অ্যারেস্ট করুন, বলেই স্ত্রীর মুন্ডু ঝোলা থেকে বার করে থানার টেবিলে রাখল যুবক

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

 দ্য ওয়াল ব্যুরো, দক্ষিণ ২৪ পরগনা : মাত্র সকাল হয়েছে তখন। সারারাত ডিউটি করার পর একটু যেন শিথিল ব্যস্ত অফিসাররা। হঠাৎই হন্তদন্ত হয়ে থানায় ঢুকল এক যুবক। ঢুকেই খোঁজ শুরু করল থানার ওসির। ডিউটি অফিসার কারণ জানতে চাইলে হাতে ধরা ব্যাগ থেকে এক মহিলার কাটা মুন্ডু বের করে সটান তাঁর টেবিলের উপর।

মুহূর্তের জন্য দিশেহারা থানার পুলিশ কর্মীরা। ওই যুবক ততক্ষণে বলতে শুরু করেছে, “আমার স্ত্রীর মাথা কেটে নিয়ে এসেছি আমি। আপনারা আমাকে অ্যারেস্ট করুন।” ততক্ষণে হইচই শুরু হয়ে গেছে পাথরপ্রতিমা থানায়।

পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্তের নাম অভিজিৎ দাস। আজ সকাল ছটা নাগাদ স্ত্রী অম্বা দাসের কাটা মুন্ডু নিয়ে থানায় চলে আসে সে। প্রাথমিকভাবে দিশাহারা হয়ে পড়েন পুলিশ কর্মীরা। পরে গ্রেফতার করা হয় তাকে। ওই দম্পতির একটি তিন বছরের কন্যা সন্তান রয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

প্রাথমিক বিস্ময় কাটিয়েই পুলিশ কর্মীরা রওনা হয়ে যান লক্ষ্মী জনার্দনপুরে অভিজিতের বাড়ির দিকে। পুলিশ পৌঁছতে পাড়ার লোকজনও টের পান, কী মারাত্মক ঘটনা ঘটে গেছে! পুলিশ গিয়ে অম্বা দাসের দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়।

জানা গেছে, অভিজিৎ লক্ষ্মী জনার্দনপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের ১৩১ নম্বর বুথের বিজেপি সভাপতি। পুলিশ জানিয়েছে, তদন্তে তাঁরা জানতে পেরেছেন, নিজের শ্বশুরের কাছ থেকে ৯০ হাজার টাকা ধার নিয়েছিল অভিজিৎ। আগামীকাল তার শালীর বিয়ে। তাই আজই সপরিবারে শ্বশুরবাড়ি চলে যাওয়ার কথা ছিল অভিজিতের। ধার নেওয়া টাকা ফেরত দেওয়া নিয়ে স্ত্রীর সঙ্গে কোনও গন্ডগোল হয়েছিল কী না তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

পুলিশের দাবি, আজ সকালে ওই দম্পতির ঝগড়া হয়। তারপরেই অম্বার হাত, পা, মুখ বেঁধে ছোরা দিয়ে কোপ দিয়ে মুন্ডু কেটে নেয় বলে নিজেই জানিয়েছে সে। তবে কী কারণে এমন ঘটনা ঘটালো তা এখনও স্পষ্ট করেনি। তাই জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে তাকে।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More