কোচবিহারে ভোট-অফিসারকে প্রাণে মারার হুমকি, অভিযুক্ত তৃণমূল বিধায়ক

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

     দ্য ওয়াল ব্যুরো, কোচবিহার: নির্বাচনের কাজে নিযুক্ত এক আধিকারিককে প্রাণে মারার হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠল মেখলিগঞ্জের তৃণমূল বিধায়ক অর্ঘ্য রায় প্রধানের বিরুদ্ধে। ইতিমধ্যেই হলদিবাড়ি থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন ওই আধিকারিক। অভিযোগ জানানো হয়েছে নির্বাচন কমিশনের কাছেও। তবে তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ পুরোপুরি অস্বীকার করেছেন বিধায়ক।

    হলদিবাড়ি পুরসভার সাব অ্যাসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার নারায়ণ চন্দ্র রায়। হলদিবাড়ি শহরেরই উত্তরপাড়ার বাসিন্দা তিনি। জানা গিয়েছে, জলপাইগুড়ি লোকসভা কেন্দ্রের নির্বাচনের দিন হলদিবাড়ি ব্লকের এফএসটির ওসির পদে নিযুক্ত ছিলেন নারায়ণবাবু। তিনি জানান, গত বৃহস্পতিবার ভোটের দিন বেশকিছু সিদ্ধান্তের জন্য শাসকদলের রোষে পড়েছিলেন তিনি। নারায়ণবাবু বলেন, “শনিবার দুপুর ১২ টা নাগাদ হলদিবাড়ি পুরসভার সামনে বিধায়ক অর্ঘ্য রায়প্রধানের নেতৃত্বে বেশকিছু লোকজন আমাকে হুমকি দেয়। আমাকে মারতেও উদ্যত হয়। তাদের হাতে বাঁশ ও লাঠি ছিল। সঙ্গে অশালীন ভাষায় গালাগাল করছিল আমাকে।”

    ঘটনার জেরে আতঙ্কিত ওই আধিকারিক এরপর থেকেই গৃহবন্দি। নিরাপত্তার অভাব বোধ করছেন তিনি। ইতিমধ্যেই হলদিবাড়ি থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন নারায়ণবাবু। পুলিশ প্রশাসনের কর্তাদের কাছে এ ব্যাপারে দ্রুত পদক্ষেপ করার জন্য আবেদন করেছেন তিনি। পাশাপাশি কোচবিহারের জেলাশাসক, বিডিও, এসডিও, ও নির্বাচন কমিশনের কাছেও লিখিত অভিযোগ করেন।

    তবে তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা যাবতীয় অভিযোগ অস্বীকার করেছেন মেখলিগঞ্জের বিধায়ক অর্ঘ্য রায় প্রধান। তিনি বলেন, “নারায়ণবাবু কেন এমন অভিযোগ করছেন তা আমি বুঝতে পারছি না। নির্বাচনের আগে বা পরে কোথাও কোনওরকম গন্ডগোলের খবর নেই গোটা হলদিবাড়ি জুড়ে। কেউ যদি দিবা স্বপ্ন দেখেন তাহলে আমার কিছু করার নেই।”

    এ ব্যাপারে হলদিবাড়ি থানার আইসি দেবাশিস বসু বলেন, “আমরা ওই আধিকারিকের অভিযোগ পেয়েছি। পুরো ব্যাপারটাই খতিয়ে দেখা হচ্ছে।”

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More