বুধবার, ডিসেম্বর ১১
TheWall
TheWall

বিশ্বের সবচেয়ে অদ্ভুত-দর্শন কিন্তু অসাধারণ ২৫ প্রজাতির পেঁচা

দ্য ওয়াল ব্যুরো: অসময়ে হাড়হিম করা ডাক, গভীর রাতে অবাধ বিচরণ, ভয়ঙ্কর একজোড়া চোখ, প্যাঁচাকে নানা কুসংস্কার এবং অলৌকিক চিন্তার সাথে জুড়ে দিয়েছে। পৃথিবীর নানা দেশের মানুষরা আজও বিশ্বাস করে যে, প্যাঁচার ডাক অশুভ, এই ডাক নাকি মন্দ ভাগ্য, শারীরিক অসুস্থতা, মৃত্যুর আগমনবার্তা জানিয়ে দেয়।

কিন্তু এই প্যাঁচাই বাঙালির কাছে মা লক্ষ্মীর বাহন হিসাবে সৌভাগ্যের প্রতীক। তাই আমাদের কাছে প্যাঁচা খুবই আদরের। মানুষের নানা অত্যাচার সত্ত্বেও পৃথিবীতে এখনও ২০০টি প্রজাতির প্যাঁচা টিকে আছে। তার মধ্যে সেরা ২৫টি পেঁচার পাঁচালী পাঠকদের জন্য।

(২৫) তুষার প্যাঁচা 

নিবাস: উত্তর মেরুর নিকটবর্তী দেশগুলিতে এদের বাস।

প্রকৃতি: সূর্যদয় থেকে সূর্যাস্ত, অর্থাৎ দিনের বেলাতে এরা উড়ে বেড়ায় মাটির খুব কাছ দিয়ে। প্রচণ্ড আক্রমণাত্মক। মেরুর তুন্দ্রা অঞ্চলের উন্মুক্ত তৃণভুমিতে বাসা বাঁধে।

খাদ্য: মাছ, ইঁদুর, খরগোশ, কাঠবিড়ালি, ছুঁচো, হাঁস, সব ধরণের পাখি এমনকি ছোট প্যাঁচাও।

 

 

তুষার প্যাঁচা 

(২৪) বড় শিং প্যাঁচা 

নিবাস: উত্তর, মধ্য ও দক্ষিণ আমেরিকায়।

প্রকৃতি: দিনের শেষ ও দিনের শুরু হল এদের শিকারের সময়। গভীর জঙ্গল, মরুভূমি, এমনকি শহরের পার্কের গাছেও এরা বাসা বাঁধে।

বড় শিং প্যাঁচা

খাদ্য: বুনো মুরগি, ইঁদুর, সাপ, খরগোশ, আর্মাডিলো, সজারু, বাদুড়, পোষা কুকুর শাবক, সব ধরণের পাখি মিলিয়ে প্রায় ২৫০ প্রজাতির প্রাণীকে এরা খাদ্য হিসাবে গ্রহণ করে।

(২৩) ছোট শিং প্যাঁচা 

নিবাস: দক্ষিণ পেরুর অন্তর্গত আন্দিজ এলাকা থেকে শুরু করে কেপ হর্ন ও প্যাটাগোনিয়ার স্তেপ ও রুক্ষ অঞ্চল।

প্রকৃতি: সূর্যদয় ও সূর্যাস্ত হল এদের শিকারের সময়। কখনও দিনের আলোতেও শিকার করে। পাথুরে ও পাহাড়ি ঢাল, আধা-উন্মুক্ত জঙ্গল বা ঘন ঘাসে ঘেরা জমিতে এরা বাসা বাঁধে।

খাদ্য: সব ধরণের ইঁদুর ,সাপ, কাঠবেড়ালি ধরণের ছোট জন্তু ও পাখি ইত্যাদি।

ছোট শিং প্যাঁচা

(২২) ইউরেশিয়ান ঈগল প্যাঁচা 

নিবাস: উত্তর আফ্রিকা, ইউরোপ, এশিয়া ও আরব দেশগুলিতে।

প্রকৃতি: সূর্যদয় ও সূর্যাস্ত হলো এদের শিকারের সময়। নিঃশব্দে বহুদূর পর্যন্ত ওড়ার ক্ষমতা রাখে। দিনের বেলা পাথরের আড়ালে বসে থাকে। মূলত রুক্ষ পাথরের খাঁজে বাসা বাঁধে।

