রবিবার, জানুয়ারি ১৯
TheWall
TheWall

বিস্ফোরণ কাণ্ডে দোষী ১৯ জনকে কী সাজা দেয় আদালত, জানতে প্রতীক্ষা খাগড়াগড়ে

Google+ Pinterest LinkedIn Tumblr +

দ্য ওয়াল ব্যুরো, বর্ধমান: খাগড়াগড়কাণ্ডে অভিযু্ক্ত ১৯ জনকে বুধবার দোষী সাব্যস্ত করেছিল আদালত। সেই রায়ে খুশি খাগড়াগড়ের বাসিন্দারা। খুশি শহর বর্ধমানের নাগরিকরাও। সাজা ঘোষণার আগে তাই প্রতীক্ষা শুরু হয়ে গেছে খাগড়াগড়ে। দোষীদের কী সাজা হয় তা শোনার অপেক্ষায় এলাকার মানুষ। খাগড়াগড় বিস্ফোরণকাণ্ডে ধাপে ধাপে ৩১ জনকে গ্রেফতার করেছে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা (এআইএ)। তাঁদেরই মধ্যে শাহানুর আলম ওরফে ডাক্তার সহ ১৯ জনকে দোষী সাব্যস্ত করেছে এনআইএর বিশেষ আদালত। বাকিদের বিরুদ্ধে এখনও মামলা চলছে।

দোষীদের মধ্যে চারজন বাংলাদেশি নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন জামাত-উল-মুজাহিদিন বাংলাদেশের কট্টর সদস্য। খাগড়াগড় বিস্ফোরণের মাস্টার মাইন্ড সাহানুর আলমের বাড়ি অসমের বরপেটা জেলায়। ২০১৫ সালের ৩রা জানুয়ারি বরপেটা থেকেই গ্রেফতার করা হয়েছিল তাকে। আইপিসির ১২০ বি , ১২৫  ও ইউএপিএ র ১৭, ১৮, ২০ ও ২৩ ধারায় দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন  শাহনুরসহ অন্যরা।

জামাতুল মুজাহিদিন বাংলাদেশ (জেএমবি) র সদস্যরা হলেন শেখ রহমত উল্লাহ ওরফে বুরহান শেখ, লিয়াকত আলি প্রামাণিক ওরফে রফিকুল, হবিবুর রহমান বরফের জাহিদুল ইসলাম এবং সাদিক ওরফে রেহান শেখ ।

২০১৪ সালের ২ অগষ্ট বেলা ১২ টা ১৫ মিনিটে কেঁপে উঠেছিল খাগড়াগড়ের হাসান চৌধুরীর বাড়ি। বাড়িটি ভাড়া দিয়েছিলেন তিনি। সেই বাড়িরই দোতলায় হয় প্রচণ্ড বিস্ফোরণ। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় শাকিল আহমদ ওরফে শাকিল গাজির। পরদিন ওই বাড়ি থেকে উদ্ধার হয় ৫৫ টি সকেট বোমা, প্রচুর বিস্ফোরক ও জঙ্গি গোষ্ঠীর লিফলেট। শুরু হয় তদন্ত। প্রথমে জেলা পুলিশ, তারপর সিআইডি এবং শেষে তদন্তভার নেয় এনআইএ। তদন্তের স্বার্থে দিল্লি থেকে উড়ে খাগড়াগড়ে এসেছিলেন এনএসএ প্রধান অজিত দাভোল, এনআইএ প্রধান শরদ কুমার ও এনএসজি প্রধান জে এন চৌধুরী।

আজ সকালে খাগড়াগড়ে গিয়ে দেখা গেল বিস্ফোরণ কাণ্ডে কী শাস্তি হয় তা জানতে মানুষের আগ্রহ থাকলেও মুখ খুলতে রাজি নন কেউই। তবে সকলেই চান দোষীরা যেন দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তি পায়। আর যারা এখনও অধরা তাদেরও যেন তদন্তকারী সংস্থা অবিলম্বে গ্রেফতার করে। ১৯ জনকে দোষী সাব্যস্ত করার দিন বাড়ির মালিক হাসান চৌধুরীর পরিবার উচ্ছ্বাস প্রকাশ করলেও আজ তাঁদের কাউকে বাড়িতে পাওয়া যায়নি।

Share.

Comments are closed.