আপনার বাড়িতেও আছে তো রোজকার মধ্যবিত্ত জীবনের এই ২৮টি জিনিস

৪০

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

দ্য ওয়াল ব্যুরো:  আমাদের মধ্যবিত্ত বাড়িতে কিছুই ফেলা যায় না। এমনকি বাড়তি জিনিসও আমরা কোনও না কোনও কাজে ঠিক লাগিয়ে দিই। লক্ষ্মীর ভাঁড়ের মতো এই সব কিছু জমিয়ে রাখা, কিচ্ছু ফেলতে না চাওয়া- এই হল আমাদের মধ্যবিত্ত মানসিকতা, যা প্রায় প্রত্যেক বাড়ির রোজকার গল্প। প্লাস্টিক থেকে সুতোর রিল ,সব কিছুই দেখা যায় প্রায় বেশির ভাগ গৃহস্থ বাড়িতে।

১.টিভির রিমোট তো সব বাড়িতেই থাকে। কিন্তু মধ্যবিত্ত প্রায় বেশির ভাগ বাড়িতেই দেখা যায় রিমোটকে প্লাস্টিকের জামা পরানো হয়েছে। যখন একবারে কাজ করে না সেই রিমোট, তার কপালে জোটে বকুনি! টেবিলে এক দুবার ঠুকে আবার তাকে নিজের জায়গায় ফিরিয়ে আনা হয়।

২.ঘরের মধ্যে ঘর, তার মধ্যে আবার ঘর! এমনই একটা বড় প্লাস্টিকের মধ্যে ছোটো প্লাস্টিক রাখার ব্যাপারটা মধ্যবিত্ত বাড়ির বহুদিনের রেওয়াজ।

৩.ঝালে ঝোলে অম্বলে বাঙালির দুপুরের রান্নাটি হতেই হবে জমাটি। আর ঠিকঠাক রান্নার জন্য রান্নাঘরে যে জিনিসটা মজুত রাখতেই হয়, তা হল মশলাদানি বা মশলার কৌটো

৪.আজকাল হ্যাল ফ্যাশনের যতই বোতল আসুক, স্টিলের গ্লাসে চুমুক দিয়ে জল খাওয়ার স্বাদই আলাদা। এখনও স্টিলের গ্লাস প্রায় প্রতিটা বাড়িতেই দেখা যায়।

৫. খাওয়াদাওয়া যেমনই হোক না কেন! শেষপাতে কিন্তু চাটনি, মিষ্টি বা দই থাকবেই।

৬. অতিথি নারায়ণ! তাই তাদের জন্যে আলাদা আর একটু স্পেশাল চায়ের কাপপ্লেট প্রায় সব বাড়িতেই থাকে।

৭.আমাদের মধ্যবিত্তদের রাতের বা দুপুরের ঘুম সম্পূর্ণ হয়না কোলবালিশ বা পাশবালিশ ছাড়া। এটা সব বাড়িতেই পাবেন আপনি।

৮. রোজ সকালে ঘুম থেকেই উঠেই যার সঙ্গে আপনার দেখা হয়, সে হল আপনার টুথপেস্ট। যতক্ষণ পর্যন্ত পুরো শেষ না হচ্ছে, মানে পেট টিপে টিপে পুরোপুরি সবটা পেস্ট বের করতে পারছেন -ততক্ষণ পর্যন্ত আপনি পুরোনো টুথপেস্টের মায়া ত্যাগ করতে পারেন না। তাই বেচারার হয় বেহাল দশা!

৯.প্লাস্টিকের রঙিন টিফিনবক্স ছোটোবেলার স্কুলের দিনকে মনে করায়, তাই না! এখনও কম বেশি সব বাড়িতেই পাবেন এই কৌটো।

১০.স্টিলের বড় টিফিন-কেরিয়ার যেমন ধরুন তিনকেরিয়ার, চারকেরিয়ার – একটা দুটো করে প্রায় সব বাড়িতেই আছে।

১১. বাসন রাখার জায়গা কার বাড়িতে নেই বলুন তো! আজকের দিনে রান্নাঘরের সব থেকে দরকারি জিনিস হল ওটা।

১২.লুচি, রুটি বা পরোটা যাদের ওপর নির্ভর করে, সেই মাণিকজোড় জুটি হল বেলুন-চাকি। সবার রান্নাঘরের ‘হটকাপেল’!