খাদ্য: যা কিছু চোখের সামনে নড়ে তাই এরা খাদ্য বলে ভাবে। গুবরে পোকা থেকে শুরু করে সব ধরণের ছোট প্রাণী, সব ধরণের হাঁস, পাখি, মাছ, সাপ, এমনকি প্যাঁচাও।

ইউরেশিয়ান ঈগল প্যাঁচা

(২১) ফারাও ঈগল প্যাঁচা 

নিবাস: উত্তর পূর্ব আফ্রিকার তিউনিশিয়া, গাম্বিয়া, মালি, সুদান, এরিট্রিয়া। মধ্য প্রাচ্যের সিরিয়া থেকে পশ্চিম ইরাক এবং দক্ষিণ ওমান।

প্রকৃতি: সূর্যাস্তের পর শিকারে বার হয়। খাড়া পাথুরে পাহাড়ের ফাটলে বা মরুভূমির বালিতে গর্ত করে বাসা বাঁধে।

খাদ্য: ছোটখাটো স্তন্যপায়ী ও সরীসৃপ প্রাণী শিকার করে। পাখি, খরগোশ, মরু শিয়াল থেকে কাঁকড়াবিছে সবই এর খাদ্য।

 

ফারাও ঈগল প্যাঁচা

(২০) ভারতীয় ঈগল প্যাঁচা 

নিবাস: পশ্চিম হিমালয়, পাকিস্তান, ভারত, নেপাল ও মায়ানমার।

প্রকৃতি: গভীর রাতে বার হয়, মাটির কাছাকাছি ওড়ে। হালকা জঙ্গলপূর্ণ এলাকার নিচু গাছে বাস করে।

ভারতীয় ঈগল প্যাঁচা

খাদ্য: ইঁদুর আর ছুঁচোই মূল খাদ্য। এছাড়া বিভিন্ন সরীসৃপ, ব্যাঙ ও কাঁকড়া খায়। কখনও কখনও অন্য পাখির বাচ্চাদেরও খেয়ে নেয়।

(১৯) কেপ ঈগল প্যাঁচা 

নিবাস: এরিট্রিয়া, ইথিওপিয়া, কেনিয়া, তানজানিয়া, জিম্বাবুয়ে, মোজাম্বিক নামিবিয়া ও দক্ষিণ আফ্রিকা।

প্রকৃতি: গভীর রাতে শিকার করে, শিকারের মাথায় আঘাত করে। পাহাড়ি অঞ্চলের গভীর খাদের পাথরের ফাটলে বা ঘন গাছের মধ্যে বাসা বাঁধে।

কেপ ঈগল প্যাঁচা

খাদ্য: পাখি, গিরগিটি, সাপ, কাঁকড়াবিছে, বড় পতঙ্গ।

(১৮) স্পটেড ঈগল প্যাঁচা 

নিবাস: কেনিয়া, উগান্ডা, দক্ষিণ আফ্রিকা, কঙ্গোর রেনফরেস্ট, দক্ষিণ গ্যাবন, আরব আমীরশাহী, ওমান।

প্রকৃতি: গভীর রাতে শিকারে বার হয়। পর্বতের গুহায়, গাছের ডালে, উঁচু ঘাসের ঝোপ, মাটিতে পড়ে থাকা পাথর খণ্ডের আড়ালে বাস করে।

স্পটেড ঈগল প্যাঁচা

খাদ্য: পতঙ্গ, ছোট স্তন্যপায়ী প্রাণী, পাখি ও সরীসৃপ।

(১৭) ধূসরাভ ঈগল প্যাঁচা 

নিবাস: সেনেগাল, ক্যামেরুন, ইথিওপিয়া, কেনিয়া, মরিটানিয়া, লাইবেরিয়া, সুদান।

প্রকৃতি: নিশাচর। কখনও কখনও সূর্যাস্ত ও সূর্যদয়ের সময় শিকার করে। সাধারণত রুক্ষ পার্বত্য অঞ্চল ও আধা মরু এলাকায় বাস করে। কাঁটা ঝোপ ও সাভানা ঘাসের মধ্যে বাসা বাঁধে।

