শনিবার, নভেম্বর ১৬

বিজেপি করায় রায়গঞ্জে মহিলার কান কেটে নেওয়ার অভিযোগ

দ্য ওয়াল ব্যুরো, উত্তর দিনাজপুর : বিজেপি করায় নিত্যদিন চলত গালিগালাজ। অভিযোগ এমনটাই। এরই প্রতিবাদ করায় এক মহিলার কান কেটে নেওয়ার অভিযোগ উঠল রায়গঞ্জের কর্ণজোড়ায়। দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে কর্ণজোড়া পুলিশ ফাঁড়িতে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন বিজেপি কর্মী সুকুমার দাস ও তাঁর স্ত্রীর। ওই দুষ্কৃতীরা তৃণমূল আশ্রিত বলেও অভিযোগ তাঁদের। তবে তৃণমূলের দাবি এ ঘটনা বিজেপির গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের ফল।

কর্ণজোড়ার বাসিন্দা বিজেপির সক্রিয় কর্মী সুকুমার দাসের দাবি, এলাকার তৃণমূল কংগ্রেস আশ্রিত দুষ্কৃতীরা তাঁর বাড়ির সামনে দিয়ে যাওয়ার সময় অশ্রাব্য ভাষায় তাঁদের গালিগালাজ করে। বুধবার রাতে একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি হওয়ায় সুকুমার দাস ও তার স্ত্রী অঞ্জনা দাস এর প্রতিবাদ করেন। অভিযোগ, এতেই ক্ষুব্ধ হয়ে ধারালো অস্ত্র নিয়ে সুকুমারবাবুর উপর চড়াও হয় তারা। স্বামীকে বাঁচাতে স্ত্রী অঞ্জনা দাস এগিয়ে এলে দুষ্কৃতীরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে অঞ্জনাদেবীর কান কেটে দেয়। তাঁর গলায় থাকা সোনার চেন, সোনার দুল ছিনতাই করে পালিয়ে যায়।

গুরুতর জখম অবস্থায় অঞ্জনাদেবীকে রায়গঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে চিকিৎসা করানো হয়। তার কানে ছটি সেলাই করা হয়েছে বলে হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে। রাতেই ওই দম্পতি কর্ণজোড়া পুলিশ ফাঁড়িতে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

তবে এলাকার তৃণমূল নেতৃত্বের দাবি, এই ঘটনার সঙ্গে তৃণমূলের কোনও যোগ নেই। স্থানীয় তৃণমূল নেতা মানস ঘোষ বলেন, “আমি দায়িত্ব নিয়ে বলছি, এই ঘটনার সঙ্গে তৃণমূলের কোনও যোগ নেই। এটা বিজেপির নব্য ও পুরনোদের বিবাদের জের। আমাদের দল এমন নোংরা রাজনীতি করে না।”

পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। এখনও পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করা হয়নি। পুলিশ জানিয়েছে, এটা প্রতিবেশীদের মধ্যে বিবাদের জের। উভয় পক্ষই থানায় অভিযোগ দায়ের করেছে। তদন্তও শুরু হয়েছে।

Comments are closed.