনের সময় সব পাস বাতিল হয়ে যাবে। অর্থাৎ লকডাউনের মধ্যে চলাফেরা করার জন্য যাঁদের পাস দেওয়া হয়েছিল তাঁরাও শাট ডাউনের সময় বাইরে বেরোতে পারবেন না।

    রাজ্য পুলিশের ডিজি পি অভয় বলেন, কোভিড ১৯ যাতে ছড়িয়ে না পড়ে, সেজন্যই শাট ডাউন করা হচ্ছে। এটা অনেকটা কার্ফুর মতো। তবে সাধারণ মানুষের ভয়ের কোনও কারণ নেই।

    ওড়িশার পাশাপাশি মহামারী প্রতিরোধে কড়া ব্যবস্থা নিচ্ছে কর্নাটক সরকারও। সেখানে আগামী ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত প্রাইভেট গাড়িতে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।

    কর্নাটক পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, লকডাউনের প্রধান উদ্দেশ্যই হল সামাজিক দূরত্ব তৈরি করা। একজনের থেকে অন্যজনের দূরত্ব বাড়লে তবেই এই ভাইরাস ছড়িয়ে পড়া থেকে আটকানো যাবে। কিন্তু কর্নাটকের মানুষ সেই নিয়ম অনেক ক্ষেত্রেই ভঙ্গ করছেন। রাস্তায় গাড়ি নিয়ে বেরিয়ে পড়ছেন। এতে প্রশাসনের সব প্রচেষ্টা ব্যর্থ হচ্ছে। তাই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    কর্নাটকের ডিজিপি টুইটারে বলেন, “এটা এপ্রিল ফুলের মজা নয়। ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত সব দু’চাকা, চারচাকা ব্যান করা হচ্ছে। যদি আমরা দেখি এই নয়ম না মেনে কেউ গাড়ি নিয়ে রাস্তায় বেরিয়েছেন, তাহলে সেই গাড়ি বাজেয়াপ্ত করা হবে। গাড়ির মালিকের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

    পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত কর্নাটকের বাসিন্দাদের যা কিছু দরকার তা পায়ে হেঁটেই করতে হবে। শুধুমাত্র যাঁরা জরুরি পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত তাঁদের যাতায়াতের ব্যবস্থা সরকার করবে। তাছাড়া যদি কেউ হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য যেতে চান, তাহলে সেই ব্যবস্থাও সরকারের তরফে করে দেওয়া হবে।

    পুলিশ কমিশনার ভাস্কর রাওয়ের তরফে একটি টুইট করে জানানো হয়েছে, ১ এপ্রিল সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত কর্নাটকে ৬৩২১ দু’চাকা, ২২৭ তিনচাকা ও ৩০৪ চারচাকার গাড়ি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। এইসব গাড়ি লকডাউন না ওঠা পর্যন্ত পুলিশের হেফাজতেই থাকবে। তাই রাজ্যবাসীর কাছে আবেদন, এরপর থেকে পুলিশের নির্দেশ মেনে চলুন।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More