খাদ্য: পতঙ্গ, ছোটো স্তন্যপায়ী প্রাণী, পাখি, সরীসৃপ ও ব্যাঙ খায়।

ধূসরাভ ঈগল প্যাঁচা

(১৬) ফ্রেশারের ঈগল প্যাঁচা 

নিবাস: বিয়োকো দ্বীপপুঞ্জ, কঙ্গো, উগান্ডা, আঙ্গোলার ট্রপিক্যাল ফরেস্ট এদের নিবাস। বিখ্যাত জীববিজ্ঞানী লুই ফ্রেশারের নামে এর নাম দেওয়া হয়েছে।

প্রকৃতি: সূর্যাস্ত-র সময় সক্রিয় হয়ে ওঠে। মাটি থেকে বেশ উঁচু গাছে বাসা বাঁধে।

খাদ্য: কাঠবিড়ালি, ইঁদুর, বাদুড়,পাখি, ব্যাঙ।

 

ফ্রেশারের ঈগল প্যাঁচা

(১৫) উসাম্বারা ঈগল প্যাঁচা 

নিবাস: প্রায় লুপ্তপ্রায় প্রজাতির এই প্যাঁচা তানজানিয়ার উসাম্বারা ও উলুগুরু পর্বতাঞ্চলে মাত্র কয়েকটি দেখতে পাওয়া যায়।

প্রকৃতি: দিনের শুরু ও শেষ ভাগ হল এদের শিকার করার সময়। পাহাড়ের খাড়া ঢালে বাসা বাঁধে।

খাদ্য: ছোট স্তন্যপায়ী প্রাণী, পতঙ্গ ও সরীসৃপ।

 

 

উসাম্বারা ঈগল প্যাঁচা 

(১৪) ভেরক্স ঈগল প্যাঁচা 

নিবাস: আফ্রিকার সাহারা মরুভূমির দক্ষিণের দেশগুলিতে এদের বাস।

প্রকৃতি: প্রচণ্ড ধূর্ত ও সুযোগসন্ধানী শিকারী। সন্ধ্যা রাতে শিকারে নামে। গভীর জঙ্গলের উঁচু গাছে বাসা বাঁধে। কখনও আবার সাভানা ঘাসের ভেতর বাসা বাঁধে। নিয়মিত স্নান করে।

খাদ্য: মাঝারি আকারের স্তন্যপায়ী প্রাণী, সব ধরণের বড় পাখি, বাঁদর, খরগোশ, হাঁস, সরীসৃপ, ব্যাঙ ও মাছ।

ভেরেয়ক্স ঈগল প্যাঁচা

(১৩) শেলির ঈগল প্যাঁচা

 নিবাস: পূর্ব আফ্রিকার গায়ানা, কঙ্গো, উগান্ডা, লাইবেরিয়া, ঘানা, ক্যামেরুন, গ্যাবন, জাইরে।

প্রকৃতি: খুবই বিরল ও লুপ্তপ্রায় প্যাঁচা। গভীর রাত্রে শিকার ধরে। গভীর অন্ধকারাচ্ছন্ন জঙ্গলের ভেতরে গাছের গুঁড়িতে বাসা বাঁধে।

খাদ্য: মাঝারি আকারের স্তন্যপায়ী প্রাণী, বড় পাখি, উড়ুক্কু কাঠবেড়ালি, বড় সাপ ও গোসাপ।

শেলির ঈগল প্যাঁচা

(১২) মালয় ঈগল প্যাঁচা 

নিবাস: দক্ষিণ মায়ানমার, দক্ষিণ থাইল্যান্ড, মালয় উপদ্বীপ, সুমাত্রা, বাঙ্গকা, বোর্নিও, জাভা ও বালি।

প্রকৃতি: গোধূলি ও গভীর রাতে শিকারে বার হয়। নিচু জায়গার গড়ে ওঠা জঙ্গল, ঝর্ণার ধারে এরা বাসা বাঁধে।