১৩.ক্যাসারোলে তো সব বাড়িতেই থাকে! না হলে গরম-গরম রুটি-লুচি রাখবেন কোথায়?

১৪.সাঁড়াশি! গরম থেকে ঠান্ডা কোনও পাত্রই এর সাহায্য ছাড়া চলে না। রান্নাঘরের প্রয়োজনীয় দ্রব্য।

১৫. সবার বাড়িতেই আছে, যার কথা নতুন করে আর বলার কিছু নেই,তা হল চেয়ার।

১৬.জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর! বৈশাখ থেকে চৈত্র!  দিনক্ষণ, বার, তিথি ঠিক করার জন্যে প্রত্যেক বাড়িতে হাতের কাছেই থাকে ক্যালেন্ডার।

১৭.আলমারি তো সব বাড়িতেই রয়েছে, যেখানে জরুরি কাগজ থেকে জামাকাপড় সবই থাকে পাশাপাশি।

১৮.শুধুমাত্র ফাটা গোড়ালি কিংবা ঠোঁটের জন্য নয়, বোরোলীন এখনও সব বাড়ির ভরসা। তাই বাড়িতে সবসময় দেখা মেলে বোরোলীনের।

১৯.চুলের যত্ন নেওয়ার ক্ষেত্রে নারকেল তেলের নাম কিন্তু বহু যুগ ধরে চলে আসছে। প্রায় সব বাড়িতেই পাওয়া যাবে নারকেল তেলের কৌটো।

২০. মাথায় ব্যথা, পায়ে ব্যথা আর তার জন্যে রয়েছে ঝান্ডুবাম। প্রায় সব বাড়িতেই পাওয়া যাবে।

২১. হরলিক্স খেয়ে প্রায় ছোটো বেলায় সবাই বড় হয়েছে। অনেকে তো এখনও খান। সব বাড়ির নিত্যদিনের গল্পে হরলিক্স রয়ে গেছে ।

২২. এই গরমে গ্লুকোনডির ওপর ভরসা সকলেই করেন। সব বাড়িতেই রয়েছে কাজ থেকে ফিরে একটু গ্লুকোনডির জল খাওয়ার প্রচলন।

২৩.ম্যাগী ম্যাজিক কে না জানেন! ছোটো থেকে বড় সকলেরই পছন্দের তালিকাতে রয়েছে এই প্রিয় খাদ্য।

২৪. ঘর পরিষ্কার করা একটা ঝক্কির কাজ বটে। তবে যেটা না থাকলে আরও বেশি সমস্যা হত তা হল বারুন বা ঘরঝাড়ু। সব বাড়িতেই রয়েছে এর কদর।

২৫. সকালে বা সন্ধ্যায় ,চা বা কফির এর সাথে বিস্কুট খাওয়ার মধ্যে রয়েছে এক অদ্ভুত তৃপ্তি! প্রত্যেক ঘরেই রয়েছে এই তৃপ্তির গল্প।

২৬.কলঘর বা স্নানঘরের গল্পে বালতি মগের কম্বিনেশনকে পাত্তা না দিয়ে উপায় আছে! যেকোনও বাড়ির বাথরুমে এদের দুজনের সঙ্গে আপনার দেখা হবেই

২৭. হাওয়াই চটি তো এখন বাজারে বিশাল বিখ্যাত! সেই হাওয়াই এর কদরও প্রচুর। সবাই ঘরে পরার চটি হিসেবে হাওয়াই চটি পরেন।

২৮. কথায় বলে না, জুতো সেলাই থেকে চণ্ডীপাঠ!এই জুতো সেলাই করার সুচ এবং সুতো প্রত্যেক গৃহস্থ বাড়িতেই থাকে।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More