ফের বাঘের আতঙ্ক সিউড়িতে, ঘুম উড়েছে গ্রামবাসীদের

১২

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

দ্য ওয়াল ব্যুরো, বীরভূম: বাঘের আতঙ্ক যেন কিছুতেই পিছু ছাড়ছে না সিউড়ি থানার গরুঝরা গ্রামের বাসিন্দাদের। কখনও বাঘ দেখার দাবি, কখনও বাঘের পায়ের ছাপ দেখার দাবি করছেন গ্রামবাসীরা। শনিবার রাতে ফের গ্রামের পথে বাঘ হেঁটেচলে বেড়াচ্ছে, এমন দাবি ঘিরে শোরগোল উঠল গরুঝরা গ্রামে।

গত বৃহস্পতিবার সন্ধেয় প্রথম বাঘের আতঙ্ক ছড়ায় গ্রামে। স্থানীয় এক বাসিন্দা দাবি করেন, তিনি একটি বাঘের বাচ্চা দেখতে পেয়েছেন। সেই নিয়ে আতঙ্কের রেশ থাকতে না থাকতেই বেশ কিছু গ্রামবাসী দাবি করেন তাঁরা  বাঘের গর্জন শুনতে পেয়েছেন, এমনকি একটি পায়ের ছাপও দেখেছেন। সেই ছাপটি যে ডোরাকাটা দক্ষিণ রায়েরই সে বিষয়ে একমত গ্রামবাসীদের সকলেই।

বাঘের আতঙ্ক ছড়াতেই মশাল হাতে পাহাড়া বসে গ্রামের অলিগলিতে। খবর যায় সিউড়ি থানায় এবং বন দফতরে। বন দফতরের কর্মীরা জানিয়েছেন, তাঁরা কোনও বাঘের চিহ্ন খুঁজে পাননি। গতকাল রাতে ফের বাঘ দেখার দাবি করেছেন দু’জন গ্রামবাসী।

শেখ আলমগীর নামে এক গ্রামবাসী বলেছেন, “গতকাল রাতে গোয়াল ঘরে গরু রাখতে যাওয়ার সময় আমি একটা বাঘের বাচ্চাকে দেখতে পাই।প্রায় দুই থেকে আড়াই ফুট লম্বা এবং গোটা শরীরে তার ডোরাকাটা দাগ। এরপরই আমি ছুটে বাড়ি ঢুকে যাই।” সেই সঙ্গে তাঁর আরও দাবি, গ্রামের দুটো ছাগল এবং বেশ কয়েকটি কুকুর নিখোঁজ। তারাও গেছে বাঘের পেটেই।

বন দফতর সূত্রে খবর, বাঘের খবর চাউর হতেই গ্রামে তল্লাশি চালান বনকর্মীরা। তাঁদের দাবি, যে পায়ের ছাপটি বাঘের বলে দাবি করা হচ্ছে, সেটি বন বিড়ালের হতে পারে। এই লোকালয়ে বাঘ আসার কোনও সম্ভাবনা রয়েছে বলে তাঁরা মনে করছেন না। তবে, এই তত্ত্বে বিশ্বাসী নন গ্রামবাসীরা। বাঘের ভয় আপাতত গরুঝরা গ্রামের বাসিন্দারা ঘরবন্দি।

 

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More