মালয় ঈগল প্যাঁচা

খাদ্য: বড় পতঙ্গ, ছোট স্তন্যপায়ী প্রাণী, পাখি ও ছোট আকারের সব ধরণের সরীসৃপ।

(১১) ফরেস্ট ঈগল প্যাঁচা

নিবাস: পূর্ব হিমালয় থেকে শুরু করে মধ্য ভিয়েতনাম, দক্ষিণ ভারত থেকে শুরু করে শ্রীলঙ্কা।

প্রকৃতি: গভীর রাতে শিকারে বার হয়। শিবালিক হিমালয়ের ভিজে স্যাঁতস্যাতে অরণ্য এবং পাহাড়ি অঞ্চলের বাঁশ ঝাড়ের মধ্যে থাকতে পছন্দ করে।

ফরেস্ট ঈগল প্যাঁচা

খাদ্যঃ খরগোস, বনমুরগি, ময়ূর, গিরগিটি, সাপ, মাছ, এমনকি শিয়াল ও হরিণের শাবকও।

(১০) ডাস্কি ঈগল প্যাঁচা 

নিবাস: ভারতীয় উপমহাদেশ, নেপাল, বাংলাদেশ, মায়ানমার, মালায়েশিয়া এবং দক্ষিণ-পূর্ব চিন।

ডাস্কি ঈগল প্যাঁচা

প্রকৃতি: সূর্যাস্তের এক ঘন্টা আগে শিকারে বার হয়। মাঝে মাঝে মেঘলা দিনেও শিকারে বার হয়। জোড়ায় জোড়ায় পাওয়া যায়। রুক্ষ জায়গায় বাস করে না। জল ও জীববৈচিত্র আছে সেরকম জঙ্গলে বাস করে।

খাদ্য: ছোট স্তন্যপায়ী প্রাণী, পাখি, সরীসৃপ, ব্যাঙ, মাছ ও বড় পতঙ্গ।

 (৯) একুন ঈগল প্যাঁচা 

নিবাস: পশ্চিম আফ্রিকার সিয়েরা লিওন, গায়ানা অ্যাঙ্গোলা, উগান্ডা।

প্রকৃতি: সন্ধ্যা রাতে শিকারে বার হয়। ঝাঁকড়া গাছের কোটরে বাসা বাঁধে।

খাদ্য: গুবরে পোকা, পঙ্গপাল, ফড়িং, আরশোলা, কেন্নো, ইঁদুর, ছুঁচো।

 

 একুন ঈগল প্যাঁচা

 (৮) ফিলিপিনো ইগল প্যাঁচা

নিবাস: বিরল ও লুপ্তপ্রায় প্যাঁচাটির নিবাস ফিলিপাইন্সের কয়েকটি দ্বীপে।

প্রকৃতি: গভীর রাতে শিকারে বার হয়। ঘন জঙ্গলে মরা গাছের ফাঁপা গুঁড়ির ভেতর বাসা বাঁধে।

খাদ্য: সব ধরণের ছোট প্রাণী ও পাখি।

ফিলিপিনো ইগল প্যাঁচা

(৭) ব্ল্যাকিস্টনের মেছো প্যাঁচা 

নিবাস: পূর্ব সাইবেরিয়া, কোরিয়া, চিন ও জাপানের উত্তর ভাগ।

প্রকৃতি: সন্ধ্যার সময় শিকার করে। কখনও দিনের বেলাতেও শিকার করে। বেশিরভাগ সময় মাটিতে বা নদীর ধারে কাটায়।

ব্ল্যাকিস্টনের মেছো প্যাঁচা

খাদ্য: সব ধরনের মাছ, ব্যাঙ। শীতকালে ছোট স্তন্যপায়ী শিকার করে। সমুদ্র ঈগলের সঙ্গে লড়াই করে তাদের মুখ থেকে মাছ ছিনিয়ে নেয়।

(৬) বাদামি মেছো প্যাঁচা

নিবাস: তুরস্ক, সিরিয়া, ইরাক, ইরান, পাকিস্তান, ভারত, নেপাল, বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কা, মায়ানমার, থাইল্যান্ড, ভিয়েতনাম, তাইওয়ান, চিন।

