‘অবাধ্য’ ছেলেকে মায়ের মার, মারা গেল ৩ বছরের শিশু

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

দ্য ওয়াল ব্যুরো : ছেলে কথা শুনছিল না। তাই তার মাথায় কাঠের কোনও ভারী জিনিস দিয়ে সজোরে মারলেন মা। আঘাতে জ্ঞান হারিয়ে ফেলল তিন বছরের ছেলেটি। তার আগে ছ্যাঁকাও দিয়েছিলেন ছেলেটিকে। চিকিৎসকরা তাঁকে বাঁচানোর অনেক চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু তাঁরা ব্যর্থ হয়েছেন। শুক্রবার সকালে এক বেসরকারি হাসপাতালে মৃত্যু হয়েছে শিশুটির। কেরলের কোচির ঘটনা।

আলুভার ওই হাসপাতালের চিকিৎসকরা বলেন, বুধবার শিশুটির মাথায় সজোরে আঘাত করা হয়। সম্ভবত সেজন্যই তার মৃত্যু ঘটেছে। ময়না তদন্তের পরে নিশ্চিতভাবে জানা যাবে, কীভাবে তার মৃত্যু হয়েছিল।

পুলিশ জানিয়েছে, ছেলে অবাধ্য হওয়ার জন্য তাকে মারধর করেন মা। শিশুটির মাথায় গুরুতর চোট লাগে। চিকিৎসকরা তার মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচার করেন। তার মা ঝাড়খণ্ডের মেয়ে। তাঁকে বৃহস্পতিবার গ্রেফতার করা হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে খুনের অভিযোগ আনা হয়েছে। এর আগে তাঁর বিরুদ্ধে খুনের চেষ্টা ও শিশু নির্যাতনের অভিযোগ আনা হয়েছিল।

পুলিশ জানিয়েছে, কীভাবে শিশুটি মরল তা নিয়ে তদন্ত হচ্ছে। মৃতের মায়ের বাড়ি ঝাড়খণ্ডেও গিয়েছে পুলিশের টিম।

বৃহস্পতিবার রাতে আহত শিশুটিকে নিয়ে হাসপাতালে যান তাঁর বাবা। তখন শিশূটি কোমায় ছিল। তার বাবা বলেন, পড়ে গিয়ে তাঁর ছেলে আঘাত পেয়েছে। কিন্তু শিশুটির আঘাত দেখে চিকিৎসকদের সন্দেহ হয়। তাঁরা পুলিশকে খবর দেন। পরে জানা যায়, শিশুটিকে কাঠের কোনও ভারী জিনিস দিয়ে মারধর করা হয়েছিল। তার দেহের নানা অংশে ছ্যাঁকা দেওয়ারও দাগ ছিল। সবচেয়ে বেশি আঘাত লেগেছিল তার মাথায়। মাথার ডান দিকটা প্রায় থেঁতলে গিয়েছিল।

কেরল সরকার জানিয়েছিল, শিশুটির চিকিৎসার পুরো খরচ দেবে তারা। কোট্টায়ামে সরকারি মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল থেকে চিকিৎসকদের একটি টিমও পাঠানো হয়েছিল শিশুটির জন্য।

পুলিশ এখন তদন্ত করে দেখছে, যে মহিলা শিশুটিকে আঘাত করেছিলেন, তিনি সত্যিই তার মা কিনা।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More