কোঝিকোড়ে বিমান দুর্ঘটনার ত্রাণে যুক্ত ২২ অফিসারের করোনা পজিটিভ, সেলফ আইসোলেশনে কেরলের মুখ্যমন্ত্রীও

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

দ্য ওয়াল ব্যুরো : গত সপ্তাহে কেরলের কোঝিকোড়ে বিমান দুর্ঘটনায় ১৮ জন মারা যান। দুর্ঘটনার পর বিমানবন্দরের যে অফিসাররা ত্রাণের কাজ করেছিলেন, তাঁদের মধ্যে ২২ জন করোনা পজিটিভ হয়েছেন। মালাপ্পুরমের এক মেডিকেল অফিসার একথা জানান। জেলা মেডিকেল অফিসার জানান, করোনা পজিটিভ অফিসারদের কোয়ারান্টাইনে রাখা হয়েছে।

দুর্ঘটনার পরদিন এয়ারপোর্টে যান কেরলের রাজ্যপাল আরিফ মহম্মদ খান, মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়ন, রাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রী কে কে শৈলজা এবং কয়েকজন উচ্চপদস্থ অফিসার। অসামরিক বিমান চলাচল মন্ত্রী হরদীপ সিং পুরি এবং বিদেশ দফতরের প্রতিমন্ত্রী ভি মুরলিধরনও ঘটনাস্থলে গিয়েছিলেন।

পরে মুরলিধরন জানান, দিল্লিতে ফিরে তিনি সেলফ আইসোলেশনে রয়েছেন। বিমানবন্দরে অবশ্য তিনি বেশি লোকের সংস্পর্শে আসেননি। কিন্তু তিনি পরে মুন্নারে যান। সেখানে ধস নেমেছিল। ওই জায়গায় সামাজিক দূরত্ব রক্ষা করা সম্ভব ছিল না। দুর্ঘটনাস্থল পরিদর্শনের পরে মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়ন এবং অপর আট মন্ত্রীও সেলফ কোয়ারান্টাইনে গিয়েছেন বলে জানা যায়।

গত ৭ অগাস্ট কোঝিকোড় বিমানবন্দরে অবতরণের সময় প্রবল বৃষ্টিতে পিছলে গিয়ে ভেঙে দু’টুকরো হয়ে যায় এয়ার ইন্ডিয়া এক্সপ্রেস বিমান আইএক্স- ১৩৪৪। এরপর কেবিনের দিকের অংশে আগুন ধরে যায়। ফলে দুই পাইলটেরই মৃত্যু হয়। তবে বিমানের বাকি অংশে আগুন ধরেনি।

বিমানবন্দর সূত্রে খবর, ওই বিমানে ১৭৪ জন যাত্রী, ১০ সদ্যোজাত, দু’জন পাইলট ও চারজন বিমানকর্মী ছিলেন। করোনা আবহে বিদেশে আটকে পড়া ভারতীয়দের দেশে ফেরানোর কাজ করছিল বিমানটি। জানা গিয়েছে, বন্দে ভারত মিশনের আওতায় চলছিল এই বিমানটি।

গত শনিবার তার ধ্বংসস্তূপের কাছে মিলেছে ফ্লাইট ডাটা রেকর্ডার। ওই যন্ত্রটি থাকে বিমানের ককপিটে। তাতে রেকর্ড করা থাকে বিমান কী উচ্চতায় উড়ছে এবং তার গতিবেগ কত। পাইলটদের কথোপকথনও রেকর্ড করা থাকে। কোঝিকোড়ে দুর্ঘটনাগ্রস্ত বিমানের ফ্লাইট ডাটা রেকর্ডার পাওয়ার পরে তদন্তকারীদের সুবিধা হবে। ঠিক কী পরিস্থিতিতে বিমানটি ধ্বংস হয়েছিল, তাঁরা বুঝতে পারবেন।

ডায়রেক্টর জেনারেল অব সিভিল এভিয়েশনের এক তদন্তকারী জানিয়েছেন, ওয়েদার রেডারে দেখা গিয়েছে, বিমানটির ২৮ নম্বর রানওয়েতে নামার কথা ছিল। প্রবল ঝড়বৃষ্টির মধ্যে বিমানটি দু’বার নামার চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়। তখন বিমানটি ১০ নম্বর রানওয়েতে নামতে চেষ্টা করে। বিমানটি তখন ফুল স্পিডে ছিল। রানওয়ে অতিক্রম করে সেটি ৩৫ ফুট গর্তে পড়ে যায়।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More