পাহাড়ে আবার মিছিল। কী কাণ্ড! এ বার মমতার সমর্থনে

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

দ্য ওয়াল ব্যুরো, দার্জিলিং : আবারও বিক্ষোভ মিছিলে উত্তাল হল দার্জিলিং। তবে এ যাত্রায় পৃথক রাজ্যের দাবি বা ষষ্ঠ তপশিল নিয়ে রাজ্য সরকারের সঙ্গে দর কষাকষি নয়, বরং মিছিল হল মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অবস্থানের প্রতি সমর্থন জানাতে। যা স্মরণকালে দেখেনি পাহাড়।
রবিবার সন্ধ্যায় কলকাতার পুলিশ কমিশনার রাজীব কুমারের বাড়িতে সিবিআই হানার পরে গণতন্ত্র বাঁচাতে ধর্মতলায় সত্যাগ্রহ শুরু করেন মুখ্যমন্ত্রী। রাতেই জেলায় জেলায় পথে নেমে পড়েন তৃণমূলের কর্মী সমর্থকরাও। বিভিন্ন জায়গায় চলে সড়ক অবরোধ, ট্রেন অবরোধ, মিছিল। সারদা তদন্ত ঘিরে কেন্দ্র রাজ্য বিবাদের এই ঢেউ আছড়ে পড়ল পাহাড়েও।

আজ সকাল থেকেই গোর্খা জনমুক্তি মোর্চার ডাকে মিছিল হয় দার্জিলিং ও কার্শিয়াঙের বিভিন্ন জায়গায়। সব থেকে বড় মিছিলটি হয় দার্জিলিঙের চকবাজারে। পোড়ানো হয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর কুশপুত্তলিকা। চকবাজারে গোর্খা জনমুক্তি মোর্চার টাউন পার্টি অফিসে সকাল থেকে বসে থেকে আন্দোলনের নেতৃত্ব দেন মোর্চা প্রধান বিনয় তামাং স্বয়ং। সিবিআই ও কেন্দ্রের বিরুদ্ধে পোস্টারও সাঁটানো হয় গোটা পাহাড় জুড়ে। পরে এক প্রেস বিবৃতিতে বিনয় তামাং জানান, সিবিআইকে রাজনীতির হাতিয়ার করেছে কেন্দ্র সরকার। এতে এই স্বশাসিত সংস্থার বিশ্বাসযোগ্যতাই নষ্ট হচ্ছে। তিনি বলেন, গতকালের ঘটনা খুবই দুর্ভাগ্যজনক। মুখ্যমন্ত্রীর পাশে দাঁড়াচ্ছেন তাঁরা।

মিছিল, সভা, আন্দোলন, পাহাড়ের মানুষের কাছে এর কোনটাই নতুন নয়। গত কয়েক দশকে পৃথক রাজ্যের দাবিতে একাধিকবার আন্দোলনে মুখর হয়েছে পাহাড়। কখনও নেতা জিএনএলএফ সুপ্রিমো সুবাস ঘিসিং কখনও জিজেএম প্রধান বিমল গুরুং। নেতৃত্বে যেই থাকুন রাজ্যের বিরোধিতাই সেখানে দস্তুর। বিনয় তামাং এর আমলে সেই পাহাড়েই মিছিল হল মুখ্যমন্ত্রীর অবস্থানকে সমর্থন জানিয়ে। সারদা, রাজীব কুমার, সিবিআই কোনওকিছুর সঙ্গেই প্রত্যক্ষ কোনও যোগ নেই পাহাড়বাসীর। তবুও মুখ্যমন্ত্রীর পাশে দাঁড়াতেই তাঁর নিজের দল তৃণমূলের মতোই পথে নামল বিনয় তামাং এর গোর্খা জনমুক্তি মোর্চাও। বিজেপি বিরোধী আওয়াজও তুললেন এনডিএর একদা জোটসঙ্গী গোর্খা জনমুক্তি মোর্চার কর্মী সমর্থকরা।
তবে এই মিছিল কতটা মুখ্যমন্ত্রীর পাশে দাঁড়াতে, আর কতটা অপ্রাপ্তির রোষ নিয়ে বিজেপির সঙ্গ ত্যাগ জানান দিতে, ভবিয্যতের জন্যই তোলা থাকলো সেই উত্তর।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More