কাশ্মীরে কড়াকড়ি শিথিল, রাস্তায় নেই যানবাহন, বন্ধ অফিস, স্কুল-কলেজ

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

    দ্য ওয়াল ব্যুরো : ৩৬ দিন আগে নিরাপত্তার ঘেরাটোপে ঢাকা পড়েছিল কাশ্মীর। তারপর ধীরে ধীরে কড়াকড়ি কমিয়ে নানা হয়েছে। শ্রীনগর বাদে জম্মু-কাশ্মীরের কোথাও তেমন নিষেধাজ্ঞা নেই। কিন্তু এখনও স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ফেরেনি কাশ্মীরে। রাস্তায় লোকজন খুব কম। বাসও চলছে না। সরকারি অফিসে লোক নেই। শিক্ষায়তনগুলিও বন্ধ রয়েছে।

    শ্রীনগরের মাইসুমা থানা অঞ্চলে এখনও নিষেধাজ্ঞা বলবৎ রয়েছে। লাল চৌকের বাজার এলাকা একসময় ব্যারিকেডে ঘিরে ফেলা হয়েছিল। ব্যারিকেডগুলি সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। পথে টহল দিচ্ছেন নিরাপত্তারক্ষীরা। এরই মধ্যে রবিবার কাশ্মীর উপত্যকায় মহরমের শোভাযাত্রা বন্ধ করতে কয়েক জায়গায় নিষেধাজ্ঞা জারি হয়েছিল।

    গত ৫ অগস্ট জম্মু-কাশ্মীরে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়। ওই দিন সংবিধানের ৩৭০ ধারা বিলোপ করে কেন্দ্রীয় সরকার। জম্মু-কাশ্মীরকে দু’টি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে বিভক্ত করার সিদ্ধান্ত ঘোষণা করা হয়। এর কিছুদিন বাদে কাশ্মীর উপত্যকার পরিস্থিতি বিবেচনা করে দফায় দফায় নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হতে থাকে। যদিও প্রতি শুক্রবার উপত্যকার সংবেদনশীল এলাকাগুলিতে নিষেধাজ্ঞা জারি হতে থাকে।

    গত ৩৬ দিনে কাশ্মীরের স্বাভাবিক জনজীবন রীতিমতো ব্যাহত হয়েছে। সরকার চেষ্টা করেছিল যাতে স্কুলগুলি খোলা যায়। কিন্তু তাতে লাভ হয়নি। কারণ অভিভাবকরা উত্তেজনার পরিবেশে সন্তানদের স্কুলে পাঠাতে চাননি। সরকারি অফিসগুলিও খোলা আছে। কিন্তু উপস্থিতির হার খুবই কম। উপত্যকার সর্বত্র ল্যান্ডলাইন টেলিফোন পরিষেবা ফের চালু করা হয়েছে। কিন্তু মোবাইল ও ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ রয়েছে এখনও।

    কাশ্মীরে বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতাদের বেশিরভাগ এখনও বন্দি আছেন। তাঁদের অনেকে আছেন জেলে। বাকিরা গৃহবন্দি রয়েছেন।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More