বাদামি মেছো প্যাঁচা

প্রকৃতি: সূর্যাস্তের আগে শিকারে বার হয়। প্রায়শই দিনের বেলা শিকার করে। মেঘলা দিনে শিকার করতে পছন্দ করে। নিচু এলাকার জঙ্গলের ভেতরে থাকা জলের উৎসের ধারে বাসা বাঁধে। ছোট নদী ও ঝর্ণার ধারে পাথরের আড়ালে শিকার ধরার জন্য বসে থাকে।

খাদ্য: সব ধরণের মাছ, ব্যাঙ, কাঁকড়া, পাখি, সাপ, ইঁদুর।

(৫) বাফি মেছো প্যাঁচা

নিবাস: মায়ানমার, থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া, জাভা, বালি, বোর্নিও।

প্রকৃতি: রাতে শিকার করে। লোকালয়ের পাশের গাছে থাকতে পছন্দ করে। এছাড়াও সমুদ্র উপকূলবর্তী ম্যানগ্রোভ জঙ্গলে দেখা যায়।

বাফি মেছো প্যাঁচা

খাদ্য: মাছ, ব্যাঙ, কাঁকড়া, পাখি ,সাপ, ইঁদুর, গুবরে পোকা, বাদুড়, জলজ পোকা।

(৪) তাওনি মেছো প্যাঁচা

নিবাস: উত্তর ভারত, বাংলাদেশ, দক্ষিণ-পূর্ব চিন, তাইওয়ান, লাওস, ভিয়েতনাম।

প্রকৃতি: ভোরে ,সন্ধ্যায়, কখনও মেঘলা দিনে শিকারে বার হয়। প্রাচীন ও গভীর জঙ্গলের ভেতরে বয়ে চলা নদী ও ঝর্ণার ধারে বাস করে।

তাওনি মেছো প্যাঁচা

খাদ্য: মাছ, কাঁকড়া, চিংড়ি, ব্যাঙ, গিরগিটি, সাপ, ছুঁচো, হাঁস, বনমুরগি, পায়রা। এমনকি সজারুও।

(৩) পেল মেছো প্যাঁচা

নিবাস: আফ্রিকার মালি, নাইজেরিয়া, সিয়েরা লিওন, লাইবেরিয়া, গায়ানা, ঘানা, কঙ্গো, সেনাগাল, তানজানিয়া, জিম্বাবুয়ে, বতসোয়ানা, দক্ষিণ আফ্রিকা।

পেল মেছো প্যাঁচা

প্রকৃতি: ভোর রাতে শিকার করে। জ্যোৎস্না রাতে সারা রাত শিকার করে। এরা একেক বারে ২ কেজি মাছ খেয়ে নিতে পারে। লেক ও নদীর পাশের জঙ্গলে বাসা বাঁধে।

খাদ্য: মাছ, ব্যাঙ, কাঁকড়া, সাপ।

(২) রাফাস মেছো প্যাঁচা

নিবাস: খুবই বিরল ও প্রায় অবলুপ্ত এই প্যাঁচা পশ্চিম আফ্রিকার সিয়েরা লিওন, গায়ানা ও ঘানাতে কয়েকটি মাত্র দেখতে পাওয়া যায়।

রাফাস মেছো প্যাঁচা

প্রকৃতি: মূলত রাতে এবং কখনও দিনের বেলা শিকার করে। বদ্বীপ অঞ্চল এবং নদীর ধারে নিচু জমিতে থাকা জঙ্গলে বাস করে।

খাদ্য: সব ধরণের ছোট মাছ ও ব্যাঙ।

(১) রেখাযুক্ত মেছো প্যাঁচা 

নিবাস: লাইবেরিয়া, টোগো, অ্যাঙ্গোলা

রেখাযুক্ত মেছো প্যাঁচা

প্রকৃতি: রাতে ও দিনে শিকার করে। নদী থেকে ১৫-২০ ফুট দূরের গাছে বাসা বাঁধে। বাসা থেকে নদীতে মাছের নড়াচড়ার দিকে খেয়াল রাখে।

খাদ্য: সব ধরণের মাছ ও ব্যাঙ।

Comments are closed.