গাড়ি ভর্তি ছোট ইলিশ, বিক্ষোভের মুখে ধরেও ছেড়ে দিল মৎস্য দফতর

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

    দ্য ওয়াল ব্যুরো, দক্ষিণ ২৪ পরগনা : মৎসজীবীদের বাধার মুখে পড়ে ছোট ইলিশের ট্রাক ছেড়ে দিতে বাধ্য হল মৎস্য দফতর। নামখানার নারায়ণপুরে।

    মরসুম প্রায় শেষের মুখে। ইলিশে রসনা তৃপ্তির সুযোগ এ বার বড় একটা পায়নি বাঙালি। দিঘাই হোক আর নামখানা-কাকদ্বীপ, বারবার ট্রলার নিয়ে ইলিশের খোঁজে গিয়ে শূন্য হাতে ফিরতে হয়েছে মৎস্যজীবীদের। লক্ষ লক্ষ টাকা খরচ করে গভীর সমুদ্রে গিয়ে ইলিশ না মেলায় লোকসানের মুখে পড়েছেন মৎস্যজীবীরা। কারণ সারা বছর অন্য মাছ উঠলেও লাভের আশায় এই ইলিশের মরসুমের দিকে তাকিয়ে বসে থাকেন তাঁরা। ইলিশ তো মেলেইনি, তার উপরে খারাপ আবহাওয়ায় এ বার পরপর ট্রলারডুবির ঘটনাও ঘটেছে। এখনও নিখোঁজ কাকদ্বীপের ২৩ জন মৎস্যজীবী।

    ইলিশ বাঁচাতে সমুদ্র থেকে ছোট চারা ইলিশ ধরা নিষিদ্ধ করেছে সরকার। কিন্তু নিষিদ্ধ হওয়া সত্ত্বেও ব্যবসায়িক স্বার্থে ১৫০ থেকে ২০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ পর্যন্ত ধরে এনে বাজারে বিক্রির অভিযোগ উঠছে মৎসজীবীদের একাংশের বিরুদ্ধে। সরকারিভাবে ২৩ সেন্টিমিটারের কম ফাঁস যুক্ত জাল ব্যবহার করা নিষিদ্ধ। কিন্তু এরপরও অবাধে চলছে এই জাল ব্যবহার করে ছোট ইলিশ ধরার কারবার। বুধবার মৎস্য দফতরের অফিসাররা গোপন সূত্রে খবর পেয়ে নামখানার নারায়ণপুর মৎস্য বন্দরে অভিযান চালান। বেশ কয়েকটি গাড়ি বোঝাই ছোট ইলিশ দেখতে পান তাঁরা।

    গাড়িগুলি আটক করতেই তাঁদের উপর চড়াও হন মৎস্য বন্দরের শ্রমিকরা। দাবি করতে থাকেন, এ বছর মোটেই ইলিশ ধরা না পড়ায় চুড়ান্ত কষ্টে দিন কাটছে মৎস্যজীবী পরিবারগুলির। শ্রমিকদের ক্ষোভের মুখে ওই ছোট ইলিশ বাজেয়াপ্ত না করেই ফিরে যান তাঁরা। পরে পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে ১১৭ নম্বর জাতীয় সড়কে মাছের গাড়ি গাড়ি গুলিতে তল্লাশি চালান।

    ছোট ইলিশ বাজেয়াপ্ত না করা গেলেও মৎস্য দফতরের আধিকারিক জয়ন্তকুমার প্রধান জানান, ছোট ইলিশ ধরা যাতে বন্ধ হয় তার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবেন তাঁরা।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More